ঢাকা ০২:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা নিরাপত্তা যেন দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে ওবামার প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টার উদ্বোধন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সুবাতাস এই সপ্তাহে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য যা থাকছে সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের শাকিরার প্রেম-বিচ্ছেদের গল্প শিক্ষা খাতে ৮৩ হাজারো মামলার জটে আটকা শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত

হবিগঞ্জ পৌর মেয়রের দায়িত্ব নিচ্ছেন গউছ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:১০:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ জানুয়ারী ২০১৭
  • ৩২৪ বার

হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র হিসেবে অবশেষে দায়িত্ব নিচ্ছেন জি কে গউছ। প্রায় দুই বছর কারাভোগের পর তিনি আবারও পৌরসভার দায়িত্বে ফিরছেন।

সোমবার হাইকোর্ট থেকে তার সাময়িক বরখাস্তের আদেশ স্থগিত করা হয়েছে।

তাকে বরণ করতে অপেক্ষায় রয়েছেন পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝেও উৎসাহ উদ্দীপনার কমতি নেই।

খুব শিগগিরিই দায়িত্ব বুঝে পাবেন বলে প্রত্যাশা করে মেয়র জি কে গউছ বলেন, আমি মানসিকভাবে প্রস্তুত। যখনই দায়িত্ব দেয়া হবে তখনই দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত আছি।

তিনি জানান, চরম প্রতিকূলতার মাঝেও পৌরসভার ভোটাররা তাকে কারাগারে রেখে নির্বাচিত করেছেন। এজন্য তিনি ভোটারদের কাছে চিরদিন ঋণী থাকবেন। পাশাপাশি পৌরবাসী যে উন্নয়নের প্রত্যাশা নিয়ে তাকে ভোট দিয়েছেন তার ধারাবাহিকতা রক্ষারও অঙ্গীকার করেন তিনি।

জি কে গউছ এর আগেও দুইবার পৌরসভার মেয়র ছিলেন। ওই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পৌরসভার উন্নয়নে তিনি সর্বশক্তি নিয়োগ করবেন বলে জানান। এ ব্যাপারে তিনি সরকারের সব মহলের সহযোগিতা পাবেন বলেও আশা করেন।

সোমবার বিচারপতি নাইমা হায়দার ও খান মো. সাইফুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ তা স্থগিতের আদেশ দেন।

এর আগে ২০১৬ সালের ২০ মার্চ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ তাকে মেয়র পদ থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে। এ আদেশের বিরুদ্ধে রোববার আদালতে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেন গউছ। সোমবার রিটের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। তার পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন সিনিয়র আইনজীবী স ম রেজাউল করিম ও আব্দুর রাজ্জাক রাজু। শুনানি শেষে আদালত তার বরখাস্তের আদেশ স্থগিত করেন।

উল্লেখ্য, ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জের বৈদ্যের বাজারে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় দুর্বৃত্তদের গ্রেনেড হামলায় নিহত হন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়াসহ পাঁচজন। এ ঘটনায় দায়েরকৃত হত্যা এবং বিস্ফোরক মামলার সর্বশেষ তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের শেষের দিকে অধিকতর অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেন। এতে হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র জি কে গউছ ও সিলেটের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীসহ মোট ৩২ জনকে আসামিভূক্ত করা হয়।

একই বছর ২৮ ডিসেম্বর গউছ আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। দীর্ঘ দুই বছর কারাগারে আটক থাকার পর গত ৪ জানুয়ারি উচ্চ আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পান তিনি।

এদিকে কারাগারে আটক থাকা অবস্থায়ই ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত পৌর নির্বাচনে তিনি মেয়র হিসেবে টানা তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত হন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

হবিগঞ্জ পৌর মেয়রের দায়িত্ব নিচ্ছেন গউছ

আপডেট টাইম : ১২:১০:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ জানুয়ারী ২০১৭

হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র হিসেবে অবশেষে দায়িত্ব নিচ্ছেন জি কে গউছ। প্রায় দুই বছর কারাভোগের পর তিনি আবারও পৌরসভার দায়িত্বে ফিরছেন।

সোমবার হাইকোর্ট থেকে তার সাময়িক বরখাস্তের আদেশ স্থগিত করা হয়েছে।

তাকে বরণ করতে অপেক্ষায় রয়েছেন পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝেও উৎসাহ উদ্দীপনার কমতি নেই।

খুব শিগগিরিই দায়িত্ব বুঝে পাবেন বলে প্রত্যাশা করে মেয়র জি কে গউছ বলেন, আমি মানসিকভাবে প্রস্তুত। যখনই দায়িত্ব দেয়া হবে তখনই দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত আছি।

তিনি জানান, চরম প্রতিকূলতার মাঝেও পৌরসভার ভোটাররা তাকে কারাগারে রেখে নির্বাচিত করেছেন। এজন্য তিনি ভোটারদের কাছে চিরদিন ঋণী থাকবেন। পাশাপাশি পৌরবাসী যে উন্নয়নের প্রত্যাশা নিয়ে তাকে ভোট দিয়েছেন তার ধারাবাহিকতা রক্ষারও অঙ্গীকার করেন তিনি।

জি কে গউছ এর আগেও দুইবার পৌরসভার মেয়র ছিলেন। ওই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পৌরসভার উন্নয়নে তিনি সর্বশক্তি নিয়োগ করবেন বলে জানান। এ ব্যাপারে তিনি সরকারের সব মহলের সহযোগিতা পাবেন বলেও আশা করেন।

সোমবার বিচারপতি নাইমা হায়দার ও খান মো. সাইফুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ তা স্থগিতের আদেশ দেন।

এর আগে ২০১৬ সালের ২০ মার্চ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ তাকে মেয়র পদ থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে। এ আদেশের বিরুদ্ধে রোববার আদালতে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেন গউছ। সোমবার রিটের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। তার পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন সিনিয়র আইনজীবী স ম রেজাউল করিম ও আব্দুর রাজ্জাক রাজু। শুনানি শেষে আদালত তার বরখাস্তের আদেশ স্থগিত করেন।

উল্লেখ্য, ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জের বৈদ্যের বাজারে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় দুর্বৃত্তদের গ্রেনেড হামলায় নিহত হন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়াসহ পাঁচজন। এ ঘটনায় দায়েরকৃত হত্যা এবং বিস্ফোরক মামলার সর্বশেষ তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের শেষের দিকে অধিকতর অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেন। এতে হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র জি কে গউছ ও সিলেটের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীসহ মোট ৩২ জনকে আসামিভূক্ত করা হয়।

একই বছর ২৮ ডিসেম্বর গউছ আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। দীর্ঘ দুই বছর কারাগারে আটক থাকার পর গত ৪ জানুয়ারি উচ্চ আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পান তিনি।

এদিকে কারাগারে আটক থাকা অবস্থায়ই ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত পৌর নির্বাচনে তিনি মেয়র হিসেবে টানা তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত হন।