ঢাকা ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

শাকিলের জন্য মন খারাপ রনির

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৪১:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৬
  • ৩৬২ বার

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে জাপানি কোচিন রেস্তোরাঁ সামদাদোর একটি কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মাহবুবুল হক শাকিলের লাশ পাওয়া যায়। বুধবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার ময়নাতদন্ত করা হয়। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি।

শাকিলের মৃত্যুতে বিভিন্ন মহলে বিরাজ করছে শোক। বুধবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়েছে তার প্রথম জানাজা। বিকালে দাফন করা হবে ময়মনসিংহের পারিবারিক কবরস্থানে।

শাকিলের মৃত্যুর পর তার পরিচিত, ভক্তরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শোক প্রকাশ করার পাশাপাশি তাকে নিয়ে নানাভাবে স্মৃতিচারণ করছেন। অনেকে শাকিলের সঙ্গে বিভিন্ন সময় তোলা ছবি পোস্ট করছেন।

পাঠকদের জন্য তা হুবহু তুলে দেয়া হলো-

মাহবুবুল হক শাকিলের সঙ্গে সর্বশেষ দেখা হয়েছিল ঢাকা ক্লাবে। বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজামের একটি অনুষ্ঠান থেকে আমি যখন বের হচ্ছিলাম ঠিক সেই মুহূর্তে ও ঢুকছিল। দেখা হতেই দুহাত চেপে ধরে বললো কিছু দরকার নেই শুধু লিখে যাও লেখকরা কোনদিন মরে না।

শাকিল শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার সতীর্থ এবং রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ছিলেন না আমরা একই হলের আবাসিক ছাত্র এবং পাশাপাশি রুমের বাসিন্দা ছিলাম।

ব্যক্তিগত জীবনে শাকিল ছিল প্রচণ্ড অভিমানী এবং লাজুক প্রকৃতির। তিনি কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ করতেন নাl অন্যদিকে, কেউ যদি তাকে মুখের ওপর কটূবাক্যে জর্জরিত করতো সেক্ষেত্রেও শাকিল সর্বোতভাবে চেষ্টা করতেন হাসিমুখে মেনে নেয়ার জন্য।

দাম্পত্য জীবনের ছোটখাটো সমস্যা, অভিমানী মনের না পাওয়ার বেদনা এবং সুখস্বপ্ন নিয়ে সীমাহীন সংকোচ ও দ্বিধার বেদনা থেকে তিনি কবিতা লিখতেন। তিনি যতোটা না লিখতেন তার চেয়েও বেশি ভাবতেন। যতোটা না প্রকাশ্যে নিজেকে উপস্থাপন করতেন তার চেয়েও বড় বড় সৌধ নির্মাণ করতেন মনের গহীন অরণ্যে।

শাকিলের আকস্মিক মৃত্যুতে খুব কষ্ট পেয়েছি। সারাটা রাত বেদনাহত হয়ে নির্ঘুম কাটিয়েছি। তার বিদেহী আত্মার জন্য শুভ কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

শাকিলের জন্য মন খারাপ রনির

আপডেট টাইম : ১২:৪১:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৬

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে জাপানি কোচিন রেস্তোরাঁ সামদাদোর একটি কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মাহবুবুল হক শাকিলের লাশ পাওয়া যায়। বুধবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার ময়নাতদন্ত করা হয়। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি।

শাকিলের মৃত্যুতে বিভিন্ন মহলে বিরাজ করছে শোক। বুধবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়েছে তার প্রথম জানাজা। বিকালে দাফন করা হবে ময়মনসিংহের পারিবারিক কবরস্থানে।

শাকিলের মৃত্যুর পর তার পরিচিত, ভক্তরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শোক প্রকাশ করার পাশাপাশি তাকে নিয়ে নানাভাবে স্মৃতিচারণ করছেন। অনেকে শাকিলের সঙ্গে বিভিন্ন সময় তোলা ছবি পোস্ট করছেন।

পাঠকদের জন্য তা হুবহু তুলে দেয়া হলো-

মাহবুবুল হক শাকিলের সঙ্গে সর্বশেষ দেখা হয়েছিল ঢাকা ক্লাবে। বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজামের একটি অনুষ্ঠান থেকে আমি যখন বের হচ্ছিলাম ঠিক সেই মুহূর্তে ও ঢুকছিল। দেখা হতেই দুহাত চেপে ধরে বললো কিছু দরকার নেই শুধু লিখে যাও লেখকরা কোনদিন মরে না।

শাকিল শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার সতীর্থ এবং রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ছিলেন না আমরা একই হলের আবাসিক ছাত্র এবং পাশাপাশি রুমের বাসিন্দা ছিলাম।

ব্যক্তিগত জীবনে শাকিল ছিল প্রচণ্ড অভিমানী এবং লাজুক প্রকৃতির। তিনি কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ করতেন নাl অন্যদিকে, কেউ যদি তাকে মুখের ওপর কটূবাক্যে জর্জরিত করতো সেক্ষেত্রেও শাকিল সর্বোতভাবে চেষ্টা করতেন হাসিমুখে মেনে নেয়ার জন্য।

দাম্পত্য জীবনের ছোটখাটো সমস্যা, অভিমানী মনের না পাওয়ার বেদনা এবং সুখস্বপ্ন নিয়ে সীমাহীন সংকোচ ও দ্বিধার বেদনা থেকে তিনি কবিতা লিখতেন। তিনি যতোটা না লিখতেন তার চেয়েও বেশি ভাবতেন। যতোটা না প্রকাশ্যে নিজেকে উপস্থাপন করতেন তার চেয়েও বড় বড় সৌধ নির্মাণ করতেন মনের গহীন অরণ্যে।

শাকিলের আকস্মিক মৃত্যুতে খুব কষ্ট পেয়েছি। সারাটা রাত বেদনাহত হয়ে নির্ঘুম কাটিয়েছি। তার বিদেহী আত্মার জন্য শুভ কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা।