ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্বে থাকার সময় গত বছরের নভেম্বরে এলপিজির বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয়।
এলপিজি আমদানির ব্যবসায় ৩০টি নিবন্ধিত কোম্পানি রয়েছে। এর মধ্যে ৬টি কোম্পানি এখন নিয়মিত আমদানি করে থাকে। আর আমদানিকারকদের থেকে গ্যাস সংগ্রহ করে নিজস্ব প্ল্যান্টে বোতলজাত করার কাজে যুক্ত আছে ১২টি প্রতিষ্ঠান। একসময় বাজারে নেতৃস্থানীয় পর্যায়ে থাকা বসুন্ধরা ও বেক্সিমকো পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ব্যবসা বন্ধ রেখেছে।
এই অবস্থায় দাবি আদায়ে চাপ সৃষ্টি করতে ১৫ ও ১৬ অক্টোবর ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিল এলপিজি ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি। তবে সরকারের কড়া হুঁশিয়ারি ও গণশুনানির তারিখ ঘোষণার পরপরই ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়।
দেশে প্রতিমাসে এলপিজির চাহিদা রয়েছে দেড় লাখ টন। গত আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে ১ লাখ ৫৬ হাজার ও ১ লাখ ৫৭ হাজার টন করে এলপিজি আমদানি হয়েছে। অক্টোবর মাসেও সমপরিমাণ আমদানি হবে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা। অর্থাৎ, আমদানি হচ্ছে চাহিদার চেয়েও কিছুটা বেশি।
২০২১ সালের এপ্রিলে প্রথমবারের মতো মাসে মাসে এলপিজির দর ঘোষণার নিয়ম চালু হয়। তখন ১২ কেজির সিলিন্ডারে কমিশন ধরা হয়েছিল ১৪৩ টাকা। তবে আমদানিকারক বা অপারেটরদের দাবির মুখে তা বাড়িয়ে ১৮৬ টাকা এবং পরে ১৯১ টাকা করা হয়।
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ দফায় টানা দীর্ঘ দেড় দশক দলটি ক্ষমতায় থাকার সময় বেশ কয়েকবার কমিশন বা মুনাফার হার বাড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন আমদানিকারকেরা। তবে তখন তারা সফল হননি।
জুলাই অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার স্বৈরশাসনের অবসানের পরিপ্রেক্ষিতে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসায় আবারও তারা এই বিষয়ে সচেষ্ট।
Reporter Name 
























