ঢাকা ১১:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ২৫ নভেম্বর, ঠিকানা পরিবর্তনের আবেদনের শেষ সময় জানাল ইসি ফুটবলে এবার ‘ইলেকট্রনিক কার্ড’ সাত ইসলামী দলের ঐক্য গড়তে মতবিরোধ কমছে শ্রম আদালতের মামলাজট নিরসনে কার্যকর রোডম্যাপ প্রণয়নের আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর সাড়ে চার ঘণ্টায় ১৩ স্পট পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর, হাসপাতাল-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে সরকারি কোয়ার্টার তরুণদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সবার জন্য বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী প্রাক্তনকে ক্ষমা করতে চান না পরী জ্বালানি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ ন্যায়বিচার নিশ্চিতে প্যারালিগ্যাল সেবাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে: আইনমন্ত্রী অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক, দিলেন যে ব্যাখ্যা

সাড়ে চার ঘণ্টায় ১৩ স্পট পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর, হাসপাতাল-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে সরকারি কোয়ার্টার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৫১:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ৪ বার

মাত্র সাড়ে চার ঘণ্টার ব্যবধানে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ স্পট আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর মধ্যে বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসিক এলাকা এবং মিরপুর-১০ নম্বরের হকারমুক্ত ফুটপাতও রয়েছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ৯টা ১০ মিনিটে এই আকস্মিক পরিদর্শন শুরু হয়ে দুপুর ১টা ৪১ মিনিট পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সেবার মান ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।

দিনের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী উত্তরার কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতাল পরিদর্শন দিয়ে তার কার্যক্রম শুরু করেন। এরপর তিনি পর্যায়ক্রমে যেসব স্থানে যান তার মধ্যে রয়েছে- রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ (মিরপুর), পাইকপাড়া স্টাফ কোয়ার্টার, সরকারি বাংলা কলেজ, বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট (আগারগাঁও), শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ (নিজের সাবেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান), ধানমন্ডি সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়, কলাবাগান স্টাফ কোয়ার্টার এবং আজিমপুর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কোয়ার্টার। এর বাইরে মিরপুর-১০ নম্বরে হকারমুক্ত ফুটপাত পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী, যে সময় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনের সময় বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে গিয়ে এক ভিন্ন ঘটনার মুখোমুখি হন প্রধানমন্ত্রী। হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলামের কক্ষে প্রবেশ করে তাকে ধূমপান করতে দেখেন তিনি। একই সাথে ওই চিকিৎসকের কক্ষটি অত্যন্ত অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় ছিল। ঘটনাটি নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গেই প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালের চেয়ারম্যানকে ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশ পাওয়ার পরপরই অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. রফিকুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

বিভিন্ন স্থান পরিদর্শনের সময় অনেক স্থানেই অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও ব্যবস্থাপনার বড় ধরনের ঘাটতি দেখে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। এর অংশ হিসেবে উত্তরার কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালের পরিবেশ ও পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থার উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সাত দিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়। এছাড়া আজিমপুর সরকারি কোয়ার্টার পুরোপুরি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দুই সপ্তাহের সময় দেন তিনি।

আকস্মিক এই ঝটিকা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং নাগরিক সেবা, পরিচ্ছন্নতা ও জনস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের তাগিদ দেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ২৫ নভেম্বর, ঠিকানা পরিবর্তনের আবেদনের শেষ সময় জানাল ইসি

সাড়ে চার ঘণ্টায় ১৩ স্পট পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর, হাসপাতাল-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে সরকারি কোয়ার্টার

আপডেট টাইম : ১০:৫১:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

মাত্র সাড়ে চার ঘণ্টার ব্যবধানে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ স্পট আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর মধ্যে বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসিক এলাকা এবং মিরপুর-১০ নম্বরের হকারমুক্ত ফুটপাতও রয়েছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ৯টা ১০ মিনিটে এই আকস্মিক পরিদর্শন শুরু হয়ে দুপুর ১টা ৪১ মিনিট পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সেবার মান ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।

দিনের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী উত্তরার কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতাল পরিদর্শন দিয়ে তার কার্যক্রম শুরু করেন। এরপর তিনি পর্যায়ক্রমে যেসব স্থানে যান তার মধ্যে রয়েছে- রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ (মিরপুর), পাইকপাড়া স্টাফ কোয়ার্টার, সরকারি বাংলা কলেজ, বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট (আগারগাঁও), শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ (নিজের সাবেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান), ধানমন্ডি সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়, কলাবাগান স্টাফ কোয়ার্টার এবং আজিমপুর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কোয়ার্টার। এর বাইরে মিরপুর-১০ নম্বরে হকারমুক্ত ফুটপাত পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী, যে সময় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনের সময় বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে গিয়ে এক ভিন্ন ঘটনার মুখোমুখি হন প্রধানমন্ত্রী। হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলামের কক্ষে প্রবেশ করে তাকে ধূমপান করতে দেখেন তিনি। একই সাথে ওই চিকিৎসকের কক্ষটি অত্যন্ত অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় ছিল। ঘটনাটি নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গেই প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালের চেয়ারম্যানকে ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশ পাওয়ার পরপরই অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. রফিকুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

বিভিন্ন স্থান পরিদর্শনের সময় অনেক স্থানেই অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও ব্যবস্থাপনার বড় ধরনের ঘাটতি দেখে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। এর অংশ হিসেবে উত্তরার কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালের পরিবেশ ও পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থার উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সাত দিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়। এছাড়া আজিমপুর সরকারি কোয়ার্টার পুরোপুরি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দুই সপ্তাহের সময় দেন তিনি।

আকস্মিক এই ঝটিকা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং নাগরিক সেবা, পরিচ্ছন্নতা ও জনস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের তাগিদ দেন।