ঢাকা ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৬ লাখ সরকারি চাকুরে দেবেন পোস্টাল ভোট

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:৩৯:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৭ বার

চাকরির কারণে নিজ এলাকার বাইরে থাকা সরকারি চাকরিজীবী ও নির্বাচনী দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এতদিন অন্যের ভোট দেখেই সন্তুষ্ট থাকতেন। এবার অবস্থা বদলাচ্ছে; পোস্টাল বিডি অ্যাপে রেজিস্ট্রেশন করে ভোটে অংশ নিচ্ছেন তারাও। প্রবাসীরাও এবার ভোটে অংশ নিচ্ছেন। সরকার বলছে, অন্যান্য দেশে গড়ে ২ শতাংশ প্রবাসী পোস্টাল ভোট দেয়, কিন্তু বাংলাদেশে প্রথমবারই পোস্টাল ভোটের জন্য আবেদন করেছে ৫ শতাংশ প্রবাসী।

এবার সরকারি চাকরিজীবীদের দারুণ অভিজ্ঞতা হবে। প্রায় ছয় লাখ সরকারি চাকরিজীবী পোস্টাল বিডি অ্যাপে নিবন্ধন করেছেন। মোট নিবন্ধিত ৭ লাখ ৬১ হাজার ১৩৬ জনের মধ্যে ৫ লাখ ৭৫ হাজার ২০০ জনই সরকারি চাকরিজীবী। ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করে সরকারি চাকরিজীবীদের সাধুবাদ পাচ্ছে নির্বাচন কমিশন।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠপ্রশাসন শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা দেশ রূপান্তরকে জানিয়েছেন, ৬৪ জেলার ডিসিই পোস্টাল ভোটের জন্য নিবন্ধন করেছেন। গত ২১ ডিসেম্বর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে চিঠি দিয়ে নিজ এলাকার বাইরে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিবন্ধন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ নির্দেশনার কথা সব মন্ত্রণালয়, সব বিভাগীয় কমিশনার ও সব জেলা প্রশাসককে জানানো হয়।

পোস্টাল বিডি অ্যাপের তথ্যানুযায়ী, এবার নিবন্ধন করেছেন মোট ৭ লাখ ৬১ হাজার ১৩৬ জন। তাদের মধ্যে সরকারি চাকরিজীবী ৫ লাখ ৭৫ হাজার ২০০ জন। নির্বাচনী দায়িত্বপ্রাপ্ত ১ লাখ ৬৯ হাজার ৬৪২ জন। আনসার ও ভিডিপি ১০ হাজার ১০ জন। কারাবন্দি ও আইনি হেফাজতে রয়েছেন এমন ব্যক্তি ৬ হাজার ২৮৪ জন।

এবারের নিয়ম অনুযায়ী, নিজ নির্বাচনী এলাকার বাইরে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি এবং কারাবন্দিরা পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থায় ভোট দিতে পারবেন। তবে আগে এ ব্যবস্থায় ভোট দিতে তেমন আগ্রহী ছিলেন না অনেকেই। আগে আইন

থাকলেও সুযোগ ছিল সীমিত। এবার ‘আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালট’-এ ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে ইসি। এজন্য নির্বাচনী আইনেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। ৫ জানুয়ারি ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে নিবন্ধন শেষ হয়েছে।

জনপ্রশাসন বিশ্লেষক ফিরোজ মিয়া দেশ রূাপন্তরকে বলেন, ‘সরকারি চাকরিজীবীরা দীর্ঘদিন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি দায়িত্ব পালনের জন্য। তথ্যপ্রযুক্তির উন্নতির কারণে সে সুযোগ এবার তৈরি হলো।’

পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক কাজী সায়েমুজ্জামান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘অ্যাপসে নিবন্ধন করেছি। নিবন্ধন প্রক্রিয়া সফল করতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের চিঠি দেওয়া হয়েছে।’

ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের কর্মকর্তা জাকির হোসেন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘খুবই ভালো লাগছে। চাকরিজীবনের ১৭ বছরে এই প্রথম ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছি।’

পুলিশ হেডকোয়ার্টারে দায়িত্বপ্রাপ্ত বেশ কয়েকজন ডিআইজি দেশ রূাপন্তরকে বলেন, ‘বুঝতেই পারছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য আর সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ নিশ্চিত করতে পুলিশ বাহিনীর ওপর কত চাপ থাকে। এবার দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি পোস্টাল ভোটের সুযোগ তৈরি হয়েছে। নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়া যাবে।’

নির্বাচন কমিশনের তথ্যানুযায়ী, জেলাভিত্তিক নিবন্ধনে শীর্ষে রয়েছে কুমিল্লা, ১ লাখ ১২ হাজার ৯০ জন নিবন্ধন করেছেন। এরপরই ঢাকায় ১ লাখ ৮ হাজার ৭৫৫ এবং চট্টগ্রামে ৯৫ হাজার ২৯৭ জন। আসনভিত্তিক নিবন্ধনে সবার ওপর রয়েছে ফেনী-৩ আসনে ১৬ হাজার ৯৩ জন। চট্টগ্রাম-১৫ আসনে ১৪ হাজার ৩০১ জন। গত ১৮ নভেম্বর উদ্বোধন হওয়া এ অ্যাপের মাধ্যমে বিশ্বের ১৪৮টি দেশের প্রবাসীরা নিবন্ধিত হয়েছেন।

এদিকে, ভোট শুরুর আগেই পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিওতে একটি বাসায় কয়েক ব্যক্তির কাছে অনেক ব্যালট পেপার দেখা গেছে। অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ওইসব ভিডিওতে দেখা গেছে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনেক পোস্টাল ব্যালট কয়েকজন মিলে গুনছেন। পোস্টাল ব্যালটের খামে বাহরাইনের ঠিকানা লেখা রয়েছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে গিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে এসেছে বিএনপি। দলটির পক্ষ থেকে পোস্টাল ব্যালটে প্রতীক-বিন্যাস নিয়েও আপত্তি জানানো হয়েছে।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, ৩০০ সংসদীয় আসনে নির্বাচনের জন্য ১৫ লাখ ২৭ হাজার ১৫৫ ভোটারের পোস্টাল ভোটে নিবন্ধন অনুমোদন করা হয়েছে। প্রবাসী ভোটারের সংখ্যা ৭ লাখ ৬০ হাজারের কিছু বেশি। বাকিরা দেশের ভেতরেই নিবন্ধন করেছেন; তাদের পৌনে ছয় লাখ সরকারি চাকরিজীবী, ১ লাখ ৬০ হাজার নির্বাচনী কর্মকর্তা, প্রায় ১০ হাজার আনসার-ভিডিপির সদস্য এবং ছয় হাজারের কিছু বেশি কারাবন্দি ব্যক্তি।

ইসির সংশ্লিষ্ট শাখার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিবন্ধিত ভোটারদের জন্য পোস্টাল ব্যালট পাঠানো শুরু হয়েছে, তবে শেষ হয়নি। ২০ জানুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহার ও ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের পর অ্যাপসের মাধ্যমে নিবন্ধিত ভোটারদের সংশ্লিষ্ট আসনের প্রার্থী ও প্রতীক জানানো হবে। এরপর তারা ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ১০ হাজারের বেশি ভোটার পোস্টাল ব্যালটের জন্য নিবন্ধিত হয়েছেন এমন আসন রয়েছে ১৮টি। যেসব আসনে অল্প ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়, সেই আসনগুলোতে এ ভোট ফলনির্ণায়ক হতে পারে। ২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচনে ১০ হাজার ভোটের কম ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছিল কমপক্ষে ৩০টি আসনে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

৬ লাখ সরকারি চাকুরে দেবেন পোস্টাল ভোট

আপডেট টাইম : ০৯:৩৯:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

চাকরির কারণে নিজ এলাকার বাইরে থাকা সরকারি চাকরিজীবী ও নির্বাচনী দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এতদিন অন্যের ভোট দেখেই সন্তুষ্ট থাকতেন। এবার অবস্থা বদলাচ্ছে; পোস্টাল বিডি অ্যাপে রেজিস্ট্রেশন করে ভোটে অংশ নিচ্ছেন তারাও। প্রবাসীরাও এবার ভোটে অংশ নিচ্ছেন। সরকার বলছে, অন্যান্য দেশে গড়ে ২ শতাংশ প্রবাসী পোস্টাল ভোট দেয়, কিন্তু বাংলাদেশে প্রথমবারই পোস্টাল ভোটের জন্য আবেদন করেছে ৫ শতাংশ প্রবাসী।

এবার সরকারি চাকরিজীবীদের দারুণ অভিজ্ঞতা হবে। প্রায় ছয় লাখ সরকারি চাকরিজীবী পোস্টাল বিডি অ্যাপে নিবন্ধন করেছেন। মোট নিবন্ধিত ৭ লাখ ৬১ হাজার ১৩৬ জনের মধ্যে ৫ লাখ ৭৫ হাজার ২০০ জনই সরকারি চাকরিজীবী। ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করে সরকারি চাকরিজীবীদের সাধুবাদ পাচ্ছে নির্বাচন কমিশন।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠপ্রশাসন শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা দেশ রূপান্তরকে জানিয়েছেন, ৬৪ জেলার ডিসিই পোস্টাল ভোটের জন্য নিবন্ধন করেছেন। গত ২১ ডিসেম্বর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে চিঠি দিয়ে নিজ এলাকার বাইরে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিবন্ধন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ নির্দেশনার কথা সব মন্ত্রণালয়, সব বিভাগীয় কমিশনার ও সব জেলা প্রশাসককে জানানো হয়।

পোস্টাল বিডি অ্যাপের তথ্যানুযায়ী, এবার নিবন্ধন করেছেন মোট ৭ লাখ ৬১ হাজার ১৩৬ জন। তাদের মধ্যে সরকারি চাকরিজীবী ৫ লাখ ৭৫ হাজার ২০০ জন। নির্বাচনী দায়িত্বপ্রাপ্ত ১ লাখ ৬৯ হাজার ৬৪২ জন। আনসার ও ভিডিপি ১০ হাজার ১০ জন। কারাবন্দি ও আইনি হেফাজতে রয়েছেন এমন ব্যক্তি ৬ হাজার ২৮৪ জন।

এবারের নিয়ম অনুযায়ী, নিজ নির্বাচনী এলাকার বাইরে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি এবং কারাবন্দিরা পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থায় ভোট দিতে পারবেন। তবে আগে এ ব্যবস্থায় ভোট দিতে তেমন আগ্রহী ছিলেন না অনেকেই। আগে আইন

থাকলেও সুযোগ ছিল সীমিত। এবার ‘আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালট’-এ ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে ইসি। এজন্য নির্বাচনী আইনেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। ৫ জানুয়ারি ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে নিবন্ধন শেষ হয়েছে।

জনপ্রশাসন বিশ্লেষক ফিরোজ মিয়া দেশ রূাপন্তরকে বলেন, ‘সরকারি চাকরিজীবীরা দীর্ঘদিন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি দায়িত্ব পালনের জন্য। তথ্যপ্রযুক্তির উন্নতির কারণে সে সুযোগ এবার তৈরি হলো।’

পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক কাজী সায়েমুজ্জামান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘অ্যাপসে নিবন্ধন করেছি। নিবন্ধন প্রক্রিয়া সফল করতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের চিঠি দেওয়া হয়েছে।’

ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের কর্মকর্তা জাকির হোসেন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘খুবই ভালো লাগছে। চাকরিজীবনের ১৭ বছরে এই প্রথম ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছি।’

পুলিশ হেডকোয়ার্টারে দায়িত্বপ্রাপ্ত বেশ কয়েকজন ডিআইজি দেশ রূাপন্তরকে বলেন, ‘বুঝতেই পারছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য আর সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ নিশ্চিত করতে পুলিশ বাহিনীর ওপর কত চাপ থাকে। এবার দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি পোস্টাল ভোটের সুযোগ তৈরি হয়েছে। নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়া যাবে।’

নির্বাচন কমিশনের তথ্যানুযায়ী, জেলাভিত্তিক নিবন্ধনে শীর্ষে রয়েছে কুমিল্লা, ১ লাখ ১২ হাজার ৯০ জন নিবন্ধন করেছেন। এরপরই ঢাকায় ১ লাখ ৮ হাজার ৭৫৫ এবং চট্টগ্রামে ৯৫ হাজার ২৯৭ জন। আসনভিত্তিক নিবন্ধনে সবার ওপর রয়েছে ফেনী-৩ আসনে ১৬ হাজার ৯৩ জন। চট্টগ্রাম-১৫ আসনে ১৪ হাজার ৩০১ জন। গত ১৮ নভেম্বর উদ্বোধন হওয়া এ অ্যাপের মাধ্যমে বিশ্বের ১৪৮টি দেশের প্রবাসীরা নিবন্ধিত হয়েছেন।

এদিকে, ভোট শুরুর আগেই পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিওতে একটি বাসায় কয়েক ব্যক্তির কাছে অনেক ব্যালট পেপার দেখা গেছে। অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ওইসব ভিডিওতে দেখা গেছে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনেক পোস্টাল ব্যালট কয়েকজন মিলে গুনছেন। পোস্টাল ব্যালটের খামে বাহরাইনের ঠিকানা লেখা রয়েছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে গিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে এসেছে বিএনপি। দলটির পক্ষ থেকে পোস্টাল ব্যালটে প্রতীক-বিন্যাস নিয়েও আপত্তি জানানো হয়েছে।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, ৩০০ সংসদীয় আসনে নির্বাচনের জন্য ১৫ লাখ ২৭ হাজার ১৫৫ ভোটারের পোস্টাল ভোটে নিবন্ধন অনুমোদন করা হয়েছে। প্রবাসী ভোটারের সংখ্যা ৭ লাখ ৬০ হাজারের কিছু বেশি। বাকিরা দেশের ভেতরেই নিবন্ধন করেছেন; তাদের পৌনে ছয় লাখ সরকারি চাকরিজীবী, ১ লাখ ৬০ হাজার নির্বাচনী কর্মকর্তা, প্রায় ১০ হাজার আনসার-ভিডিপির সদস্য এবং ছয় হাজারের কিছু বেশি কারাবন্দি ব্যক্তি।

ইসির সংশ্লিষ্ট শাখার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিবন্ধিত ভোটারদের জন্য পোস্টাল ব্যালট পাঠানো শুরু হয়েছে, তবে শেষ হয়নি। ২০ জানুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহার ও ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের পর অ্যাপসের মাধ্যমে নিবন্ধিত ভোটারদের সংশ্লিষ্ট আসনের প্রার্থী ও প্রতীক জানানো হবে। এরপর তারা ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ১০ হাজারের বেশি ভোটার পোস্টাল ব্যালটের জন্য নিবন্ধিত হয়েছেন এমন আসন রয়েছে ১৮টি। যেসব আসনে অল্প ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়, সেই আসনগুলোতে এ ভোট ফলনির্ণায়ক হতে পারে। ২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচনে ১০ হাজার ভোটের কম ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছিল কমপক্ষে ৩০টি আসনে।