ঢাকা ০৮:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
খলিলুরের সভাপতিত্বে বাংলাদেশকে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এখনও ফাঁকা ৩৪ হাজার কোটা, হজ নিবন্ধনের আগামী বৃহস্পতিবার শেষ হচ্ছে গাজী নজরুলের এমপি পদ থাকবে কিনা, যা বললেন স্পিকার বাংলাদেশি সাংবাদিকদের জন্য প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে ভারত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রিন্সেস ডায়ানার ভাইয়ের নতুন বই ঘিরে রাজপরিবারে তোলপাড় নদীর বুকে পিলার আছে শুধু, সেতুর নেই দেখা জাতিসংঘে তারেক রহমানের সঙ্গে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় পাটওয়ারীকে গ্রেপ্তারের দাবি যুবদল সভাপতির নারীর ক্ষমতায়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: ইউজিসি সদস্য ড. মামুন

২৯ বছরের পুরোনো রেকর্ড ভেঙে দেওয়ার অপেক্ষায় ইয়ামাল

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:৩৪:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
  • ৪১ বার

লামিন ইয়ামাল এখন বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে আলোচিত মুখগুলোর একজন। স্পেনকে বিশ্বকাপ জেতানোর মধ্য দিয়ে তার ইতিহাস গড়া এক মৌসুম শেষ হয়েছে। এই কিশোর এখন জায়গা করে নিয়েছেন ফুটবলের সেরাদের কাতারে। ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অরের প্রধান দাবিদার হিসেবেও তার নাম শোনা যাচ্ছে। খুব অল্প বয়সেই শুরু হওয়া তার এই যাত্রা এখনও অনেক কিছু দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।

সদ্য উনিশে পা দেওয়া ইয়ামাল তার ট্রফিতে ঠাসা সংগ্রহে যোগ করেছেন বিশ্বকাপও। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘মুন্দো দেপোর্তিভো’ জানিয়েছে, এই বিশ্বকাপের মাধ্যমে তিনি ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় স্বপ্নের কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন। সেই স্বপ্ন হলো ফুটবলের সবচেয়ে বড় ব্যক্তিগত পুরস্কার জেতা।

বিশ্বকাপ শিরোপাসহ পুরো মৌসুম দুর্দান্তভাবে শেষ করা প্রমাণ করে দিচ্ছে, ১৯ বছর বয়সী এই তারকা কোন পর্যায়ে পৌঁছেছেন। তিনি এখন বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে আলোচিত তারকাদের একজন।

তার এই অল্প বয়সে এমন সাফল্য ফুটবল ইতিহাসে এক ব্যতিক্রমী ঘটনা। ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি পেলে এবং ইতালির জিউসেপ্পে বেরগোমি ছাড়া এত কম বয়সে আর কেউ বিশ্বকাপ জেতেননি। এই দুজনও নিজেদের দেশকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করায় বড় ভূমিকা রেখেছিলেন।

ইয়ামালের অর্জন শুধু বিশ্বকাপেই সীমাবদ্ধ নয়। এর আগে ২০২৪ সালে স্পেনের হয়ে তিনি ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপও জিতেছেন। সেই টুর্নামেন্টে সেরা তরুণ খেলোয়াড়ের পুরস্কারও পেয়েছিলেন তিনি।

অল্প বয়স হলেও ইয়ামাল ইতিমধ্যে স্পেনের হয়ে ৩৩টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন। এছাড়া নিজ ক্লাব বার্সেলোনার হয়ে তিনি তিনটি লা লিগা শিরোপা জিতেছেন। এছাড়া দুটি স্প্যানিশ সুপার কাপ এবং কোপা দেল রেও জিতেছেন তিনি। কাতালান ক্লাবটির হয়ে আগামী বছরগুলোতে চ্যাম্পিয়নস লিগই তার সবচেয়ে বড় লক্ষ্য।

ব্যক্তিগতভাবে তিনি বিশ্বের সেরা তরুণ খেলোয়াড়ের জন্য কোপা ট্রফি এবং গোল্ডেন বয় পুরস্কার জিতেছেন। এতে ইউরোপীয় ফুটবলের সেরা তরুণ প্রতিভা হিসেবে তার অবস্থান আরও স্পষ্ট হয়েছে।

ইয়ামাল এবার এক অসাধারণ মৌসুম কাটিয়েছেন। ১৬ গোল করে তিনি লা লিগার সেরা খেলোয়াড়ের স্বীকৃতি পেয়েছেন। ফেররান তরেসের সঙ্গে যৌথভাবে স্প্যানিশ সর্বোচ্চ গোলদাতার জাররা পুরস্কারও জিতেছেন তিনি। এর পাশাপাশি তিনি করেছেন ১১টি অ্যাসিস্ট।

বার্সেলোনার হয়ে ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত তিনি খেলেছেন ১৫১ ম্যাচ। এতে তার গোল সংখ্যা ৪৯ এবং অ্যাসিস্ট ৪৪। এই পরিসংখ্যানই বলে দেয়, এত কম বয়সে তার প্রভাব কতটা বড়।

বিশ্বকাপে আসার আগে ইয়ামালের বাঁ হাঁটুর টেন্ডনে চোট ছিল। এই চোট তার ফিটনেসে প্রভাব ফেলেছিল এবং ম্যাচ সংখ্যাও কমিয়ে দিয়েছিল। তবু তিনি ছিলেন স্পেনের অন্যতম প্রধান আক্রমণাত্মক অস্ত্র।

টুর্নামেন্ট যত এগিয়েছে, তার ফর্মও তত ভালো হয়েছে। সৌদি আরবের বিপক্ষে তিনি গোল করেন। সেমিফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে যে পেনাল্টি থেকে স্পেন প্রথম গোল করে, সেটাও তিনিই আদায় করেন।

পরিসংখ্যানও একই কথা বলছে। পুরো টুর্নামেন্টে ইয়ামালের চেয়ে বেশি ড্রিবল করেছেন শুধু আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি। মেসি করেছেন ২৮টি, আর ইয়ামাল করেছেন ২৭টি।

অন্যদিকে কিলিয়ান এমবাপে, মাইকেল অলিসে এবং ভিনিসিয়ুস জুনিয়র সবাই এই তালিকায় অনেক পিছিয়ে ছিলেন। তারা প্রত্যেকে করেছেন মাত্র ১৬টি করে ড্রিবল। এই ব্যবধানই বুঝিয়ে দেয়, টুর্নামেন্টে বার্সেলোনার এই উইঙ্গারের প্রভাব কতটা ছিল।

ইয়ামাল এখন ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর জেতার অন্যতম প্রধান দাবিদার। ইতিহাসের সবচেয়ে কম বয়সী ব্যালন ডি’অরজয়ী হওয়ারও বাস্তব সুযোগ আছে তার সামনে।

এই রেকর্ড এখনও ব্রাজিলের রোনালদো নাজারিওর দখলে। তিনি ১৯৯৭ সালে ২১ বছর ৯২ দিন বয়সে এই পুরস্কার জিতেছিলেন।

গত বছর উসমান দেম্বেলের পেছনে থেকে ব্যালন ডি’অরে দ্বিতীয় হয়েছিলেন ইয়ামাল। এবার বিশ্বকাপ ও লা লিগা শিরোপার পাশাপাশি নিজের অসাধারণ পরিসংখ্যান নিয়ে তিনি এবারের আসরে অনেক এগিয়ে থাকবেন।

বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পরও ইয়ামালের জন্য সুখবর আসতে থাকে। তার বাজারমূল্য পৌঁছেছে ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে।

বিশেষায়িত ওয়েবসাইট ট্রান্সফারমার্কট তাদের খেলোয়াড় মূল্যায়ন হালনাগাদ করেছে। এতে বার্সেলোনার এই নাম্বার টেন এখন বিশ্বের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড়। তার বর্তমান বাজারমূল্য ২২০ মিলিয়ন ইউরো। এই একই মূল্যে আছেন নরওয়ের আর্লিং হালান্ডও। বিশ্বকাপে তিনিও দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন।

লম্বা এবং সাফল্যে ভরা এক মৌসুম শেষে এখন গ্রীষ্মের ছুটি কাটাচ্ছেন ইয়ামাল। বার্সেলোনায় ফিরবেন আরও বড় লক্ষ্য নিয়ে। নতুন করে ইতিহাস লেখার প্রস্তুতি নিয়েই তিনি ফিরবেন।

এখন পর্যন্ত তার অর্জন কেবল শুরু। স্প্যানিশ এই তারকা তার এই অবিশ্বাস্য ফর্ম ধরে রাখতে পারলে, তার ক্যারিয়ার ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা ক্যারিয়ার হয়ে উঠতে পারে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

খলিলুরের সভাপতিত্বে বাংলাদেশকে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

২৯ বছরের পুরোনো রেকর্ড ভেঙে দেওয়ার অপেক্ষায় ইয়ামাল

আপডেট টাইম : ০১:৩৪:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

লামিন ইয়ামাল এখন বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে আলোচিত মুখগুলোর একজন। স্পেনকে বিশ্বকাপ জেতানোর মধ্য দিয়ে তার ইতিহাস গড়া এক মৌসুম শেষ হয়েছে। এই কিশোর এখন জায়গা করে নিয়েছেন ফুটবলের সেরাদের কাতারে। ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অরের প্রধান দাবিদার হিসেবেও তার নাম শোনা যাচ্ছে। খুব অল্প বয়সেই শুরু হওয়া তার এই যাত্রা এখনও অনেক কিছু দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।

সদ্য উনিশে পা দেওয়া ইয়ামাল তার ট্রফিতে ঠাসা সংগ্রহে যোগ করেছেন বিশ্বকাপও। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘মুন্দো দেপোর্তিভো’ জানিয়েছে, এই বিশ্বকাপের মাধ্যমে তিনি ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় স্বপ্নের কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন। সেই স্বপ্ন হলো ফুটবলের সবচেয়ে বড় ব্যক্তিগত পুরস্কার জেতা।

বিশ্বকাপ শিরোপাসহ পুরো মৌসুম দুর্দান্তভাবে শেষ করা প্রমাণ করে দিচ্ছে, ১৯ বছর বয়সী এই তারকা কোন পর্যায়ে পৌঁছেছেন। তিনি এখন বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে আলোচিত তারকাদের একজন।

তার এই অল্প বয়সে এমন সাফল্য ফুটবল ইতিহাসে এক ব্যতিক্রমী ঘটনা। ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি পেলে এবং ইতালির জিউসেপ্পে বেরগোমি ছাড়া এত কম বয়সে আর কেউ বিশ্বকাপ জেতেননি। এই দুজনও নিজেদের দেশকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করায় বড় ভূমিকা রেখেছিলেন।

ইয়ামালের অর্জন শুধু বিশ্বকাপেই সীমাবদ্ধ নয়। এর আগে ২০২৪ সালে স্পেনের হয়ে তিনি ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপও জিতেছেন। সেই টুর্নামেন্টে সেরা তরুণ খেলোয়াড়ের পুরস্কারও পেয়েছিলেন তিনি।

অল্প বয়স হলেও ইয়ামাল ইতিমধ্যে স্পেনের হয়ে ৩৩টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন। এছাড়া নিজ ক্লাব বার্সেলোনার হয়ে তিনি তিনটি লা লিগা শিরোপা জিতেছেন। এছাড়া দুটি স্প্যানিশ সুপার কাপ এবং কোপা দেল রেও জিতেছেন তিনি। কাতালান ক্লাবটির হয়ে আগামী বছরগুলোতে চ্যাম্পিয়নস লিগই তার সবচেয়ে বড় লক্ষ্য।

ব্যক্তিগতভাবে তিনি বিশ্বের সেরা তরুণ খেলোয়াড়ের জন্য কোপা ট্রফি এবং গোল্ডেন বয় পুরস্কার জিতেছেন। এতে ইউরোপীয় ফুটবলের সেরা তরুণ প্রতিভা হিসেবে তার অবস্থান আরও স্পষ্ট হয়েছে।

ইয়ামাল এবার এক অসাধারণ মৌসুম কাটিয়েছেন। ১৬ গোল করে তিনি লা লিগার সেরা খেলোয়াড়ের স্বীকৃতি পেয়েছেন। ফেররান তরেসের সঙ্গে যৌথভাবে স্প্যানিশ সর্বোচ্চ গোলদাতার জাররা পুরস্কারও জিতেছেন তিনি। এর পাশাপাশি তিনি করেছেন ১১টি অ্যাসিস্ট।

বার্সেলোনার হয়ে ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত তিনি খেলেছেন ১৫১ ম্যাচ। এতে তার গোল সংখ্যা ৪৯ এবং অ্যাসিস্ট ৪৪। এই পরিসংখ্যানই বলে দেয়, এত কম বয়সে তার প্রভাব কতটা বড়।

বিশ্বকাপে আসার আগে ইয়ামালের বাঁ হাঁটুর টেন্ডনে চোট ছিল। এই চোট তার ফিটনেসে প্রভাব ফেলেছিল এবং ম্যাচ সংখ্যাও কমিয়ে দিয়েছিল। তবু তিনি ছিলেন স্পেনের অন্যতম প্রধান আক্রমণাত্মক অস্ত্র।

টুর্নামেন্ট যত এগিয়েছে, তার ফর্মও তত ভালো হয়েছে। সৌদি আরবের বিপক্ষে তিনি গোল করেন। সেমিফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে যে পেনাল্টি থেকে স্পেন প্রথম গোল করে, সেটাও তিনিই আদায় করেন।

পরিসংখ্যানও একই কথা বলছে। পুরো টুর্নামেন্টে ইয়ামালের চেয়ে বেশি ড্রিবল করেছেন শুধু আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি। মেসি করেছেন ২৮টি, আর ইয়ামাল করেছেন ২৭টি।

অন্যদিকে কিলিয়ান এমবাপে, মাইকেল অলিসে এবং ভিনিসিয়ুস জুনিয়র সবাই এই তালিকায় অনেক পিছিয়ে ছিলেন। তারা প্রত্যেকে করেছেন মাত্র ১৬টি করে ড্রিবল। এই ব্যবধানই বুঝিয়ে দেয়, টুর্নামেন্টে বার্সেলোনার এই উইঙ্গারের প্রভাব কতটা ছিল।

ইয়ামাল এখন ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর জেতার অন্যতম প্রধান দাবিদার। ইতিহাসের সবচেয়ে কম বয়সী ব্যালন ডি’অরজয়ী হওয়ারও বাস্তব সুযোগ আছে তার সামনে।

এই রেকর্ড এখনও ব্রাজিলের রোনালদো নাজারিওর দখলে। তিনি ১৯৯৭ সালে ২১ বছর ৯২ দিন বয়সে এই পুরস্কার জিতেছিলেন।

গত বছর উসমান দেম্বেলের পেছনে থেকে ব্যালন ডি’অরে দ্বিতীয় হয়েছিলেন ইয়ামাল। এবার বিশ্বকাপ ও লা লিগা শিরোপার পাশাপাশি নিজের অসাধারণ পরিসংখ্যান নিয়ে তিনি এবারের আসরে অনেক এগিয়ে থাকবেন।

বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পরও ইয়ামালের জন্য সুখবর আসতে থাকে। তার বাজারমূল্য পৌঁছেছে ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে।

বিশেষায়িত ওয়েবসাইট ট্রান্সফারমার্কট তাদের খেলোয়াড় মূল্যায়ন হালনাগাদ করেছে। এতে বার্সেলোনার এই নাম্বার টেন এখন বিশ্বের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড়। তার বর্তমান বাজারমূল্য ২২০ মিলিয়ন ইউরো। এই একই মূল্যে আছেন নরওয়ের আর্লিং হালান্ডও। বিশ্বকাপে তিনিও দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন।

লম্বা এবং সাফল্যে ভরা এক মৌসুম শেষে এখন গ্রীষ্মের ছুটি কাটাচ্ছেন ইয়ামাল। বার্সেলোনায় ফিরবেন আরও বড় লক্ষ্য নিয়ে। নতুন করে ইতিহাস লেখার প্রস্তুতি নিয়েই তিনি ফিরবেন।

এখন পর্যন্ত তার অর্জন কেবল শুরু। স্প্যানিশ এই তারকা তার এই অবিশ্বাস্য ফর্ম ধরে রাখতে পারলে, তার ক্যারিয়ার ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা ক্যারিয়ার হয়ে উঠতে পারে।