ইরানের সামরিক বাহিনীর নৌবহরে একটি নতুন ভাসমান নৌঘাঁটি যুক্ত হয়েছে। একইসাথে ‘সাহান্দ’ ডেস্ট্রয়ার পুনরায় উন্মোচন করা হয়েছে। পুনরায় উন্মোচিত ডেস্ট্রয়ার জাহাজটি কয়েক মাস আগে বান্দর আব্বাসে এক দুর্ঘটনায় ডুবে গিয়েছিল।
ইরানের সেনা প্রধান মেজর জেনারেল আমির হাতামির সভাপতিত্বে একটি অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কুরদিস্তান’ নামের ভাসমান ঘাঁটিটিকে নৌবাহিনীতে যুক্ত করা হয়।এই অনুষ্ঠানে ‘সাহান্দ’ ডেস্ট্রয়ারের (মওজ শ্রেণীর তৃতীয় জাহাজ) পাশাপাশি দ্রুতগামী ক্ষেপণাস্ত্র বোট, মাল্টি-পারপাস মানববিহীন আকাশযান ইউনিট, বুদ্ধিমান মানববিহীন ডুবোযান এবং উপকূলীয় ও নৌ ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার, ক্ষেপণাস্ত্র ও গোয়েন্দা ব্যবস্থা উন্মোচন করা হয়।
সিস্তান ও বালুচিস্তান, হরমোজগান এবং কুরদিস্তান প্রদেশের ঊর্ধ্বতন প্রাদেশিক কর্মকর্তা এবং নৌবাহিনীর কর্মীদের পরিবারও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে দায়িত্ব পালনকালে নিহত তিন নৌ-সেনার পরিবারকে সম্মান জানানো হয়।
নৌবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৬ জুলাই বান্দর আব্বাসের একটি জেটিতে একটি দুর্ঘটনার পরে ‘সাহান্দ’ অপ্রত্যাশিতভাবে ডুবে গিয়েছিল।নৌবাহিনীর দলগুলো জাহাজটিকে আবার ভাসিয়ে তোলার জন্য টানা ১৪ দিন ধরে প্রযুক্তিগত ও উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেছিল।
‘কুরদিস্তান’ ভাসমান ঘাঁটিটিকে একটি বন্দর-শহর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এটি সমুদ্রে নৌ এবং অ-নৌ ইউনিটগুলিকে ব্যাপক সহায়তা দিতে সক্ষম।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই সংযোজনগুলির উদ্দেশ্য হলো নৌ-যুদ্ধের প্রস্তুতি শক্তিশালী করা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা তুলে ধরা, উদীয়মান হুমকির সঙ্গে মানানসই অস্ত্র প্রকল্পগুলির সম্প্রসারণ করা, নকশায় উদ্ভাবনকে চালিত করা এবং আন্তর্জাতিক পানিসীমায় কৌশলগত প্রসার গভীর করা।
সূত্রঃ মেহর নিউজ
Reporter Name 

























