ঢাকা ১০:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
‘পূর্ণাঙ্গ বিজয় না আসা পর্যন্ত’ লড়াইয়ের ঘোষণা ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উজ্জীবিত করে: রাষ্ট্রপতি ২৩ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৩৪৫০২ কোটি টাকা স্বাধীনতার গৌরবময় ইতিহাস সংরক্ষণ করা জরুরি : সংস্কৃতি মন্ত্রী ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ সরকারের সৎ মায়ের নির্যাতন, মা’র কবরের পাশে শিশুর কান্না ভাইরাল নতুন সিদ্ধান্ত, ১০ শনিবার খোলা থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয় সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন ৫ দিনের রিমান্ডে ঈদের পর প্রথম কর্মদিবসে প্রায় ১১ ঘণ্টা অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী ৭ দিনের অভিযান আসাদগেট-শ্যামলীতে সব ক্লিনিক পরিদর্শন, অনিয়মে ছাড় নয় : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

‘পূর্ণাঙ্গ বিজয় না আসা পর্যন্ত’ লড়াইয়ের ঘোষণা ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:১৯:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
  • ০ বার

ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনী ‘পূর্ণাঙ্গ বিজয় না আসা পর্যন্ত’ লড়াই চালিয়ে যাবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডের মুখপাত্র আলী আবদুল্লাহি আলিয়াবাদি।

মঙ্গলবার কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

খাতাম-আল আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের আলী আবদুল্লাহি আলিয়াবাদির এই মন্তব্য দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত হয়। সেখানে তিনি বলেন, ‘ইরানের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী দেশের অখণ্ডতা রক্ষায় গর্বিত, বিজয়ী এবং অবিচল; আর এই পথ পূর্ণাঙ্গ বিজয় না আসা পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।’

জেনারেল আলিয়াবাদি ‘পূর্ণাঙ্গ বিজয়’ বলতে ঠিক কী বোঝাতে চেয়েছেন তা স্পষ্ট করেননি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, আমেরিকার সাথে সম্ভাব্য যেকোনো আলোচনায় ছাড় দেওয়ার বিষয়ে সতর্ক করতেই ইরানের সামরিক বাহিনী এই হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

এদিকে, যুদ্ধের ২৫তম দিনেও ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ও স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইরানের সামরিক বাহিনী। অন্যদিকে, ইসরায়েলও ইরানের ক্ষমতাসীন সরকারের বিভিন্ন স্থাপনা ও সেনাবাহিনীকে লক্ষ্য করে হামলা চালানোর দাবি করেছে।

উল্লেখ্য-গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানকে পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি থেকে বিরত রাখতে যৌথ হামলা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। জবাবে ইসরায়েলে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে ইরান। একই সঙ্গে ইরান কয়েকটি আরব দেশে যেখানে মার্কিন ঘাঁটিসহ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট আছে সেখানেও হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে এই সংঘাত এখন ওই অঞ্চলের ১৪ দেশে ছড়িয়ে পড়েছে।

সূত্র : আল-জাজিরা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

‘পূর্ণাঙ্গ বিজয় না আসা পর্যন্ত’ লড়াইয়ের ঘোষণা ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর

‘পূর্ণাঙ্গ বিজয় না আসা পর্যন্ত’ লড়াইয়ের ঘোষণা ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর

আপডেট টাইম : ১০:১৯:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনী ‘পূর্ণাঙ্গ বিজয় না আসা পর্যন্ত’ লড়াই চালিয়ে যাবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডের মুখপাত্র আলী আবদুল্লাহি আলিয়াবাদি।

মঙ্গলবার কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

খাতাম-আল আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের আলী আবদুল্লাহি আলিয়াবাদির এই মন্তব্য দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত হয়। সেখানে তিনি বলেন, ‘ইরানের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী দেশের অখণ্ডতা রক্ষায় গর্বিত, বিজয়ী এবং অবিচল; আর এই পথ পূর্ণাঙ্গ বিজয় না আসা পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।’

জেনারেল আলিয়াবাদি ‘পূর্ণাঙ্গ বিজয়’ বলতে ঠিক কী বোঝাতে চেয়েছেন তা স্পষ্ট করেননি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, আমেরিকার সাথে সম্ভাব্য যেকোনো আলোচনায় ছাড় দেওয়ার বিষয়ে সতর্ক করতেই ইরানের সামরিক বাহিনী এই হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

এদিকে, যুদ্ধের ২৫তম দিনেও ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ও স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইরানের সামরিক বাহিনী। অন্যদিকে, ইসরায়েলও ইরানের ক্ষমতাসীন সরকারের বিভিন্ন স্থাপনা ও সেনাবাহিনীকে লক্ষ্য করে হামলা চালানোর দাবি করেছে।

উল্লেখ্য-গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানকে পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি থেকে বিরত রাখতে যৌথ হামলা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। জবাবে ইসরায়েলে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে ইরান। একই সঙ্গে ইরান কয়েকটি আরব দেশে যেখানে মার্কিন ঘাঁটিসহ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট আছে সেখানেও হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে এই সংঘাত এখন ওই অঞ্চলের ১৪ দেশে ছড়িয়ে পড়েছে।

সূত্র : আল-জাজিরা।