ঢাকা ১২:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জ্বালানি নিরাপত্তা এখন একটি বড় ইস্যু : সেনাপ্রধান

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:২৫:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ১ বার
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, ‘জ্বালানি নিরাপত্তা এখন একটি বড় ইস্যু। স্বাধীনতার ৫৪-৫৫ বছরেও দ্বিতীয় রিফাইনারি গড়ে না ওঠায় পরিস্থিতি আরো জটিল হয়েছে।’ প্রতিরক্ষা খাত নিয়ে তিনি বলেন, ‘দেশের আমদানি-রপ্তানি সমুদ্রপথনির্ভর হওয়ায় নৌবাহিনীর সক্ষমতা আরো বাড়ানো জরুরি।’ একই সঙ্গে বিমানবাহিনীর আধুনিকায়নের প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি তুলে ধরেন।

গতকাল দুপুরে মিরপুর সেনানিবাসের ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে (এনডিসি) অংশগ্রহণকারী ফেলোদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেনাপ্রধান এসব কথা বলেন। জ্বালানি নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, ‘বর্তমান বিশ্ব অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। প্রতিনিয়ত নতুন নতুন সংকট তৈরি হচ্ছে। দেশে একটিমাত্র রিফাইনারি ইস্টার্ন রিফাইনারি থাকায় চাহিদার তুলনায় খুব কম পরিমাণ তেল পরিশোধন সম্ভব হয় এবং বাকি জ্বালানি উচ্চমূল্যে আমদানি করতে হয়।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলসংশ্লিষ্ট উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলের সংকট সরাসরি জ্বালানি সরবরাহে প্রভাব ফেলছে, যার প্রভাব পড়ে সাধারণ মানুষের জীবনে।’তিনি আরো বলেন, ‘রোহিঙ্গা সংকট একটি জাতীয় সমস্যা এবং এটি সমাধানে সবাইকে সম্পৃক্ত হতে হবে।’ জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ‘আমরা যুদ্ধের প্রস্তুতি নিই যুদ্ধ করার জন্য নয়, বরং যুদ্ধ এড়ানোর জন্য। শক্তিশালী প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ছাড়া কার্যকর পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।

৫ থেকে ২৩ এপ্রিল তিন সপ্তাহব্যাপী ‘ক্যাপস্টোন কোর্স ২০২৬/১’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে কোর্স ফেলোদের মধ্যে সনদ বিতরণ করেন সেনাপ্রধান। এ কোর্সে ৪৫ জন ফেলো অংশগ্রহণ করেন।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি নিরাপত্তা এখন একটি বড় ইস্যু : সেনাপ্রধান

আপডেট টাইম : ১২:২৫:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, ‘জ্বালানি নিরাপত্তা এখন একটি বড় ইস্যু। স্বাধীনতার ৫৪-৫৫ বছরেও দ্বিতীয় রিফাইনারি গড়ে না ওঠায় পরিস্থিতি আরো জটিল হয়েছে।’ প্রতিরক্ষা খাত নিয়ে তিনি বলেন, ‘দেশের আমদানি-রপ্তানি সমুদ্রপথনির্ভর হওয়ায় নৌবাহিনীর সক্ষমতা আরো বাড়ানো জরুরি।’ একই সঙ্গে বিমানবাহিনীর আধুনিকায়নের প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি তুলে ধরেন।

গতকাল দুপুরে মিরপুর সেনানিবাসের ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে (এনডিসি) অংশগ্রহণকারী ফেলোদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেনাপ্রধান এসব কথা বলেন। জ্বালানি নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, ‘বর্তমান বিশ্ব অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। প্রতিনিয়ত নতুন নতুন সংকট তৈরি হচ্ছে। দেশে একটিমাত্র রিফাইনারি ইস্টার্ন রিফাইনারি থাকায় চাহিদার তুলনায় খুব কম পরিমাণ তেল পরিশোধন সম্ভব হয় এবং বাকি জ্বালানি উচ্চমূল্যে আমদানি করতে হয়।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলসংশ্লিষ্ট উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলের সংকট সরাসরি জ্বালানি সরবরাহে প্রভাব ফেলছে, যার প্রভাব পড়ে সাধারণ মানুষের জীবনে।’তিনি আরো বলেন, ‘রোহিঙ্গা সংকট একটি জাতীয় সমস্যা এবং এটি সমাধানে সবাইকে সম্পৃক্ত হতে হবে।’ জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ‘আমরা যুদ্ধের প্রস্তুতি নিই যুদ্ধ করার জন্য নয়, বরং যুদ্ধ এড়ানোর জন্য। শক্তিশালী প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ছাড়া কার্যকর পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।

৫ থেকে ২৩ এপ্রিল তিন সপ্তাহব্যাপী ‘ক্যাপস্টোন কোর্স ২০২৬/১’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে কোর্স ফেলোদের মধ্যে সনদ বিতরণ করেন সেনাপ্রধান। এ কোর্সে ৪৫ জন ফেলো অংশগ্রহণ করেন।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন