ঢাকা ১০:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
৩০০ কর্মকর্তার সমন্বয়ে নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি গঠন করল ইসি সুদানে সন্ত্রাসী হামলায় হতাহত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের পরিচয় জানাল আইএসপিআর সুষ্ঠু ভোটে বড় চ্যালেঞ্জ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দেশেই আছেন ওসমান হাদির ওপর হামলাকারী মূল আসামি: ডিএমপি ‘মনে হলো মাথায় বাজ পড়েছে’, হাদির গুলিবিদ্ধ হওয়া নিয়ে প্রতিক্রিয়া সিইসি’র এবার রাজধানীতে যাত্রীবাহী বাসে আগুন মেয়ের কথায় কীভাবে ১৮ কেজি কমালেন বাঁধন রাজাকারের ঘৃণাস্তম্ভে জুতা নিক্ষেপ, লক্ষ্যভেদে মিলছে পুরস্কার ডিমের উৎপাদন চাহিদার চেয়ে বেশি, দামে পতন: লোকসান বাড়ছে খামারিদের মাঠের বাইরে আমি একজন অলস মানুষ

ইউরোপ যুদ্ধ চাইলে আমরা এখনই প্রস্তুত : পুতিন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:২৮:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৫ বার

ইউক্রেন শান্তি চুক্তি নিয়ে মার্কিন দূতদের সঙ্গে আলোচনার প্রাক্কালে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউরোপের প্রতি চরম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেছেন, ইউরোপ যদি ‘যুদ্ধ চায় এবং শুরু করে, আমরা এখনই প্রস্তুত।’

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) মস্কোয় মার্কিন দূতদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে পুতিন এই মন্তব্য করেন। খবর বিবিসির।

এ সময় পুতিন আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত খসড়া শান্তি চুক্তিতে কিয়েভ ও ইউরোপের পক্ষ থেকে যে পরিবর্তনগুলো প্রস্তাব করা হয়েছে, তা রাশিয়ার কাছে অগ্রহণযোগ্য।

এই সাক্ষাৎ শেষে রুশ প্রেসিডেন্ট ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জ্যেষ্ঠ দূতদের মধ্যে পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক চলে। তবে অনুষ্ঠিত এই আলোচনায় বড় কোনো সাফল্য আসেনি।

ক্রেমলিনের একজন মুখপাত্র বৈঠকটিকে ‘গঠনমূলক’ বলে উল্লেখ করেন। তবে তিনি জানান, শান্তি পরিকল্পনার কিছু বিষয় রাশিয়ার কাছে এখনও অগ্রহণযোগ্য। কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জামাতা জ্যারেড কুশনার এই আলোচনায় অংশ নেন। মস্কো ছাড়ার পর মার্কিন দলটি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। অন্যদিকে রুশ প্রেসিডেন্টের পক্ষে ছিলেন তার দুই সহযোগী কিরিল দিমিত্রিয়েভ ও ইউরি উশাকভ।

পুতিনের জ্যেষ্ঠ সহযোগী ইউরি উশাকভ পরে নিশ্চিত করেন, তারা চুক্তির কিছু বিষয়ে একমত হলেও কিছু বিষয়ের সমালোচনা করেছেন। তবে এখনো কোনো আপসজনক সংস্করণে পৌঁছানো যায়নি। ইউক্রেনের নিয়ন্ত্রণাধীন অঞ্চল ছেড়ে দেওয়া ও ইউরোপের পক্ষ থেকে দেওয়া নিরাপত্তা গ্যারান্টি—এই দুটি বিষয় নিয়ে মস্কো ও কিয়েভের মধ্যে প্রধান মতপার্থক্য বজায় রয়েছে।

বৈঠকের আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছিলেন, এই যুদ্ধ শেষ করার সুযোগ এখন যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। তবে চুক্তিতে স্পষ্ট নিরাপত্তা গ্যারান্টি ও ন্যাটোর সদস্যপদ অন্তর্ভুক্ত করতে হবে—যেটি রাশিয়া বরাবরই বিরোধিতা করে আসছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

৩০০ কর্মকর্তার সমন্বয়ে নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি গঠন করল ইসি

ইউরোপ যুদ্ধ চাইলে আমরা এখনই প্রস্তুত : পুতিন

আপডেট টাইম : ১০:২৮:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

ইউক্রেন শান্তি চুক্তি নিয়ে মার্কিন দূতদের সঙ্গে আলোচনার প্রাক্কালে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউরোপের প্রতি চরম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেছেন, ইউরোপ যদি ‘যুদ্ধ চায় এবং শুরু করে, আমরা এখনই প্রস্তুত।’

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) মস্কোয় মার্কিন দূতদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে পুতিন এই মন্তব্য করেন। খবর বিবিসির।

এ সময় পুতিন আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত খসড়া শান্তি চুক্তিতে কিয়েভ ও ইউরোপের পক্ষ থেকে যে পরিবর্তনগুলো প্রস্তাব করা হয়েছে, তা রাশিয়ার কাছে অগ্রহণযোগ্য।

এই সাক্ষাৎ শেষে রুশ প্রেসিডেন্ট ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জ্যেষ্ঠ দূতদের মধ্যে পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক চলে। তবে অনুষ্ঠিত এই আলোচনায় বড় কোনো সাফল্য আসেনি।

ক্রেমলিনের একজন মুখপাত্র বৈঠকটিকে ‘গঠনমূলক’ বলে উল্লেখ করেন। তবে তিনি জানান, শান্তি পরিকল্পনার কিছু বিষয় রাশিয়ার কাছে এখনও অগ্রহণযোগ্য। কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জামাতা জ্যারেড কুশনার এই আলোচনায় অংশ নেন। মস্কো ছাড়ার পর মার্কিন দলটি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। অন্যদিকে রুশ প্রেসিডেন্টের পক্ষে ছিলেন তার দুই সহযোগী কিরিল দিমিত্রিয়েভ ও ইউরি উশাকভ।

পুতিনের জ্যেষ্ঠ সহযোগী ইউরি উশাকভ পরে নিশ্চিত করেন, তারা চুক্তির কিছু বিষয়ে একমত হলেও কিছু বিষয়ের সমালোচনা করেছেন। তবে এখনো কোনো আপসজনক সংস্করণে পৌঁছানো যায়নি। ইউক্রেনের নিয়ন্ত্রণাধীন অঞ্চল ছেড়ে দেওয়া ও ইউরোপের পক্ষ থেকে দেওয়া নিরাপত্তা গ্যারান্টি—এই দুটি বিষয় নিয়ে মস্কো ও কিয়েভের মধ্যে প্রধান মতপার্থক্য বজায় রয়েছে।

বৈঠকের আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছিলেন, এই যুদ্ধ শেষ করার সুযোগ এখন যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। তবে চুক্তিতে স্পষ্ট নিরাপত্তা গ্যারান্টি ও ন্যাটোর সদস্যপদ অন্তর্ভুক্ত করতে হবে—যেটি রাশিয়া বরাবরই বিরোধিতা করে আসছে।