কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার তমিজা খাতুন সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আবেদা আক্তার জাহানের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ এনে তাঁর অপসারণের দাবিতে শিক্ষা উপদেষ্টার বরাবরে এলাকার বিশিষ্টজনেরা অভিযোগ দায়ের করেছেন।
জানা গেছে তমিজা খাতুন সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আবেদা আক্তার জাহান আইন-কানুনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা করে আসছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তার স্বামী আব্দুল হক নুরুর ও ভাসুর সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের হাত ধরে প্রধান শিক্ষিকার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। প্রধান শিক্ষিকা আবেদা আক্তারের স্বামী হাওরের সম্রাট হিসেবে পরিচিত আব্দুল হক এই বিদ্যালয়ের সভাপতির পদ দখল করে রাখেন ২৫ বছর। ঐ সময় ক্ষমতার দাপটে স্বিধি বিধান উপেক্ষা করে এই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে আবেদা আক্তার জাহান প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়। এলাকার জনসাধারনের নিজস্ব অর্থায়নে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রধান শিক্ষিকার দায়িত্ব নিয়ে তিনি মোটেও দায়িত্ব পালন করেননি । ঢাকাতে বসবাস করে বিদ্যালয় পরিচালনা করতেন। মাঝেমধ্যে বিদ্যালয়ে এসে টুকিটাকি কাজ করে যেতেন। আওয়ামী লীগ সরকার পালানোর পর দীর্ঘদিন তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। এখন ও তিনি মাঝেমধ্যে বিদ্যালয়ে আসেন এবং অভিযোগ উঠেছে তিনি এখন নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও মহিলা লীগকে নিয়ে বিদ্যালয়ের ভিতরে গোপন বৈঠক করছেন শক্তি বৃদ্ধির জন্য।
৭১ জনের স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে বিদ্যালয়েরর প্রধান শিক্ষিকা আবেদা আক্তার জাহান ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমল থেকে এখন পর্যন্ত অনিয়ম ভাবে বিদ্যালয়টি নিজের ইচ্ছামত পরিচালনা করছেন।
তাঁর স্বেচ্ছাচারিতা ও অনিয়মের কারণে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। তিনি ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে ও অভিযোগ রয়েছে।
অ্যাডভোকেট ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রধান শিক্ষিকার লাগামহীন দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে অভিভাবক ও স্থানীয় বাসী চরমভাবে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাকে অপসারণ ও প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে ১৭ নভেম্বর ৭১ জন বিশিষ্ট ব্যক্তির স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগ পত্র শিক্ষা উপদেষ্টার বরাবরে দায়ের করা হয়েছে।
Reporter Name 























