ঢাকা ০১:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
স্থানীয় সরকার নির্বাচন একক প্রার্থী নির্ধারণে প্রস্তুতি বিএনপিতে নেপালে আকস্মিক বন্যায় নিহত বেড়ে ৬২৩, নিখোঁজ ২৪৮২ অটোরিকশাচালক থেকে কোটিপতি, আ.লীগ পুনর্বাসনের কারিগর কে এই ফিরোজ জেনে নিন বিনাখরচে কিভাবে মালয়েশিয়ায় যাওয়া যাবে নেপালে শুটিংয়ে গিয়ে তাণ্ডবের মুখোমুখি অপু, অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা ৪২ কি.মি. যানজট: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে আটকা শত শত গাড়ি ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব উপজেলায় আহ্বায়ক কমিটি গঠনের নির্দেশ এনসিপির সারা দেশে বিশেষ অভিযানের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন আইরিন খান ১০১ মণের ‘বরকতি ড্যাগের’ খিচুড়ি, খেলেই নাকি রোগমুক্তি ও সন্তান লাভ

স্থানীয় সরকার নির্বাচন একক প্রার্থী নির্ধারণে প্রস্তুতি বিএনপিতে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:৩৬:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬
  • ০ বার

স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক শক্তি বাড়াতে উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি। কোন্দল, নিষ্ক্রিয়তা ও সাংগঠনিক দুর্বলতা কাটিয়ে দ্রুত সব স্তরের কমিটি পুনর্গঠনের ওপর জোর দিচ্ছেন দলটির হাইকমান্ড। একই সঙ্গে প্রতীকবিহীন স্থানীয় নির্বাচনে অভ্যন্তরীণ কোন্দল এড়াতে একক প্রার্থী বাছাইয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিয়মিত স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে সাংগঠনিক বৈঠক করছেন।

অন্যদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সাংগঠনিক শক্তি যাচাইয়ের বড় সুযোগ হিসেবে দেখছে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। অধিকাংশ এলাকায় সম্ভাব্য একক প্রার্থী বাছাই করে মাঠে তৎপরতা শুরু করেছে দল দুটি। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসসহ অন্য দলগুলোও নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ফলে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় নির্বাচনেও বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা জোরালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

মাঠে বিএনপির একাধিক প্রার্থী : জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নজর বিএনপির। সম্ভাব্য প্রার্থীরা এরই মধ্যে এলাকায় গণসংযোগ শুরু করেছেন। সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন পদে প্রার্থী হতে আগ্রহীরা সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সক্রিয় হচ্ছেন। অনেক এলাকায় পোস্টার, ফেস্টুন ও ব্যানারে সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রচারও শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে প্রচার।

দলীয় সূত্র জানায়, প্রার্থী বাছাইয়ে সংশ্লিষ্ট সংসদীয় আসনের জনপ্রতিনিধি ও জেলার শীর্ষ নেতাদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। তফসিল ঘোষণার আগেই অধিকাংশ এলাকায় প্রার্থী বাছাই শেষ করতে চায় বিএনপি। কোনো এলাকায় একাধিক প্রার্থী থাকলে জনপ্রিয়তা, গ্রহণযোগ্যতা ও বিজয়ের সম্ভাবনা বিবেচনায় একক প্রার্থী নির্ধারণ করা হবে। একই সঙ্গে ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী ঠেকাতেও কঠোর অবস্থানে দলটি। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে কেউ প্রার্থী হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হচ্ছে।

দলীয় সূত্র আরও জানায়, গত ৪ জুলাই থেকে রাজধানীর গুলশানে রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিভিন্ন বিভাগের জেলা নেতাদের সঙ্গে ধারাবাহিক সাংগঠনিক বৈঠক করছেন তারেক রহমান। ইতোমধ্যে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। পর্যায়ক্রমে খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগের নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

সর্বশেষ চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও পাবনা জেলার নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে স্থানীয় নির্বাচনে অভ্যন্তরীণ কোন্দল দূর করে একক প্রার্থী বাছাইয়ের নির্দেশ দেন তারেক রহমান। বিতর্কিত কাউকে দলের সমর্থন না দেওয়া এবং দলীয় প্রার্থীর পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়।

বিএনপির নেতারা বলছেন, দলীয় প্রতীক না থাকায় প্রভাবশালী অনেক নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে চাইতে পারেন। একাধিক প্রার্থী থাকায় তৃণমূলে গ্রুপিং ও কোন্দল বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এরই মধ্যে অনেক এলাকায় সম্ভাব্য প্রার্থীরা অনুসারীদের নিয়ে আলাদাভাবে শোডাউন করছেন। ফলে বিদ্রোহী প্রার্থী ঠেকানো বিএনপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

একক প্রার্থী দিচ্ছে জামায়াত-এনসিপি : স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আপাতত এককভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রস্তুতি নিচ্ছে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি। জামায়াত এরই মধ্যে মাঠপর্যায়ে প্রার্থী বাছাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান সারা দেশের নেতা-কর্মীদের নির্বাচনি প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

জামায়াত সূত্র জানায়, ইতোমধ্যে ৮০ শতাংশের বেশি এলাকায় সম্ভাব্য প্রার্থী বাছাই করা হয়েছে। সিটি করপোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলর থেকে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্য-বিভিন্ন পদে প্রার্থী বাছাই করা হচ্ছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটগত সমীকরণের কারণে মনোনয়ন না পাওয়া যোগ্য ও সিনিয়র নেতাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। কোথাও দলের শক্তিশালী প্রার্থী না থাকলে স্থানীয়ভাবে জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে সমর্থনের কৌশলও নেওয়া হচ্ছে। এনসিপি সূত্র জানায়, স্থানীয় নির্বাচনে আপাতত দলীয়ভাবে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তফসিল ও নির্বাচনি জোটের বিষয়টি এখনো পরিষ্কার না হওয়ায় আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে বিভিন্ন দলের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা চলছে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির সদস্য রুহুল কবির রিজভী বলেন, তৃণমূলের সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করতে বিভিন্ন জেলা ও মহানগর নেতাদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করছেন তারেক রহমান। প্রার্থী বাছাইয়ে জনপ্রিয়তা, গ্রহণযোগ্যতা, আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা এবং বিজয়ের সম্ভাবনা বিবেচনা করা হবে। জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে দলের পূর্বপ্রস্তুতি রয়েছে। এখন সেটিকে চূড়ান্ত রূপ দেওয়া হচ্ছে, যাতে সব এলাকায় শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ভালো ফল অর্জন করা যায়।

এনসিপির কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেন, আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রতিটি পদে একক প্রার্থী দেবে এনসিপি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

স্থানীয় সরকার নির্বাচন একক প্রার্থী নির্ধারণে প্রস্তুতি বিএনপিতে

স্থানীয় সরকার নির্বাচন একক প্রার্থী নির্ধারণে প্রস্তুতি বিএনপিতে

আপডেট টাইম : ০১:৩৬:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক শক্তি বাড়াতে উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি। কোন্দল, নিষ্ক্রিয়তা ও সাংগঠনিক দুর্বলতা কাটিয়ে দ্রুত সব স্তরের কমিটি পুনর্গঠনের ওপর জোর দিচ্ছেন দলটির হাইকমান্ড। একই সঙ্গে প্রতীকবিহীন স্থানীয় নির্বাচনে অভ্যন্তরীণ কোন্দল এড়াতে একক প্রার্থী বাছাইয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিয়মিত স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে সাংগঠনিক বৈঠক করছেন।

অন্যদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সাংগঠনিক শক্তি যাচাইয়ের বড় সুযোগ হিসেবে দেখছে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। অধিকাংশ এলাকায় সম্ভাব্য একক প্রার্থী বাছাই করে মাঠে তৎপরতা শুরু করেছে দল দুটি। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসসহ অন্য দলগুলোও নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ফলে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় নির্বাচনেও বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা জোরালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

মাঠে বিএনপির একাধিক প্রার্থী : জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নজর বিএনপির। সম্ভাব্য প্রার্থীরা এরই মধ্যে এলাকায় গণসংযোগ শুরু করেছেন। সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন পদে প্রার্থী হতে আগ্রহীরা সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সক্রিয় হচ্ছেন। অনেক এলাকায় পোস্টার, ফেস্টুন ও ব্যানারে সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রচারও শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে প্রচার।

দলীয় সূত্র জানায়, প্রার্থী বাছাইয়ে সংশ্লিষ্ট সংসদীয় আসনের জনপ্রতিনিধি ও জেলার শীর্ষ নেতাদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। তফসিল ঘোষণার আগেই অধিকাংশ এলাকায় প্রার্থী বাছাই শেষ করতে চায় বিএনপি। কোনো এলাকায় একাধিক প্রার্থী থাকলে জনপ্রিয়তা, গ্রহণযোগ্যতা ও বিজয়ের সম্ভাবনা বিবেচনায় একক প্রার্থী নির্ধারণ করা হবে। একই সঙ্গে ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী ঠেকাতেও কঠোর অবস্থানে দলটি। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে কেউ প্রার্থী হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হচ্ছে।

দলীয় সূত্র আরও জানায়, গত ৪ জুলাই থেকে রাজধানীর গুলশানে রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিভিন্ন বিভাগের জেলা নেতাদের সঙ্গে ধারাবাহিক সাংগঠনিক বৈঠক করছেন তারেক রহমান। ইতোমধ্যে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। পর্যায়ক্রমে খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগের নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

সর্বশেষ চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও পাবনা জেলার নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে স্থানীয় নির্বাচনে অভ্যন্তরীণ কোন্দল দূর করে একক প্রার্থী বাছাইয়ের নির্দেশ দেন তারেক রহমান। বিতর্কিত কাউকে দলের সমর্থন না দেওয়া এবং দলীয় প্রার্থীর পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়।

বিএনপির নেতারা বলছেন, দলীয় প্রতীক না থাকায় প্রভাবশালী অনেক নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে চাইতে পারেন। একাধিক প্রার্থী থাকায় তৃণমূলে গ্রুপিং ও কোন্দল বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এরই মধ্যে অনেক এলাকায় সম্ভাব্য প্রার্থীরা অনুসারীদের নিয়ে আলাদাভাবে শোডাউন করছেন। ফলে বিদ্রোহী প্রার্থী ঠেকানো বিএনপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

একক প্রার্থী দিচ্ছে জামায়াত-এনসিপি : স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আপাতত এককভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রস্তুতি নিচ্ছে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি। জামায়াত এরই মধ্যে মাঠপর্যায়ে প্রার্থী বাছাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান সারা দেশের নেতা-কর্মীদের নির্বাচনি প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

জামায়াত সূত্র জানায়, ইতোমধ্যে ৮০ শতাংশের বেশি এলাকায় সম্ভাব্য প্রার্থী বাছাই করা হয়েছে। সিটি করপোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলর থেকে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্য-বিভিন্ন পদে প্রার্থী বাছাই করা হচ্ছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটগত সমীকরণের কারণে মনোনয়ন না পাওয়া যোগ্য ও সিনিয়র নেতাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। কোথাও দলের শক্তিশালী প্রার্থী না থাকলে স্থানীয়ভাবে জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে সমর্থনের কৌশলও নেওয়া হচ্ছে। এনসিপি সূত্র জানায়, স্থানীয় নির্বাচনে আপাতত দলীয়ভাবে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তফসিল ও নির্বাচনি জোটের বিষয়টি এখনো পরিষ্কার না হওয়ায় আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে বিভিন্ন দলের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা চলছে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির সদস্য রুহুল কবির রিজভী বলেন, তৃণমূলের সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করতে বিভিন্ন জেলা ও মহানগর নেতাদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করছেন তারেক রহমান। প্রার্থী বাছাইয়ে জনপ্রিয়তা, গ্রহণযোগ্যতা, আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা এবং বিজয়ের সম্ভাবনা বিবেচনা করা হবে। জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে দলের পূর্বপ্রস্তুতি রয়েছে। এখন সেটিকে চূড়ান্ত রূপ দেওয়া হচ্ছে, যাতে সব এলাকায় শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ভালো ফল অর্জন করা যায়।

এনসিপির কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেন, আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রতিটি পদে একক প্রার্থী দেবে এনসিপি।