ঢাকা ১২:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বিলের পানিতে ডুবে ভাই-বোন নিহত এমন রাজনৈতিক চর্চা করা যাবে না, যাতে ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তনের পথ সহজ হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তরুণরা নেতৃত্ব দিলে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন টেকসই হবে: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করতে ইউএনওদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর আলেমদের সমাজ পরিবর্তনের প্রধান রূপকার হওয়ার আহ্বান জামায়াত আমিরের চট্টগ্রাম সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, প্রস্তুত ৭ ভেন্যু সরাসরি বিশ্বকাপে আফগানিস্তান, বাংলাদেশের ভাগ্য সেই ভারতের হাতেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেবে জামায়াত চিকিৎসক সমাজের পেশাগত উৎকর্ষতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ড্যাব : জুবাইদা রহমান জেআইসিতে এক-এগারোর সময় তারেক রহমানকে নির্যাতনের তথ্য পাওয়া গেছে: চিফ প্রসিকিউটর

জেআইসিতে এক-এগারোর সময় তারেক রহমানকে নির্যাতনের তথ্য পাওয়া গেছে: চিফ প্রসিকিউটর

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৪৬:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩ বার

‘এক-এগারোর সময় আজকের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর নির্যাতনের তথ্য বিভিন্ন সাক্ষীর বর্ণনায় পাওয়া গেছে এবং পর্যায়ক্রমে এগুলো বিচারে রিফ্লেকশন হবে’ বলে উল্লেখ করেছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। আজ শনিবার ঢাকা সেনানিবাসে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই) কমপ্লেক্সে থাকা জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল (জেআইসি) পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘বিচারের অংশ হিসেবে আজ আমরা ডিজিএফআইর কমপ্লেক্সের ভেতরে জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল (জেআইসি) পরিদর্শন করেছি। এই জেআইসি নামক প্রতিষ্ঠানটি ছিল মানুষকে ধরে এনে বন্দী করে রেখে তাদের ওপর অত্যাচার এবং নির্যাতনের একটা সেল। যেটা পরবর্তী সময়ে আয়নাঘর হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। সেখানে অমানবিকভাবে বন্দীদের ধরে এনে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, বছরের পর বছর রাখা হয়েছে। সেই নির্মম চিত্র আজকে এই পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে কিছুটা অনুভব করা গেছে।’

চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আজ যে জেআইসি আমরা পরিদর্শন করেছি, এক-এগারোর সময় আজকের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তারই কোনো একটি কামরায় আনা হয়েছে। তাঁর ওপর নির্যাতন করা হয়েছিল। এটাও কিন্তু আমাদের ইনভেস্টিগেশনে বিভিন্ন সাক্ষীদের মুখের বর্ণনা থেকে পাওয়া গেছে। পর্যায়ক্রমে এগুলো বিচারে রিফ্লেকশন হবে।’

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, ‘আমরা বর্তমান সরকারের কাছে অনুরোধ জানাব, বাংলাদেশে যাতে আর কোনো টিএফআই সেল অথবা জেআইসি বা তথাকথিত আয়নাঘর ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠিত না হয়। দেশের কোনো নাগরিক যদি কোনো অপরাধ করে থাকে, তাঁকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনতে হবে এবং বিচারের সম্মুখীন করতে হবে। কিন্তু এক্সট্রা জুডিশিয়াল কোনো কিলিংয়ের শিকার যাতে কোনো নাগরিক না হয়। কেউ যাতে কোনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্বারা অহেতুক হয়রানির শিকার না হয়। কেউ যেন বন্দিশালায় দিনের পর দিন মাসের পর মাস হয়রানির শিকার না হয়।’

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একটি অমানবিক রাষ্ট্র কায়েম করা হয়েছিল উল্লেখ করে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু সংখ্যক অতি উৎসাহী সদস্য সরকারের অসৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য এই আয়নাঘর নামীয় টর্চার সেলগুলো বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠ করেছিল।’

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে ট্রাইব্যুনালের সদস্য বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী, চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামসহ প্রসিকিউশন টিম, আসামিপক্ষের আইনজীবী, ডিজিএফআইয়ের প্রধান ও নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব) সভাপতি দৈনিক মানবজমিন-এর প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, ল’রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি মো. ইয়াসিন, সাধারণ সম্পাদক আরাফাত মুন্না, সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ডালিম, কার্যনির্বাহী সদস্য মাজহারুল হক মান্না আজকের পরিদর্শনে অংশ নেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বিলের পানিতে ডুবে ভাই-বোন নিহত

জেআইসিতে এক-এগারোর সময় তারেক রহমানকে নির্যাতনের তথ্য পাওয়া গেছে: চিফ প্রসিকিউটর

আপডেট টাইম : ১১:৪৬:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

‘এক-এগারোর সময় আজকের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর নির্যাতনের তথ্য বিভিন্ন সাক্ষীর বর্ণনায় পাওয়া গেছে এবং পর্যায়ক্রমে এগুলো বিচারে রিফ্লেকশন হবে’ বলে উল্লেখ করেছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। আজ শনিবার ঢাকা সেনানিবাসে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই) কমপ্লেক্সে থাকা জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল (জেআইসি) পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘বিচারের অংশ হিসেবে আজ আমরা ডিজিএফআইর কমপ্লেক্সের ভেতরে জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল (জেআইসি) পরিদর্শন করেছি। এই জেআইসি নামক প্রতিষ্ঠানটি ছিল মানুষকে ধরে এনে বন্দী করে রেখে তাদের ওপর অত্যাচার এবং নির্যাতনের একটা সেল। যেটা পরবর্তী সময়ে আয়নাঘর হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। সেখানে অমানবিকভাবে বন্দীদের ধরে এনে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, বছরের পর বছর রাখা হয়েছে। সেই নির্মম চিত্র আজকে এই পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে কিছুটা অনুভব করা গেছে।’

চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আজ যে জেআইসি আমরা পরিদর্শন করেছি, এক-এগারোর সময় আজকের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তারই কোনো একটি কামরায় আনা হয়েছে। তাঁর ওপর নির্যাতন করা হয়েছিল। এটাও কিন্তু আমাদের ইনভেস্টিগেশনে বিভিন্ন সাক্ষীদের মুখের বর্ণনা থেকে পাওয়া গেছে। পর্যায়ক্রমে এগুলো বিচারে রিফ্লেকশন হবে।’

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, ‘আমরা বর্তমান সরকারের কাছে অনুরোধ জানাব, বাংলাদেশে যাতে আর কোনো টিএফআই সেল অথবা জেআইসি বা তথাকথিত আয়নাঘর ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠিত না হয়। দেশের কোনো নাগরিক যদি কোনো অপরাধ করে থাকে, তাঁকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনতে হবে এবং বিচারের সম্মুখীন করতে হবে। কিন্তু এক্সট্রা জুডিশিয়াল কোনো কিলিংয়ের শিকার যাতে কোনো নাগরিক না হয়। কেউ যাতে কোনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্বারা অহেতুক হয়রানির শিকার না হয়। কেউ যেন বন্দিশালায় দিনের পর দিন মাসের পর মাস হয়রানির শিকার না হয়।’

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একটি অমানবিক রাষ্ট্র কায়েম করা হয়েছিল উল্লেখ করে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু সংখ্যক অতি উৎসাহী সদস্য সরকারের অসৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য এই আয়নাঘর নামীয় টর্চার সেলগুলো বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠ করেছিল।’

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে ট্রাইব্যুনালের সদস্য বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী, চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামসহ প্রসিকিউশন টিম, আসামিপক্ষের আইনজীবী, ডিজিএফআইয়ের প্রধান ও নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব) সভাপতি দৈনিক মানবজমিন-এর প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, ল’রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি মো. ইয়াসিন, সাধারণ সম্পাদক আরাফাত মুন্না, সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ডালিম, কার্যনির্বাহী সদস্য মাজহারুল হক মান্না আজকের পরিদর্শনে অংশ নেন।