ঢাকা ১২:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেষ হলো জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন তায়েফের বুকে যে মসজিদ মুসলিমদের জন্য এক টুকরো সান্ত্বনা পে স্কেলে বদলাচ্ছে ইনক্রিমেন্ট নীতি, কোন গ্রেডে কত শিগগিরই ১০ হাজার পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ দেবে সরকার অন্তরঙ্গ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ভয়ে জোবায়েদকে হত্যা, তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র বাংলাদেশি সমর্থকদের স্কালোনির ধন্যবাদ দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তারেক রহমান ‘মত পার্থক্য থাকতে পারে, ঐক্য যেন নষ্ট না হয়’ শেখ হাসিনার আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষিতে ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নে আইফার্মারের সাথে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে সমঝোতা করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৪০:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জানুয়ারী ২০১৭
  • ৪১৬ বার

সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

সোমবার নির্বাচন কমিশন গঠনে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে চলামান সংলাপে জাতীয় পার্টির (জেপি) সঙ্গে আলোচনার সময় আবদুল হামিদ এ কথা বলেন।

জেপি চেয়ারম্যান পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বে ১৬ সদস্যের প্রতিনিধি দল বঙ্গভবনে যায়।

প্রায় এক ঘণ্টার বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন সাংবাদিকদের বলেন, ‘আলোচনায় রাষ্ট্রপতি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর সমঝোতা অপরিহার্য। তিনি গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পরমত সহিষ্ণুতার সংষ্কৃতি গড়ে তোলার আহ্বান জানান।’

প্রেস সচিব আরও জানান, সংলাপে জেপি প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনের ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে ধাপে ধাপে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের প্রস্তাব দেওয়া হয়।

প্রতিনিধ দলের ভাষ্য, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন গঠনই যথেষ্ট নয়। এরজন্য রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতৈক্য দরকার।

প্রেস সচিব বলেন, ‘জেপির প্রতিনিধি দল নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার জন্য নির্বাচনের সময় স্থানীয়দের নির্বাচনী দায়িত্ব না দিয়ে নির্বাচনী এলাকার বাইরে থেকে নির্বাচনী কর্মকর্তা নিয়োগের প্রস্তাব দেন।’

গত ১৮ ডিসেম্বর সংসদের বাইরে থাকা বিএনপির সঙ্গে আলোচনা শুরুর মধ্যে দিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে রাষ্ট্রপ্রধান আবদুল হামিদের এই সংলাপ শুরু হয়। প্রথম দিনের আলোচনার পর সংলাপ নিয়ে ইতিবাচক বক্তব্য এসেছে দুই পক্ষ থেকেই।

কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ নেতৃত্বাধীন বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ শেষে আগামী ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেবে নতুন ইসি। ওই কমিশনের অধীনেই ২০১৯ সালে একাদশ সংসদ নির্বাচন হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে সমঝোতা করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

আপডেট টাইম : ১২:৪০:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জানুয়ারী ২০১৭

সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

সোমবার নির্বাচন কমিশন গঠনে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে চলামান সংলাপে জাতীয় পার্টির (জেপি) সঙ্গে আলোচনার সময় আবদুল হামিদ এ কথা বলেন।

জেপি চেয়ারম্যান পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বে ১৬ সদস্যের প্রতিনিধি দল বঙ্গভবনে যায়।

প্রায় এক ঘণ্টার বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন সাংবাদিকদের বলেন, ‘আলোচনায় রাষ্ট্রপতি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর সমঝোতা অপরিহার্য। তিনি গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পরমত সহিষ্ণুতার সংষ্কৃতি গড়ে তোলার আহ্বান জানান।’

প্রেস সচিব আরও জানান, সংলাপে জেপি প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনের ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে ধাপে ধাপে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের প্রস্তাব দেওয়া হয়।

প্রতিনিধ দলের ভাষ্য, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন গঠনই যথেষ্ট নয়। এরজন্য রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতৈক্য দরকার।

প্রেস সচিব বলেন, ‘জেপির প্রতিনিধি দল নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার জন্য নির্বাচনের সময় স্থানীয়দের নির্বাচনী দায়িত্ব না দিয়ে নির্বাচনী এলাকার বাইরে থেকে নির্বাচনী কর্মকর্তা নিয়োগের প্রস্তাব দেন।’

গত ১৮ ডিসেম্বর সংসদের বাইরে থাকা বিএনপির সঙ্গে আলোচনা শুরুর মধ্যে দিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে রাষ্ট্রপ্রধান আবদুল হামিদের এই সংলাপ শুরু হয়। প্রথম দিনের আলোচনার পর সংলাপ নিয়ে ইতিবাচক বক্তব্য এসেছে দুই পক্ষ থেকেই।

কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ নেতৃত্বাধীন বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ শেষে আগামী ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেবে নতুন ইসি। ওই কমিশনের অধীনেই ২০১৯ সালে একাদশ সংসদ নির্বাচন হবে।