ঢাকা ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ শেষ, নির্বাচনী প্রচার শুরু

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৩৮:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৮ বার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারাদেশের ২৯৮টি নির্বাচনী এলাকায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হয়েছে। এতে মোট ১ হাজার ৯৭৩ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা সারাদেশের ২৯৮টি আসনে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করেন। প্রতীক বরাদ্দ শেষ হওয়ায় আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শুরু করতে পারবেন বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ইসি সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক সাংবাদিকদের বলেন, আজ বিকেল ৫টা পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন করেছেন। সারাদেশে ১ হাজার ৯৭৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, প্রতীক বরাদ্দের পর রিটার্নিং কর্মকর্তারা সংশ্লিষ্ট আসনে প্রার্থীদের সংখ্যা নির্বাচন কমিশনকে জানাবেন এবং প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের তালিকা সংক্রান্ত ফরম-৫ পূরণ করে পাঠাবেন। এ তথ্যের ভিত্তিতে আগামীকাল থেকেই ব্যালট পেপার ছাপানোর কাজ শুরু হতে পারে।

রুহুল আমিন মল্লিক আরও বলেন, প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হওয়ায় আগামীকাল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে পারবেন।

নির্বাচনী প্রচারণা বিষয়ে ইসির রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা–২০২৫ অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের নির্ধারিত দিনের তিন সপ্তাহ আগে কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে কেউ নির্বাচনী প্রচার শুরু করতে পারবেন না এবং ভোট গ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে সব ধরনের প্রচারণা শেষ করতে হবে।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে ২৯৮টি আসনে (পাবনা–১ ও পাবনা–২ বাদে) মোট ১ হাজার ৯৭৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচনের জন্য ৩০০ আসনে মোট ২ হাজার ৫৮০টি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। এর মধ্যে ১ হাজার ৮৫৫টি মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয় এবং ৭২৫টি বাতিল হয়। বাতিল হওয়া মনোনয়নের বিরুদ্ধে ৬৪৫ জন আপিল করলে শুনানি শেষে ৪৩৭ জন প্রার্থিতা ফিরে পান।

এ ছাড়া প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে (মঙ্গলবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত) সারাদেশে ৩০৫ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন।

তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শুরু হবে এবং ভোট গ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগ পর্যন্ত তা চালানো যাবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে, গত ১১ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ছিল ২৯ ডিসেম্বর।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ শেষ, নির্বাচনী প্রচার শুরু

আপডেট টাইম : ১০:৩৮:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারাদেশের ২৯৮টি নির্বাচনী এলাকায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হয়েছে। এতে মোট ১ হাজার ৯৭৩ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা সারাদেশের ২৯৮টি আসনে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করেন। প্রতীক বরাদ্দ শেষ হওয়ায় আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শুরু করতে পারবেন বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ইসি সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক সাংবাদিকদের বলেন, আজ বিকেল ৫টা পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন করেছেন। সারাদেশে ১ হাজার ৯৭৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, প্রতীক বরাদ্দের পর রিটার্নিং কর্মকর্তারা সংশ্লিষ্ট আসনে প্রার্থীদের সংখ্যা নির্বাচন কমিশনকে জানাবেন এবং প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের তালিকা সংক্রান্ত ফরম-৫ পূরণ করে পাঠাবেন। এ তথ্যের ভিত্তিতে আগামীকাল থেকেই ব্যালট পেপার ছাপানোর কাজ শুরু হতে পারে।

রুহুল আমিন মল্লিক আরও বলেন, প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হওয়ায় আগামীকাল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে পারবেন।

নির্বাচনী প্রচারণা বিষয়ে ইসির রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা–২০২৫ অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের নির্ধারিত দিনের তিন সপ্তাহ আগে কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে কেউ নির্বাচনী প্রচার শুরু করতে পারবেন না এবং ভোট গ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে সব ধরনের প্রচারণা শেষ করতে হবে।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে ২৯৮টি আসনে (পাবনা–১ ও পাবনা–২ বাদে) মোট ১ হাজার ৯৭৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচনের জন্য ৩০০ আসনে মোট ২ হাজার ৫৮০টি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। এর মধ্যে ১ হাজার ৮৫৫টি মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয় এবং ৭২৫টি বাতিল হয়। বাতিল হওয়া মনোনয়নের বিরুদ্ধে ৬৪৫ জন আপিল করলে শুনানি শেষে ৪৩৭ জন প্রার্থিতা ফিরে পান।

এ ছাড়া প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে (মঙ্গলবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত) সারাদেশে ৩০৫ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন।

তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শুরু হবে এবং ভোট গ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগ পর্যন্ত তা চালানো যাবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে, গত ১১ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ছিল ২৯ ডিসেম্বর।