ঢাকা ০২:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সততা ও দক্ষতায় আপসহীন হতে হবে: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী মারা গেছেন আলোচিত সেই ‌‘সিরিয়াল কিলার’ সাইকো সম্রাট গুপ্ত এবং অদৃশ্য শক্তির বিরুদ্ধে ভোট করতে হয়েছে: পানিসম্পদ মন্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রে জুবাইদা রহমান ইরান যুদ্ধে ট্রাম্পের নতি স্বীকার: ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম থেকে পিছুটান ট্রাম্পের আলোচনার দাবিকে উড়িয়ে দিল ইরান, ‘কোনো আলোচনাই হয়নি’—আরাগচি ভুয়া চিকিৎসক দিয়ে অস্ত্রোপচার, ডক্টরস কেয়ার হাসপাতাল সিলগালা গাবতলী থেকে স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত তোরণ-পোস্টার লাগানো নিষেধ শারীরিক অবস্থার উন্নতি কথা বলতে পারছেন মির্জা আব্বাস, দোয়া চেয়েছে পরিবার অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টে তারেক রহমানকে ‌অভিনন্দন জানিয়ে প্রস্তাব উত্থাপন

ফজরের সুন্নতের পর আগের কাজা নামাজ পড়া যাবে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:২৯:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৪৪ বার

প্রশ্ন: আমরা জানি যে, ফজরের ওয়াক্ত হয়ে যাওয়ার পর ফজরের সুন্নত ব্যতীত অন্য নফল নামাজ পড়া যায় না। আমি জানতে চাচ্ছি যে, পেছনের জীবনের কাজা নামাজ তখন পড়া যাবে কি না?

উত্তর: জী, ফজরের ওয়াক্ত হওয়ার পর ফজরের দুই রাকাত সুন্নত ব্যতীত কোনো নফল নামাজ পড়া মাকরূহ। তবে এ সময়ে কাজা নামাজ পড়া যাবে।

ঘুমের কারণে ফজর নামাজ পড়তে না পারলে যা করবেন

প্রত্যেকের উচিত প্রতিদিন কষ্ট হলেও ফজর নামাজ জামাতের সঙ্গে মসজিদে এসে আদায় করা। তবে একান্ত যদি কোনও কারণে ফজরের সময় কেউ জাগতে না পারে এবং একেবারে সূর্যোদয়ের কিছুক্ষণ আগে ঘুম ভাঙে এক্ষেত্রে কিভাবে নামাজ পড়বে এ বিষয়ে আলেমদের দিক-নির্দেশনা হলো-

সূর্যোদয়ের কয়েক মিনিট আগে ঘুম থেকে ওঠার পর যদি মনে হয় যে, সংক্ষেপে ফজরের সুন্নত ও ফরজ উভয়টাই সূর্যোদয়ের আগেই আদায় করা যাবে তাহলে সুন্নত ও ফরজ উভয়টাই আদায় করে নিতে হবে।

আর যদি মনে হয় সুন্নত পড়তে গেলে এরমধ্যেই সূর্য ওঠে যাবে তাহলে সে ক্ষেত্রে শুধু ফরজ পড়ে নিতে হবে এবং সুন্নত সূর্যোদয়ের ১৫-২০ মিনিট পর আদায় করতে হবে। ফরজ আদায়ের পর সূর্যোদয়ের আগে সুন্নত নামাজ পড়বে না।

কারণ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি ফজরের দুই রাকাত সুন্নত (ফরজের পূর্বে) আদায় করতে পারেনি সে সূর্য উঠার পর তা আদায় করবে। -(তিরমিজি, ৪২৩)

আর কখনো যদি ঘটনাক্রমে সুন্নত পড়ার পর দেখা যায় যে সূর্য উঠার প্রায় নিকটবর্তী, তাহলে তখন আর ফরজ পড়বে না। কারণ সূর্য উঠার সময়ে ফজরের নামাজ পড়লে সেই নামাজ হয় না। (সহিহ মুসলিম ১৩৭৩)

সূত্র: সহিহ মুসলিম, হাদিস ৭২৩; কিতাবুল আছল ১/১২৬; হালবাতুল মুজাল্লী ১/৬৫২-৬৫৩; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ২/১৫; শরহুল মুনইয়াহ ২৩৮

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সততা ও দক্ষতায় আপসহীন হতে হবে: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী

ফজরের সুন্নতের পর আগের কাজা নামাজ পড়া যাবে

আপডেট টাইম : ০৬:২৯:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

প্রশ্ন: আমরা জানি যে, ফজরের ওয়াক্ত হয়ে যাওয়ার পর ফজরের সুন্নত ব্যতীত অন্য নফল নামাজ পড়া যায় না। আমি জানতে চাচ্ছি যে, পেছনের জীবনের কাজা নামাজ তখন পড়া যাবে কি না?

উত্তর: জী, ফজরের ওয়াক্ত হওয়ার পর ফজরের দুই রাকাত সুন্নত ব্যতীত কোনো নফল নামাজ পড়া মাকরূহ। তবে এ সময়ে কাজা নামাজ পড়া যাবে।

ঘুমের কারণে ফজর নামাজ পড়তে না পারলে যা করবেন

প্রত্যেকের উচিত প্রতিদিন কষ্ট হলেও ফজর নামাজ জামাতের সঙ্গে মসজিদে এসে আদায় করা। তবে একান্ত যদি কোনও কারণে ফজরের সময় কেউ জাগতে না পারে এবং একেবারে সূর্যোদয়ের কিছুক্ষণ আগে ঘুম ভাঙে এক্ষেত্রে কিভাবে নামাজ পড়বে এ বিষয়ে আলেমদের দিক-নির্দেশনা হলো-

সূর্যোদয়ের কয়েক মিনিট আগে ঘুম থেকে ওঠার পর যদি মনে হয় যে, সংক্ষেপে ফজরের সুন্নত ও ফরজ উভয়টাই সূর্যোদয়ের আগেই আদায় করা যাবে তাহলে সুন্নত ও ফরজ উভয়টাই আদায় করে নিতে হবে।

আর যদি মনে হয় সুন্নত পড়তে গেলে এরমধ্যেই সূর্য ওঠে যাবে তাহলে সে ক্ষেত্রে শুধু ফরজ পড়ে নিতে হবে এবং সুন্নত সূর্যোদয়ের ১৫-২০ মিনিট পর আদায় করতে হবে। ফরজ আদায়ের পর সূর্যোদয়ের আগে সুন্নত নামাজ পড়বে না।

কারণ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি ফজরের দুই রাকাত সুন্নত (ফরজের পূর্বে) আদায় করতে পারেনি সে সূর্য উঠার পর তা আদায় করবে। -(তিরমিজি, ৪২৩)

আর কখনো যদি ঘটনাক্রমে সুন্নত পড়ার পর দেখা যায় যে সূর্য উঠার প্রায় নিকটবর্তী, তাহলে তখন আর ফরজ পড়বে না। কারণ সূর্য উঠার সময়ে ফজরের নামাজ পড়লে সেই নামাজ হয় না। (সহিহ মুসলিম ১৩৭৩)

সূত্র: সহিহ মুসলিম, হাদিস ৭২৩; কিতাবুল আছল ১/১২৬; হালবাতুল মুজাল্লী ১/৬৫২-৬৫৩; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ২/১৫; শরহুল মুনইয়াহ ২৩৮