ঢাকা ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আপিলেও জাতীয় পার্টির মুজিবুল হক চুন্নুর মনোনয়ন বাতিল

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:১৪:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৫ বার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে করা আপিলেও জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের নির্বাহী চেয়ারম্যান ও জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মুজিবুল হক চুন্নুর মনোনয়নপত্র বাতিল বহাল রেখেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবন মিলনায়তনে ইসির আপিল শুনানির ষষ্ঠ দিনের প্রথমার্ধে সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত ৩৮১ থেকে ৪৩০ ক্রমিকের মোট ৫০টি আপিলের শুনানি শেষে এ সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়।

এ সময় জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের নির্বাহী চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মুজিবুল হক চুন্নুসহ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান (একাংশ) আনিসুল ইসলাম মাহমুদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টির আটজন প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল ঘোষণা করা হয়।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, দলীয় মনোনয়নপত্রে থাকা স্বাক্ষরের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা মনোনয়নপত্রের স্বাক্ষরের মিল না থাকায় কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মুজিবুল হক চুন্নু আপিলেও তার প্রার্থিতা ফিরে পাননি।

এর আগে গত ৪ জানুয়ারি কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মনোনয়ন যাচাই-বাছাই কার্যক্রম চলাকালে ঋণখেলাপি হওয়া এবং মনোনয়নপত্রে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর না থাকাসহ একাধিক ত্রুটির কারণে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা।

উল্লেখ্য, মুজিবুল হক চুন্নু জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান এবং আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে দুইবার মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি জাতীয় পার্টির মনোনীত ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী এলাকায় পোস্টার সাঁটান। তবে মনোনয়নপত্র ক্রয়, দাখিল ও যাচাই-বাছাইয়ের সময় তিনি সরাসরি উপস্থিত ছিলেন না।

এদিকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশত্যাগের পর থেকে মুজিবুল হক চুন্নু তার নিজ বাড়ি কিংবা নির্বাচনী এলাকা করিমগঞ্জ-তাড়াইল উপজেলায় একবারও আসেননি বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এ সময় করিমগঞ্জে তার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে ঝাড়ু মিছিলও অনুষ্ঠিত হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

আপিলেও জাতীয় পার্টির মুজিবুল হক চুন্নুর মনোনয়ন বাতিল

আপডেট টাইম : ১১:১৪:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে করা আপিলেও জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের নির্বাহী চেয়ারম্যান ও জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মুজিবুল হক চুন্নুর মনোনয়নপত্র বাতিল বহাল রেখেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবন মিলনায়তনে ইসির আপিল শুনানির ষষ্ঠ দিনের প্রথমার্ধে সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত ৩৮১ থেকে ৪৩০ ক্রমিকের মোট ৫০টি আপিলের শুনানি শেষে এ সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়।

এ সময় জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের নির্বাহী চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মুজিবুল হক চুন্নুসহ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান (একাংশ) আনিসুল ইসলাম মাহমুদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টির আটজন প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল ঘোষণা করা হয়।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, দলীয় মনোনয়নপত্রে থাকা স্বাক্ষরের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা মনোনয়নপত্রের স্বাক্ষরের মিল না থাকায় কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মুজিবুল হক চুন্নু আপিলেও তার প্রার্থিতা ফিরে পাননি।

এর আগে গত ৪ জানুয়ারি কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মনোনয়ন যাচাই-বাছাই কার্যক্রম চলাকালে ঋণখেলাপি হওয়া এবং মনোনয়নপত্রে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর না থাকাসহ একাধিক ত্রুটির কারণে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা।

উল্লেখ্য, মুজিবুল হক চুন্নু জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান এবং আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে দুইবার মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি জাতীয় পার্টির মনোনীত ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী এলাকায় পোস্টার সাঁটান। তবে মনোনয়নপত্র ক্রয়, দাখিল ও যাচাই-বাছাইয়ের সময় তিনি সরাসরি উপস্থিত ছিলেন না।

এদিকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশত্যাগের পর থেকে মুজিবুল হক চুন্নু তার নিজ বাড়ি কিংবা নির্বাচনী এলাকা করিমগঞ্জ-তাড়াইল উপজেলায় একবারও আসেননি বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এ সময় করিমগঞ্জে তার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে ঝাড়ু মিছিলও অনুষ্ঠিত হয়।