ঢাকা ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
‘পাহাড়ি কৃষিপণ্য রপ্তানিতে মানসম্মত উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ জরুরি’ শাহজালালে বিমানের জরুরি অবতরণের পর ছুটে গেলেন মন্ত্রী এআই দিয়ে জামায়াত-শিবির সরকারবিরোধী যে অপপ্রচার ছড়াচ্ছে, তা আ. লীগও করেনি দেশের ৫০৩টি উপজেলার উন্নয়নে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে : এলজিআরডি মন্ত্রী আঙুলের কালির দাগ শুকানোর আগেই সরকার ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ৪ সাবেক মুখ্যমন্ত্রীসহ ৭ হাজারের বেশি আটক: মোদি সরকারকে তীব্র নিন্দা জাতিসংঘ, অ্যামনেস্টিসহ বিরোধীদের আগামী বছরের রমজান শুরু হতে পারে ৮ ফেব্রুয়ারি ক্যামেরার ফ্রেমে পরিযায়ী পাখির চোখজুড়ানো দৃশ্য পতনের দ্বারপ্রান্তে মোদির সরকার বিদ্যুৎ বিভাগের ৪১টি উন্নয়ন প্রকল্পে ১০ হাজার ৬৫৩ কোটি টাকার সহায়তা

‘পাহাড়ি কৃষিপণ্য রপ্তানিতে মানসম্মত উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ জরুরি’

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৪৪:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
  • ৬ বার

পাহাড়ে উৎপাদিত আম, কলা, কাঁঠাল, আনারস, পেঁপে, আদা ও হলুদের মতো কৃষিপণ্য রপ্তানির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এসব পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে নিতে মানসম্মত উৎপাদন, উত্তম কৃষিচর্চা, উন্নত বিপণনব্যবস্থা এবং পরিবহন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ জরুরি। একই সঙ্গে পাহাড় থেকে সমতলে কৃষিপণ্য পরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধ ও সংরক্ষণব্যবস্থা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ।

শনিবার (১০ অক্টোবর) খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ‘কৃষিপণ্য রপ্তানিতে উদ্যোক্তা ও চাষীদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং রপ্তানি সক্ষমতা উন্নয়ন’ শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর আয়োজনে এবং উপজেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ ফ্রুটস অ্যান্ড ভেজিটেবলস অ্যাসোসিয়েশন, চট্টগ্রামের সহযোগিতায় এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

মোহাম্মদ হাসান আরিফ বলেন, পাহাড়ের কৃষিপণ্য রপ্তানিযোগ্য করতে মানসম্মত ফসল উৎপাদন ও উত্তম কৃষিচর্চার কোনো বিকল্প নেই। কৃষিপণ্যের বিপণন সহজ করতে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো সরকারের সঙ্গে কাজ করছে।

পরিবহন ব্যয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পাহাড় থেকে সমতলে পণ্য পরিবহনে সরকার নির্ধারিত টোল বা কর ছাড়া অন্য কোনো অননুমোদিত খরচ গ্রহণযোগ্য নয়। চাঁদাবাজি অব্যাহত থাকলে কৃষকদের উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাবে। এতে তাঁরা বিপণনে পুঁজি হারানোর ঝুঁকিতে পড়বেন। পাহাড়ের সম্ভাবনাময় আম, কলা, কাঁঠাল, আনারস, আদা ও হলুদ নিয়ে আমরা স্বপ্ন দেখছি।

মানিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আফরোজ ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ফ্রুটস অ্যান্ড ভেজিটেবলস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. কামাল উদ্দিন।

প্রশিক্ষণে কৃষিপণ্য রপ্তানির প্রক্রিয়া, আন্তর্জাতিক বাজার বিশ্লেষণ, বিদেশি ক্রেতা অনুসন্ধান এবং রপ্তানিসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথিপত্র সম্পর্কে আলোচনা করেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর পরিচালক কুমকুম সুলতানা।

এ সময় বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রিপন হোসেন, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের চট্টগ্রাম কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. এ এস এম হারুনর রশিদ, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আতিকুর রহমান, কৃষক কামাল ও আবু তাহেরসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

কর্মশালায় কৃষিবিদরা বলেন, উত্তম কৃষিচর্চার ঘাটতি পাহাড়ি ফলমূল রপ্তানির ক্ষেত্রে অন্যতম বাধা। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত কৃষিপণ্য উৎপাদনের পাশাপাশি সংগ্রহ, সংরক্ষণ, পরিবহন ও বিপণনের প্রতিটি পর্যায়ে গুণগত মান বজায় রাখতে হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

‘পাহাড়ি কৃষিপণ্য রপ্তানিতে মানসম্মত উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ জরুরি’

‘পাহাড়ি কৃষিপণ্য রপ্তানিতে মানসম্মত উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ জরুরি’

আপডেট টাইম : ১১:৪৪:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

পাহাড়ে উৎপাদিত আম, কলা, কাঁঠাল, আনারস, পেঁপে, আদা ও হলুদের মতো কৃষিপণ্য রপ্তানির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এসব পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে নিতে মানসম্মত উৎপাদন, উত্তম কৃষিচর্চা, উন্নত বিপণনব্যবস্থা এবং পরিবহন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ জরুরি। একই সঙ্গে পাহাড় থেকে সমতলে কৃষিপণ্য পরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধ ও সংরক্ষণব্যবস্থা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ।

শনিবার (১০ অক্টোবর) খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ‘কৃষিপণ্য রপ্তানিতে উদ্যোক্তা ও চাষীদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং রপ্তানি সক্ষমতা উন্নয়ন’ শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর আয়োজনে এবং উপজেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ ফ্রুটস অ্যান্ড ভেজিটেবলস অ্যাসোসিয়েশন, চট্টগ্রামের সহযোগিতায় এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

মোহাম্মদ হাসান আরিফ বলেন, পাহাড়ের কৃষিপণ্য রপ্তানিযোগ্য করতে মানসম্মত ফসল উৎপাদন ও উত্তম কৃষিচর্চার কোনো বিকল্প নেই। কৃষিপণ্যের বিপণন সহজ করতে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো সরকারের সঙ্গে কাজ করছে।

পরিবহন ব্যয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পাহাড় থেকে সমতলে পণ্য পরিবহনে সরকার নির্ধারিত টোল বা কর ছাড়া অন্য কোনো অননুমোদিত খরচ গ্রহণযোগ্য নয়। চাঁদাবাজি অব্যাহত থাকলে কৃষকদের উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাবে। এতে তাঁরা বিপণনে পুঁজি হারানোর ঝুঁকিতে পড়বেন। পাহাড়ের সম্ভাবনাময় আম, কলা, কাঁঠাল, আনারস, আদা ও হলুদ নিয়ে আমরা স্বপ্ন দেখছি।

মানিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আফরোজ ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ফ্রুটস অ্যান্ড ভেজিটেবলস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. কামাল উদ্দিন।

প্রশিক্ষণে কৃষিপণ্য রপ্তানির প্রক্রিয়া, আন্তর্জাতিক বাজার বিশ্লেষণ, বিদেশি ক্রেতা অনুসন্ধান এবং রপ্তানিসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথিপত্র সম্পর্কে আলোচনা করেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর পরিচালক কুমকুম সুলতানা।

এ সময় বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রিপন হোসেন, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের চট্টগ্রাম কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. এ এস এম হারুনর রশিদ, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আতিকুর রহমান, কৃষক কামাল ও আবু তাহেরসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

কর্মশালায় কৃষিবিদরা বলেন, উত্তম কৃষিচর্চার ঘাটতি পাহাড়ি ফলমূল রপ্তানির ক্ষেত্রে অন্যতম বাধা। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত কৃষিপণ্য উৎপাদনের পাশাপাশি সংগ্রহ, সংরক্ষণ, পরিবহন ও বিপণনের প্রতিটি পর্যায়ে গুণগত মান বজায় রাখতে হবে।