ঢাকা ০২:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
হামলা-দখল-চাঁদাবাজি থামবে কিভাবে: রাজনীতিতে ভিন্নতা থাকলেও অপরাধ মিলেমিশে আইটি ক্যারিয়ারের প্রস্তুতি, শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘লগইন ইনটু ইন্ডাস্ট্রি নেক্সট’ টানা পাঁচদিনের ছুটি পাচ্ছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অটোরিকশায় রক্তাক্ত মহাসড়ক গণমাধ্যমের স্বাধীনতার সঙ্গে জনগণের অধিকার সুরক্ষার তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর কবর দেওয়ার কত দিন পর একই কবরে দাফন করা যাবে আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক পুনর্মিলনের সুযোগ নেই: ডেপুটি স্পিকার ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি ঘোষণা সবার জন্য নিরাপদ বাসস্থান নিশ্চিতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: প্রধানমন্ত্রী নতুন দায়িত্ব পেলেন সারজিস-আসিফ-মিতু

শাহজালালে জমজমের পানি নিয়ে তুলকালাম, নেপথ্যে কী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৩৮:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৩ বার

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ওমরাহ যাত্রীদের জমজমের পানি সরবরাহ নিয়ে সৃষ্ট তুলকালামের নেপথ্যে উঠে এসেছে বিমানের মদিনা স্টেশনের গাফিলতি ও ব্যবস্থাপনায় সমন্বয়হীনতার অভিযোগ।

মদিনা থেকে আসা বিমানের বিজি-৩৩৮ ফ্লাইটের ১৮টি কনটেইনারের মধ্যে ১৭টি সময়মতো ঢাকায় পৌঁছালেও জমজমের পানি থাকা ১৮ নম্বর কনটেইনারটি মদিনাতেই পড়ে থাকে। এমনকি কনটেইনারটির প্রয়োজনীয় তথ্যও ঢাকার ব্যাগেজ কন্ট্রোলকে যথাযথভাবে জানানো হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

এর ফলে ঢাকায় পৌঁছে জমজমের পানি পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয় ওমরাহ যাত্রীদের। একপর্যায়ে বিমানবন্দরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে বিমানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন কয়েকজন যাত্রী ও তাদের সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা।

পরে এ ঘটনায় মেজর (অব.) আক্তারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং তিনি গ্রেফতার হন।

যেভাবে শুরু

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, মদিনা থেকে ঢাকায় আসা বিজি-৩৩৮ ফ্লাইটে ১৮টি কনটেইনার ছিল। এর মধ্যে ১৭টি যথাসময়ে অফলোড করা হলেও জমজমের পানি থাকা ১৮ নম্বর কনটেইনারটি পড়ে থাকে। ঢাকায় থাকা সংশ্লিষ্ট ব্যাগেজ কন্ট্রোল কর্তৃপক্ষকেও কনটেইনারটির বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য জানানো হয়নি।

ফলে বিমানবন্দরে যাত্রীরা তাদের লাগেজ পেলেও জমজমের পানি পেতে বিলম্ব হয়। যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হলে পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে বিমান কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিষয়টি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

এ ঘটনায় বিমানের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ আনা হয়েছে।

প্রশ্ন উঠছে মদিনা স্টেশন নিয়ে

জমজমের পানি নিয়ে সৃষ্ট ঘটনার পর বিমানের মদিনা স্টেশনের ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

যুগান্তরের তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, ওই স্টেশনের দায়িত্বে থাকা মিজানুর রহমানের গ্রাউন্ড সার্ভিসে পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা নেই বলে বিমানের একটি সূত্র দাবি করেছে। এর আগে এ ধরনের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতাও তার ছিল না বলে সূত্রটির দাবি।

বিমান সংশ্লিষ্টদের মতে, আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ একটি স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামান্য সমন্বয়হীনতাও বড় ধরনের ভোগান্তি তৈরি করতে পারে। মদিনার ঘটনা তারই উদাহরণ।

এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহিদুল আলম বলেছেন, বিদেশি স্টেশনগুলোয় দক্ষতা ও জবাবদিহির ঘাটতি থাকলে এর প্রভাব যাত্রীসেবা ও ফ্লাইট পরিচালনায় পড়ে। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সংশ্লিষ্ট আইন, নিরাপত্তাবিধি ও অপারেশন সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান থাকা জরুরি।

জমজমের পানি থেকে মামলা

জমজমের পানি সরবরাহে বিলম্বকে কেন্দ্র করে একপর্যায়ে বিমানবন্দরে উত্তেজনা তৈরি হয়। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা শুরু হয়।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে গেলে মেজর (অব.) আক্তারুজ্জামান তার সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে জড়ান। তার বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা, নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করা, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালককে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

পরে শুক্রবার তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আদালত তাকে এক দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন। রিমান্ড শেষে রোববার তাকে আদালতে হাজির করা হলে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানো হয়।

মূল গাফিলতি কোথায়?

ঘটনার শুরু জমজমের পানি সরবরাহে বিলম্ব থেকে। আর সেই বিলম্বের পেছনে মদিনা স্টেশনে কনটেইনার ব্যবস্থাপনা ও তথ্য আদান-প্রদানে গাফিলতির অভিযোগ সামনে এসেছে। অর্থাৎ, একটি কনটেইনার সময়মতো অফলোড না হওয়া এবং সেটির তথ্য ঢাকায় যথাযথভাবে না পৌঁছানোর কারণেই প্রথমে যাত্রীদের ভোগান্তি তৈরি হয়।

এরপর সেই ক্ষোভ থেকেই বিমানবন্দরে উত্তেজনা এবং শেষ পর্যন্ত মামলা ও গ্রেফতারের ঘটনা ঘটে। ফলে জমজমের পানি নিয়ে শাহজালালে যে তুলকালাম হয়েছে, তার নেপথ্যে শুধু যাত্রীদের উত্তেজনা নয়, বিমানের বিদেশি স্টেশন ব্যবস্থাপনার দুর্বলতাও বড় প্রশ্ন হয়ে সামনে এসেছে।

বিমান কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে বিদেশি স্টেশনগুলোর ব্যবস্থাপনায় কড়াকড়ি আরোপ করেছে। নতুন পদায়নে সংশ্লিষ্ট পদের দায়িত্ব, যোগ্যতা, টেকনিক্যাল জ্ঞান ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

তবে সংশ্লিষ্টদের প্রশ্ন, এসব পরিবর্তন শুধু প্রশাসনিক আদেশেই সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি বিদেশি স্টেশনগুলোয় যোগ্য ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের পদায়ন নিশ্চিত করে বাস্তব পরিবর্তন আনা হবে? শাহজালালে জমজমের পানি নিয়ে ঘটে যাওয়া ঘটনা সেই প্রশ্নই নতুন করে সামনে এনেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

হামলা-দখল-চাঁদাবাজি থামবে কিভাবে: রাজনীতিতে ভিন্নতা থাকলেও অপরাধ মিলেমিশে

শাহজালালে জমজমের পানি নিয়ে তুলকালাম, নেপথ্যে কী

আপডেট টাইম : ১২:৩৮:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ওমরাহ যাত্রীদের জমজমের পানি সরবরাহ নিয়ে সৃষ্ট তুলকালামের নেপথ্যে উঠে এসেছে বিমানের মদিনা স্টেশনের গাফিলতি ও ব্যবস্থাপনায় সমন্বয়হীনতার অভিযোগ।

মদিনা থেকে আসা বিমানের বিজি-৩৩৮ ফ্লাইটের ১৮টি কনটেইনারের মধ্যে ১৭টি সময়মতো ঢাকায় পৌঁছালেও জমজমের পানি থাকা ১৮ নম্বর কনটেইনারটি মদিনাতেই পড়ে থাকে। এমনকি কনটেইনারটির প্রয়োজনীয় তথ্যও ঢাকার ব্যাগেজ কন্ট্রোলকে যথাযথভাবে জানানো হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

এর ফলে ঢাকায় পৌঁছে জমজমের পানি পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয় ওমরাহ যাত্রীদের। একপর্যায়ে বিমানবন্দরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে বিমানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন কয়েকজন যাত্রী ও তাদের সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা।

পরে এ ঘটনায় মেজর (অব.) আক্তারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং তিনি গ্রেফতার হন।

যেভাবে শুরু

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, মদিনা থেকে ঢাকায় আসা বিজি-৩৩৮ ফ্লাইটে ১৮টি কনটেইনার ছিল। এর মধ্যে ১৭টি যথাসময়ে অফলোড করা হলেও জমজমের পানি থাকা ১৮ নম্বর কনটেইনারটি পড়ে থাকে। ঢাকায় থাকা সংশ্লিষ্ট ব্যাগেজ কন্ট্রোল কর্তৃপক্ষকেও কনটেইনারটির বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য জানানো হয়নি।

ফলে বিমানবন্দরে যাত্রীরা তাদের লাগেজ পেলেও জমজমের পানি পেতে বিলম্ব হয়। যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হলে পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে বিমান কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিষয়টি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

এ ঘটনায় বিমানের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ আনা হয়েছে।

প্রশ্ন উঠছে মদিনা স্টেশন নিয়ে

জমজমের পানি নিয়ে সৃষ্ট ঘটনার পর বিমানের মদিনা স্টেশনের ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

যুগান্তরের তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, ওই স্টেশনের দায়িত্বে থাকা মিজানুর রহমানের গ্রাউন্ড সার্ভিসে পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা নেই বলে বিমানের একটি সূত্র দাবি করেছে। এর আগে এ ধরনের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতাও তার ছিল না বলে সূত্রটির দাবি।

বিমান সংশ্লিষ্টদের মতে, আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ একটি স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামান্য সমন্বয়হীনতাও বড় ধরনের ভোগান্তি তৈরি করতে পারে। মদিনার ঘটনা তারই উদাহরণ।

এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহিদুল আলম বলেছেন, বিদেশি স্টেশনগুলোয় দক্ষতা ও জবাবদিহির ঘাটতি থাকলে এর প্রভাব যাত্রীসেবা ও ফ্লাইট পরিচালনায় পড়ে। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সংশ্লিষ্ট আইন, নিরাপত্তাবিধি ও অপারেশন সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান থাকা জরুরি।

জমজমের পানি থেকে মামলা

জমজমের পানি সরবরাহে বিলম্বকে কেন্দ্র করে একপর্যায়ে বিমানবন্দরে উত্তেজনা তৈরি হয়। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা শুরু হয়।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে গেলে মেজর (অব.) আক্তারুজ্জামান তার সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে জড়ান। তার বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা, নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করা, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালককে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

পরে শুক্রবার তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আদালত তাকে এক দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন। রিমান্ড শেষে রোববার তাকে আদালতে হাজির করা হলে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানো হয়।

মূল গাফিলতি কোথায়?

ঘটনার শুরু জমজমের পানি সরবরাহে বিলম্ব থেকে। আর সেই বিলম্বের পেছনে মদিনা স্টেশনে কনটেইনার ব্যবস্থাপনা ও তথ্য আদান-প্রদানে গাফিলতির অভিযোগ সামনে এসেছে। অর্থাৎ, একটি কনটেইনার সময়মতো অফলোড না হওয়া এবং সেটির তথ্য ঢাকায় যথাযথভাবে না পৌঁছানোর কারণেই প্রথমে যাত্রীদের ভোগান্তি তৈরি হয়।

এরপর সেই ক্ষোভ থেকেই বিমানবন্দরে উত্তেজনা এবং শেষ পর্যন্ত মামলা ও গ্রেফতারের ঘটনা ঘটে। ফলে জমজমের পানি নিয়ে শাহজালালে যে তুলকালাম হয়েছে, তার নেপথ্যে শুধু যাত্রীদের উত্তেজনা নয়, বিমানের বিদেশি স্টেশন ব্যবস্থাপনার দুর্বলতাও বড় প্রশ্ন হয়ে সামনে এসেছে।

বিমান কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে বিদেশি স্টেশনগুলোর ব্যবস্থাপনায় কড়াকড়ি আরোপ করেছে। নতুন পদায়নে সংশ্লিষ্ট পদের দায়িত্ব, যোগ্যতা, টেকনিক্যাল জ্ঞান ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

তবে সংশ্লিষ্টদের প্রশ্ন, এসব পরিবর্তন শুধু প্রশাসনিক আদেশেই সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি বিদেশি স্টেশনগুলোয় যোগ্য ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের পদায়ন নিশ্চিত করে বাস্তব পরিবর্তন আনা হবে? শাহজালালে জমজমের পানি নিয়ে ঘটে যাওয়া ঘটনা সেই প্রশ্নই নতুন করে সামনে এনেছে।