স্বাধীনতার বিরোধিতা থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত—প্রতিটি পর্যায়ে একই ধোঁকাবাজির রাজনীতি চালিয়ে এসেছে জামায়াতে ইসলাম। মুক্তিযুদ্ধের গবেষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ১৯৭১ সালের ভূমিকার পর দীর্ঘ পাঁচ দশকেও দলটি তাদের মুখোশ বদলায়নি; বরং সময় ও পরিস্থিতি বুঝে নিজেদের নতুনভাবে উপস্থাপনের কৌশলই চালিয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ধর্মীয় স্লোগান, জোট রাজনীতি, ছদ্মসংগঠনের কার্যক্রম—সবখানেই সুযোগসন্ধানী অবস্থানই জামায়াতের চিরচেনা রূপ। সাম্প্রতিক সময়েও বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে সক্রিয় হয়ে পুনরায় রাজনৈতিক মাঠে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা স্পষ্ট হয়েছে। এতে বিভ্রান্তি তৈরি হলেও জনগণ এখন অনেক বেশি সচেতন বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সংগঠনগুলোর অভিযোগ, ইতিহাসের দায় এড়াতে জামায়াত বারবার নতুন নামে, নতুন রূপে সামনে আসতে চাইলেও তাদের অতীত কর্মকাণ্ডই দলটির প্রধান বাধা। দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় স্বচ্ছতা, মানবিক মূল্যবোধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা—এই তিনের বিপরীতে দাঁড়িয়ে থাকা শক্তির কোনো মুখোশ-পরিবর্তনেই জনগণের আস্থা মিলবে না।
রাজনৈতিক মহলে এখন প্রশ্ন—দীর্ঘ বিতর্কের ইতিহাস নিয়ে জামায়াত কি সত্যিই নতুন করে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করতে পারবে? বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘ধোঁকাবাজির’ এই দীর্ঘ ধারার কারণে তাদের সামনে চ্যালেঞ্জই বেশি, সম্ভাবনা কম।
Reporter Name 























