ঢাকা ১২:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
‘পাহাড়ি কৃষিপণ্য রপ্তানিতে মানসম্মত উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ জরুরি’ শাহজালালে বিমানের জরুরি অবতরণের পর ছুটে গেলেন মন্ত্রী এআই দিয়ে জামায়াত-শিবির সরকারবিরোধী যে অপপ্রচার ছড়াচ্ছে, তা আ. লীগও করেনি দেশের ৫০৩টি উপজেলার উন্নয়নে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে : এলজিআরডি মন্ত্রী আঙুলের কালির দাগ শুকানোর আগেই সরকার ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ৪ সাবেক মুখ্যমন্ত্রীসহ ৭ হাজারের বেশি আটক: মোদি সরকারকে তীব্র নিন্দা জাতিসংঘ, অ্যামনেস্টিসহ বিরোধীদের আগামী বছরের রমজান শুরু হতে পারে ৮ ফেব্রুয়ারি ক্যামেরার ফ্রেমে পরিযায়ী পাখির চোখজুড়ানো দৃশ্য পতনের দ্বারপ্রান্তে মোদির সরকার বিদ্যুৎ বিভাগের ৪১টি উন্নয়ন প্রকল্পে ১০ হাজার ৬৫৩ কোটি টাকার সহায়তা

সারের ডিলারশিপ না পেয়ে যুবদল নেতার পদ থেকে অব্যাহতির ঘোষণা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:১১:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
  • ৪ বার

সারের ডিলারশিপ না পাওয়ার ক্ষোভে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার দড়গ্রাম ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন। আজ শনিবার সকালে ফেসবুক পোস্টে এ ঘোষণা দেন তিনি। তবে দলীয়ভাবে তাঁর অব্যাহতির বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের তথ্য পাওয়া যায়নি।

ফেসবুক পোস্টে সাদ্দাম হোসেন লেখেন, ‘আজ থেকে বিএনপি অঙ্গসংগঠনের সব ধরনের পদ থেকে অব্যাহতি নিলাম। গুডবাই।’

সাদ্দাম হোসেনের দাবি, তাঁর বাবা দড়গ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং প্রায় ৪০ বছর ধরে সারের ব্যবসা করছেন। দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার পাশাপাশি অতীতে তাঁর বিরুদ্ধে নয়টি মামলা ছিল। বাবা-ছেলে একসঙ্গে কারাবরণও করেছেন বলে দাবি করেন তিনি। নতুন করে সারের ডিলার নিয়োগে আবেদন করেও তাঁরা বঞ্চিত হয়েছেন বলে অভিযোগ তাঁর।

সাদ্দাম হোসেন বলেন, ২০০৯ সালে সারের ডিলার নিয়োগের সময় রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে তাঁর বাবা ডিলারশিপ পাননি। এরপর থেকে অন্য ডিলারের কাছ থেকে ভাড়া নিয়ে তাঁরা সারের ব্যবসা করে আসছেন। এবার নতুন ডিলার নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর আবেদন করেও তাঁরা ডিলারশিপ পাননি।

গত ৬ অক্টোবর মানিকগঞ্জের সাত উপজেলায় নতুন ডিলারদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। তালিকায় সাটুরিয়ার দড়গ্রাম ইউনিয়নের ডিলার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. রুহুল আমীন।

ক্ষোভ প্রকাশ করে সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘দলের দুঃসময়ে জেল-জুলুমের শিকার হয়েছি। এখন বিএনপি ক্ষমতায়, নতুন করে সারের ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অথচ আমরা ডিলারশিপ পেলাম না। দলের কাছে কখনো টাকা-পয়সা চাইনি। প্রয়োজনের সময় যদি কিছুই না পাই, তাহলে রাজনীতি করে লাভ কী? আমাদের তো ব্যবসা করে চলতে হবে।’

তবে সাদ্দাম হোসেন জানিয়েছেন, তিনি দল থেকে স্থায়ীভাবে সরে যাওয়ার ঘোষণা দেননি। আপাতত দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন।

জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কাজী মোস্তাক হোসেন দীপু বলেন, একটি ইউনিয়ন থেকে একাধিক ব্যক্তি ডিলারশিপের জন্য আবেদন করেছেন। উপজেলা কমিটি যাচাই-বাছাই করে আবেদনগুলো মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকেই ডিলার নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ নিয়ে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। পর্যায়ক্রমে সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

‘পাহাড়ি কৃষিপণ্য রপ্তানিতে মানসম্মত উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ জরুরি’

সারের ডিলারশিপ না পেয়ে যুবদল নেতার পদ থেকে অব্যাহতির ঘোষণা

আপডেট টাইম : ১১:১১:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

সারের ডিলারশিপ না পাওয়ার ক্ষোভে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার দড়গ্রাম ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন। আজ শনিবার সকালে ফেসবুক পোস্টে এ ঘোষণা দেন তিনি। তবে দলীয়ভাবে তাঁর অব্যাহতির বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের তথ্য পাওয়া যায়নি।

ফেসবুক পোস্টে সাদ্দাম হোসেন লেখেন, ‘আজ থেকে বিএনপি অঙ্গসংগঠনের সব ধরনের পদ থেকে অব্যাহতি নিলাম। গুডবাই।’

সাদ্দাম হোসেনের দাবি, তাঁর বাবা দড়গ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং প্রায় ৪০ বছর ধরে সারের ব্যবসা করছেন। দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার পাশাপাশি অতীতে তাঁর বিরুদ্ধে নয়টি মামলা ছিল। বাবা-ছেলে একসঙ্গে কারাবরণও করেছেন বলে দাবি করেন তিনি। নতুন করে সারের ডিলার নিয়োগে আবেদন করেও তাঁরা বঞ্চিত হয়েছেন বলে অভিযোগ তাঁর।

সাদ্দাম হোসেন বলেন, ২০০৯ সালে সারের ডিলার নিয়োগের সময় রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে তাঁর বাবা ডিলারশিপ পাননি। এরপর থেকে অন্য ডিলারের কাছ থেকে ভাড়া নিয়ে তাঁরা সারের ব্যবসা করে আসছেন। এবার নতুন ডিলার নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর আবেদন করেও তাঁরা ডিলারশিপ পাননি।

গত ৬ অক্টোবর মানিকগঞ্জের সাত উপজেলায় নতুন ডিলারদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। তালিকায় সাটুরিয়ার দড়গ্রাম ইউনিয়নের ডিলার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. রুহুল আমীন।

ক্ষোভ প্রকাশ করে সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘দলের দুঃসময়ে জেল-জুলুমের শিকার হয়েছি। এখন বিএনপি ক্ষমতায়, নতুন করে সারের ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অথচ আমরা ডিলারশিপ পেলাম না। দলের কাছে কখনো টাকা-পয়সা চাইনি। প্রয়োজনের সময় যদি কিছুই না পাই, তাহলে রাজনীতি করে লাভ কী? আমাদের তো ব্যবসা করে চলতে হবে।’

তবে সাদ্দাম হোসেন জানিয়েছেন, তিনি দল থেকে স্থায়ীভাবে সরে যাওয়ার ঘোষণা দেননি। আপাতত দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন।

জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কাজী মোস্তাক হোসেন দীপু বলেন, একটি ইউনিয়ন থেকে একাধিক ব্যক্তি ডিলারশিপের জন্য আবেদন করেছেন। উপজেলা কমিটি যাচাই-বাছাই করে আবেদনগুলো মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকেই ডিলার নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ নিয়ে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। পর্যায়ক্রমে সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।