তারেক আমাদের বাড়িতে লজিং থাকত। এরপর সে আমার চাচাতো বোনকে ভাগিয়ে নিয়ে গেল। বিয়ে করল।
আমার লাইফে সিনেমা করে যত টাকা আয় করেছি।
আমরা খবরে নানা সময়েই শুনতে পাই পরিবারে যদি একজন উপার্জনক্ষম ব্যক্তি থাকে, ধরেন সেই মানুষটি গ্রামের বাইরে অন্য শহরে বা দেশে থাকে। তাহলে সেই ব্যক্তির টাকা নিয়ে সংসারের সব খরচ চলে। বাড়িঘর ঠিক করে, একতলা-দোতলা বানায়, পরিবারের সদস্যদের বিয়ে দেয়। আনন্দ-বিনোদনের জন্য যা প্রয়োজন তা কেনে। সুখে-শান্তিতে বসবাস করে। আর যার আয়ে এত কিছু চলছে সে যখন বাড়িতে আসে, তখন সে দেখতে পায় সবার থাকার জায়গা আছে, শুধু তারটা নেই। আমার ক্ষেত্রেও হয়েছে সেটা। আমার সব আত্মীয়র দেখাশোনা করেছি আমি, নানা সময়ে উপকার করেছি, আজ তারা আমার সঙ্গে প্রতারণা করছে।
ঢাকায় কোনো জমি-ফ্ল্যাট নেই
দেখেন, আমার নিজের কোনো সম্পদ নেই। আমি যদি চলচ্চিত্রে ফিরি, আবার কাজ শুরু করি। তাহলেও আগামী ১০ বছরে আমি সামান্য জমি কিনতে পারব না। আপনারা জানেন চলচ্চিত্রের কী অবস্থা এখন। এখন আমার সম্বল বলতে ওই খুলনায়। ঢাকায় আমার একটা ফ্ল্যাট পর্যন্ত নিজের নেই, ঢাকায় আমি কিছু করতে পারিনি। যা করেছি খুলনায়, এখন সেসব তারা লুটেপুটে খাচ্ছে। আমাকে দেবে না।
কোথায় গেলে পাব
আমি আসলে কোথায় গেলে আমার জমি ফেরত পাব। এই আমার দুধের বাচ্চাটাকে নিয়ে আদালতে যাচ্ছি, থানা পুলিশ করছি, সে এই বয়সেই সব দেখছে। আমি জানি তার ওপর কী প্রভাব পড়বে। কিন্তু আমি তো অপরাধবোধে ভুগছি। আমাকে কেউ সহায়তা করছে না। আমি বিগত আমলে খুলনায় থানায় গিয়ে কোনো সহায়তা পাইনি, এখনো পাচ্ছি না। আমি বিয়ে করেছি, বাচ্চা হয়েছে। শুধু এই এক কারণে আমি শান্তিতে নেই, ঠিকমতো সংসারও করতে পারছি না। আমি প্রতারণার শিকার, কোথায় গেলে সাহায্য পাব?
Reporter Name 
























