সামনে বেশ কয়েকটি নাটকের কাজ রয়েছে।
জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর সময়টা কেমন উপভোগ করছেন?
এটা অন্য রকম মজার। এখন বাইরে গেলে অনেকেই ছবি তুলতে চান। মানুষের এই ভালোবাসার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। আজ আমি যেখানে দাঁড়িয়ে আছি, সেটা দর্শকদের ভালোবাসার কারণেই। তারা ভালোবাসে বলেই এতদূর আসতে পেরেছি।
ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি নাটকে অভিনয় করেছেন। অভিনয় কতটা উপভোগ করছেন?
এটা আসলেই অসাধারণ। অভিনয়ের জন্য আসলে প্যাশন লাগে নাহলে সেটা করে শান্তি পাওয়া যায় না। আমার কাছে অভিনয় হচ্ছে এরকম একটা বিষয় যেটা আমাকে মানসিক শান্তি দেয়। ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করা, নিজস্ব সত্তা থেকে বেরিয়ে চরিত্রে ডুবে যাওয়া- এগুলো আমার কাছে খুব ভালো লাগে। ভিন্ন ভিন্ন গল্পের ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রের ওই জীবনটা আমি অনেক এনজয় করি।

প্রথম নাটকেই মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারের মনোনয়ন পেয়েছেন…
হ্যাঁ, নাটকের নাম ‘মনের মাঝে তুমি’। প্রথমে আমি নিজেও বিষয়টি জানতাম না। একজন আমাকে লিংক পাঠানোর পর দেখেছি। প্রথম নাটকেই এমন স্বীকৃতি পাব, ভাবিনি। এটি আমার জন্য খুবই আনন্দের ও উৎসাহের।
শোনা যাচ্ছে, আসন্ন কিছু নাটকে জনপ্রিয় তারকাদের সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করা হবে…
সত্যি বলতে, কখনো ভাবিনি আমি এই গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ডে কাজ করব। ছোটবেলায় টেলিভিশনে যাদের দেখতাম, আর ভাবতাম তারা সেলিব্রিটি। এখন তাদের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছি। এটা আসলেই অন্যরকম একটা অনুভূতি।

পছন্দের শিল্পী কারা, যাদের সঙ্গে পর্দা শেয়ার করতে চান?
আফরান নিশোর অনেক কাজ দেখা হয়েছে, তিনি আমার বেশ প্রিয় অভিনেতা। অপূর্বর কাজও দেখা হয়েছে। আরও অনেকের কাজ দেখা হয়েছে। এছাড়া আমি এখন যাদের সঙ্গে কাজ করছি তারাও অনেক ভালো।
নিজেকে নাটকেই থিতু করবেন নাকি সিনেমা নিয়েও পরিকল্পনা আছে?
দিনশেষে সবারই পরিকল্পনা থাকে সিনেমা নিয়ে। বড় পর্দায় যাওয়ার ইচ্ছে আছে, তবে এখনই না। আমার নিজের অভিজ্ঞতার ঝুলিও ভারী করতে হবে, আরো অনেক কিছু শেখার আছে। কেবল মাত্র ইন্ডাস্ট্রিতে এলাম। আমি এখনো অনেক ছোট। যখন আমার মনে হবে যে এখন আমি পারব তখন চেষ্টা করব।

পড়াশোনা ও অভিনয়—দুটো কিভাবে সামলাচ্ছেন?
আমি এখন একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি করছি। এখন পড়াশোনা এবং অভিনয় দুটো একসঙ্গে কন্টিনিউ করা বেশ কঠিন। আগে আমার জীবনে শুধু পড়াশোনা ছিল, পাশাপাশি ভার্সিটির বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে পারফরম করা, এগুলোই ছিল। তখনই বেশ চাপে থাকতে হতো। যারা ইঞ্জিনিয়ারিং কিংবা মেডিক্যালে পড়েন তার হয়তো বুঝতে পারবেন। আর এখন তো পাশাপাশি শোবিজের কাজ করতে হচ্ছে। সব মিলিয়ে কষ্ট হয়ে যায় তারপরেও চেষ্টা করছি।
ভবিষ্যতের লক্ষ্য কী, নিজেকে কোথায় দেখতে চান?
আমার লক্ষ্য একটাই—বাংলাদেশের অন্যতম সেরা অভিনেত্রী হওয়া। এমন কিছু ভালো কাজ করে যেতে চাই, যেন অনেক বছর পরও মানুষ আমাকে মনে রাখে। আজও হুমায়ূন আহমেদের কাজ নিয়ে যেমন মানুষ কথা বলে, ঠিক তেমনি আমার কাজ নিয়েও যেন ভবিষ্যতে কথা হয় এবং আমাকে মনে রাখে।
Reporter Name 

























