ঢাকা ১২:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

কিশোরগঞ্জ–৪ (মিঠামইন–অষ্টগ্রাম–ইটনা) আলোচনার কেন্দ্রে অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:২৯:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫
  • ১২৬ বার

Oplus_16908288

এডভোকেট  ফজলুর রহমান (যাকে অনেকে অনলাইনে “ফজু পাগলা” বলেন): তাঁর কৌশল সফল হতে পারে কি না?

ফজলুর রহমান বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে জমে উঠেছে রাজনৈতিক অঙ্গন

কিশোরগঞ্জ-৪ (মিঠামইন–অষ্টগ্রাম–ইটনা) আসন ঘিরে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে রাজনৈতিক অঙ্গনে। বিএনপি সম্প্রতি এ আসনে অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করার পর হাওর অঞ্চলের রাজনীতিতে নীরব স্রোত বইতে শুরু করেছে।

দলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে মনোনয়ন পেলেও এর আগে জুলাই আন্দোলন–সংক্রান্ত মন্তব্যের জেরে দলীয় পদ সাময়িক স্থগিত ছিল তাঁর। তবুও নানা বিতর্ক, সমালোচনা ও আলোচনার মধ্যেই আবারও আলোচনার শীর্ষে উঠে এলেন এই আলোচিত আইনজীবী।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অনলাইনে ভাইরাল বক্তব্য, জনপ্রিয়তা এবং মাঠ পর্যায়ে সক্রিয়তার কারণে ফজলুর রহমান এখন বিএনপির শক্তিশালী ভরসা হিসেবে উঠে আসছেন। বিশেষত হাওরাঞ্চলের তরুণ ও প্রবাসী ভোটারদের মধ্যে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা ক্রমেই বাড়ছে।

দলীয় সূত্র বলছে, সাময়িক স্থগিতাদেশের পরও ফজলুর রহমানকে প্রার্থী করা বিএনপির কৌশলগত সিদ্ধান্ত। কেন্দ্রীয় নেতাদের ধারণা—হাওরাঞ্চলে স্থানীয় ইস্যু, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গ্রহণযোগ্যতা এবং সরকারের সমালোচনায় সরব অবস্থান তাঁকে এগিয়ে দেবে।

এক জনসভায় তিনি বলেছেন,
আগে জাতীয় নির্বাচন, পরে স্থানীয় নির্বাচন—এই দাবি বাস্তবায়নেই আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।

রাজনীতির মাঠ এখনো উত্তপ্ত নয়, তবে আসনটি ঘিরে আলোচনার মাত্রা প্রতিদিনই বাড়ছে। স্থানীয় ভোটারদের চোখ এখন অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানের দিকেই—তিনি কি সত্যিই হাওরাঞ্চলে বিএনপির জন্য ‘ব্রেকথ্রু’ এনে দিতে পারবেন, নাকি আবারও চিরাচরিত ভারসাম্যে ফিরে যাবে রাজনীতি?

সময়ই বলে দেবে—কিশোরগঞ্জ-৪ এবার ইতিহাস গড়বে নাকি একই ধারায় চলবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

কিশোরগঞ্জ–৪ (মিঠামইন–অষ্টগ্রাম–ইটনা) আলোচনার কেন্দ্রে অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান

আপডেট টাইম : ১২:২৯:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

এডভোকেট  ফজলুর রহমান (যাকে অনেকে অনলাইনে “ফজু পাগলা” বলেন): তাঁর কৌশল সফল হতে পারে কি না?

ফজলুর রহমান বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে জমে উঠেছে রাজনৈতিক অঙ্গন

কিশোরগঞ্জ-৪ (মিঠামইন–অষ্টগ্রাম–ইটনা) আসন ঘিরে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে রাজনৈতিক অঙ্গনে। বিএনপি সম্প্রতি এ আসনে অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করার পর হাওর অঞ্চলের রাজনীতিতে নীরব স্রোত বইতে শুরু করেছে।

দলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে মনোনয়ন পেলেও এর আগে জুলাই আন্দোলন–সংক্রান্ত মন্তব্যের জেরে দলীয় পদ সাময়িক স্থগিত ছিল তাঁর। তবুও নানা বিতর্ক, সমালোচনা ও আলোচনার মধ্যেই আবারও আলোচনার শীর্ষে উঠে এলেন এই আলোচিত আইনজীবী।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অনলাইনে ভাইরাল বক্তব্য, জনপ্রিয়তা এবং মাঠ পর্যায়ে সক্রিয়তার কারণে ফজলুর রহমান এখন বিএনপির শক্তিশালী ভরসা হিসেবে উঠে আসছেন। বিশেষত হাওরাঞ্চলের তরুণ ও প্রবাসী ভোটারদের মধ্যে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা ক্রমেই বাড়ছে।

দলীয় সূত্র বলছে, সাময়িক স্থগিতাদেশের পরও ফজলুর রহমানকে প্রার্থী করা বিএনপির কৌশলগত সিদ্ধান্ত। কেন্দ্রীয় নেতাদের ধারণা—হাওরাঞ্চলে স্থানীয় ইস্যু, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গ্রহণযোগ্যতা এবং সরকারের সমালোচনায় সরব অবস্থান তাঁকে এগিয়ে দেবে।

এক জনসভায় তিনি বলেছেন,
আগে জাতীয় নির্বাচন, পরে স্থানীয় নির্বাচন—এই দাবি বাস্তবায়নেই আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।

রাজনীতির মাঠ এখনো উত্তপ্ত নয়, তবে আসনটি ঘিরে আলোচনার মাত্রা প্রতিদিনই বাড়ছে। স্থানীয় ভোটারদের চোখ এখন অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানের দিকেই—তিনি কি সত্যিই হাওরাঞ্চলে বিএনপির জন্য ‘ব্রেকথ্রু’ এনে দিতে পারবেন, নাকি আবারও চিরাচরিত ভারসাম্যে ফিরে যাবে রাজনীতি?

সময়ই বলে দেবে—কিশোরগঞ্জ-৪ এবার ইতিহাস গড়বে নাকি একই ধারায় চলবে।