ঢাকা ০৯:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আওয়ামী দোসরদের পিআর কোটা, পিআর কোটা চালু মানে জনগণের ভোটাধিকার হরণ করা 

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:০৫:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১১৭ বার

Oplus_16908288

মো. ফরিদুল আলমঃ বর্তমান রাজনৈতিক  বাস্তবতায় নিয়োগ ও মনোনয়নের ক্ষেত্রে একটি নতুন বিতর্ক উঠেছে—যা নিয়ে ছাত্র, যুব সমাজ ও সচেতন মহলে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। বিসিএস পরীক্ষায় যেসব প্রার্থী মেধায় পেছনে থাকতো, তাদের চাকরি নিশ্চিত করতেই কোটা ব্যবস্থার অপব্যবহার শুরু হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। সেই কোটা সংস্কারের জন্য আন্দোলনে প্রাণ দিয়েছিল দেশের অনেক তরুণ। আজ আবারও সেই কোটা পদ্ধতির নতুন রূপ “পিআর কোটা” চালুর মাধ্যমে মেধার অপমান করা হচ্ছে বলে দাবি উঠেছে।

আন্দোলনকারীরা বলছেন, পিআর (প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) বা দলীয় অনুপাতভিত্তিক মনোনয়নের মাধ্যমে জনগণের ভোটে নির্বাচিত না হওয়া অযোগ্য ব্যক্তিদের এমপি বানানো হচ্ছে দলীয় প্রধানের ইচ্ছায়। এটি একটি ‘নতুন কোটারূপ’ হিসেবে দেখা দিয়েছে, যেখানে মেধা, জনপ্রিয়তা ও জনগণের রায়কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এক ধরনের স্বৈরাচারী প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, যেই কোটা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে লাখো তরুণ রাজপথে নেমেছিল, যাদের রক্তে ভেসেছিল রাজপথ, আজ আবার সেই কোটা ফিরে আসছে নতুন নামে—পিআর কোটা। তারা এটিকে “জুলাই বিপ্লবের কবর” বলেও আখ্যায়িত করেছেন।

আন্দোলনকারীদের দাবি, পিআর কোটা শুধু একটি রাজনৈতিক কৌশল নয়, এটি জনগণের ভোটাধিকার খর্ব করার ষড়যন্ত্র। মুক্তিযোদ্ধা কোটার অপব্যবহারকে ধ্বংস করে আজ দলীয় আনুগত্যের ভিত্তিতে সংসদ সদস্য বানানোর যে প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, তা ভবিষ্যৎ গণতন্ত্রের জন্য ভয়াবহ ইঙ্গিত বহন করে।

তিনি সকলকে আহ্বান জানান , দেশের সচেতন নাগরিকরা যেন এই পিআর কোটার বিরুদ্ধে সোচ্চার হন এবং গণতন্ত্রকে দলীয় স্বৈরশাসনের হাত থেকে রক্ষা করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

আওয়ামী দোসরদের পিআর কোটা, পিআর কোটা চালু মানে জনগণের ভোটাধিকার হরণ করা 

আপডেট টাইম : ০৪:০৫:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মো. ফরিদুল আলমঃ বর্তমান রাজনৈতিক  বাস্তবতায় নিয়োগ ও মনোনয়নের ক্ষেত্রে একটি নতুন বিতর্ক উঠেছে—যা নিয়ে ছাত্র, যুব সমাজ ও সচেতন মহলে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। বিসিএস পরীক্ষায় যেসব প্রার্থী মেধায় পেছনে থাকতো, তাদের চাকরি নিশ্চিত করতেই কোটা ব্যবস্থার অপব্যবহার শুরু হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। সেই কোটা সংস্কারের জন্য আন্দোলনে প্রাণ দিয়েছিল দেশের অনেক তরুণ। আজ আবারও সেই কোটা পদ্ধতির নতুন রূপ “পিআর কোটা” চালুর মাধ্যমে মেধার অপমান করা হচ্ছে বলে দাবি উঠেছে।

আন্দোলনকারীরা বলছেন, পিআর (প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) বা দলীয় অনুপাতভিত্তিক মনোনয়নের মাধ্যমে জনগণের ভোটে নির্বাচিত না হওয়া অযোগ্য ব্যক্তিদের এমপি বানানো হচ্ছে দলীয় প্রধানের ইচ্ছায়। এটি একটি ‘নতুন কোটারূপ’ হিসেবে দেখা দিয়েছে, যেখানে মেধা, জনপ্রিয়তা ও জনগণের রায়কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এক ধরনের স্বৈরাচারী প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, যেই কোটা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে লাখো তরুণ রাজপথে নেমেছিল, যাদের রক্তে ভেসেছিল রাজপথ, আজ আবার সেই কোটা ফিরে আসছে নতুন নামে—পিআর কোটা। তারা এটিকে “জুলাই বিপ্লবের কবর” বলেও আখ্যায়িত করেছেন।

আন্দোলনকারীদের দাবি, পিআর কোটা শুধু একটি রাজনৈতিক কৌশল নয়, এটি জনগণের ভোটাধিকার খর্ব করার ষড়যন্ত্র। মুক্তিযোদ্ধা কোটার অপব্যবহারকে ধ্বংস করে আজ দলীয় আনুগত্যের ভিত্তিতে সংসদ সদস্য বানানোর যে প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, তা ভবিষ্যৎ গণতন্ত্রের জন্য ভয়াবহ ইঙ্গিত বহন করে।

তিনি সকলকে আহ্বান জানান , দেশের সচেতন নাগরিকরা যেন এই পিআর কোটার বিরুদ্ধে সোচ্চার হন এবং গণতন্ত্রকে দলীয় স্বৈরশাসনের হাত থেকে রক্ষা করেন।