ঢাকা ১১:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লিগস কাপের ফাইনালে হারল মেসির দল মায়ামি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:২৫:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১১৫ বার

দিন কয়েক আগে সৌদি সুপার কাপের শিরোপা লড়াইয়ে হেরেছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। এবার লিগস কাপের ফাইনালে একইরকম তেতো স্বাদ পেলেন লিওনেল মেসি। বাংলাদেশ সময় আজ ভোরে অনুষ্ঠিত ফাইনালে সিয়াটল সাউন্ডার্সের কাছে ৩-০ ব্যবধানে হেরেছে মেসির দল ইন্টার মায়ামি। এই হারে মেসির ৪৭তম শিরোপা হাতে তোলার অপেক্ষা আরও দীর্ঘায়িত হল।

সিয়াটলের লুমেন ফিল্ডে প্রায় ৭০ হাজার দর্শক খেলা দেখতে এসেছিলেন। যা নতুন রেকর্ড। বিপুল সংখ্যক দর্শকের সামনে আক্রমণ ও বল দখলে এগিয়ে থাকলেও সুযোগ তৈরিতে পিছিয়ে ছিল মায়ামি। ৬৮ শতাংশ বলের দখল রেখে ১০টি শট নিলেও একটিও লক্ষ্যে রাখতে পারেনি তারা। অন্য দিকে মাত্র ৩২ শতাংশ বলের দখল রাখা সিয়াটল ১১ শটের ৭টিই রেখেছে লক্ষ্যে।

ম্যাচের প্রথমার্ধে এক এবং দ্বিতীয়ার্ধে আরও দুই গোল করেছে সিয়াটল। এদিন ম্যাচের ২৬ মিনিটে ওয়াশিংটনের ক্লাবটিকে এগিয়ে দেন ওসাজে ডি রোজারিও। ক্রিস্টিয়ান রোলডানের দুর্দান্ত এক ক্রসে হেড দিয়ে গোল করেন তিনি। পিছিয়ে পড়ে ম্যাচে ফিরতে মরিয়া চেষ্টা করে মায়ামি। কিন্তু বারবার কাছাকাছি গিয়ে ব্যর্থ হয়েছে তারা।

বিশেষ করে ম্যাচের ৫০ মিনিটে গোলরক্ষককে একা পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন মেসি। সুয়ারেজের দারুণভাবে বাড়িয়ে দেওয়া বলটি অবিশ্বাস্যভাবে পোস্টের ওপর দিয়ে বাইরে পাঠান তিনি। এই ফাইনালে অবশ্য সব মিলিয়ে ভুলে যাওয়ার মতোই একটি ম্যাচ খেললেন মেসি। ৯০ মিনিট মাঠে থেকে ৫টি শট নিয়েছেন, সবই লক্ষ্যভ্রষ্ট।

মেসি পুরো সময়ে শুধু একটি সুযোগই তৈরি করতে পেরেছেন। এমনকি ৬ বার ড্রিবলের চেষ্টা করে সফল হয়েছেন মাত্র একবার। অন্য দিকে মেসির নিষ্প্রভ থাকার দিনটিকে কাজে লাগাতে ভুল করেনি সিয়াটল। ম্যাচের ৮৪ ম্যাচে পেনাল্টি গোলে সিয়াটলের জয় একরকম নিশ্চিত করে ফেলেন রোলডান।

বিপজ্জনকভাবে বক্সে ঢুকে পড়া গিওর্গি মিনুংগুকে থামাতে গিয়ে তাকে ফাউল করে সিয়াটলকে পেনাল্টি উপহার দেন মায়ামির ইয়ান্নিক ব্রাইট। এই গোলের পর মায়ামির ক্ষত বাড়িয়ে ৮৯ মিনিটে আরও একটি গোল করে সিয়াটল। এবার দারুণ এক শটে লক্ষ্যভেদ করেন পল রথরক। এই গোলেই নিশ্চিত হয় লিগস কাপের ফাইনালে মায়ামির বড় হার।

ম্যাচ শেষে মাঠের লড়াইয়ে জিততে না পারার হতাশায় সিয়াটলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন মায়ামির খেলোয়াড়রা। এ সময় মারামারি থামাতে হস্তক্ষেপ করতে হয় কর্মকর্তাদের। সর্বশেষ ২০২৪ সালে ইন্টার মায়ামির হয়ে সাপোটার্স শিল্ড জেতা মেসির আপাতত আরেকটি শিরোপা জয়ের অপেক্ষা আরও বাড়ল।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

লিগস কাপের ফাইনালে হারল মেসির দল মায়ামি

আপডেট টাইম : ১১:২৫:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

দিন কয়েক আগে সৌদি সুপার কাপের শিরোপা লড়াইয়ে হেরেছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। এবার লিগস কাপের ফাইনালে একইরকম তেতো স্বাদ পেলেন লিওনেল মেসি। বাংলাদেশ সময় আজ ভোরে অনুষ্ঠিত ফাইনালে সিয়াটল সাউন্ডার্সের কাছে ৩-০ ব্যবধানে হেরেছে মেসির দল ইন্টার মায়ামি। এই হারে মেসির ৪৭তম শিরোপা হাতে তোলার অপেক্ষা আরও দীর্ঘায়িত হল।

সিয়াটলের লুমেন ফিল্ডে প্রায় ৭০ হাজার দর্শক খেলা দেখতে এসেছিলেন। যা নতুন রেকর্ড। বিপুল সংখ্যক দর্শকের সামনে আক্রমণ ও বল দখলে এগিয়ে থাকলেও সুযোগ তৈরিতে পিছিয়ে ছিল মায়ামি। ৬৮ শতাংশ বলের দখল রেখে ১০টি শট নিলেও একটিও লক্ষ্যে রাখতে পারেনি তারা। অন্য দিকে মাত্র ৩২ শতাংশ বলের দখল রাখা সিয়াটল ১১ শটের ৭টিই রেখেছে লক্ষ্যে।

ম্যাচের প্রথমার্ধে এক এবং দ্বিতীয়ার্ধে আরও দুই গোল করেছে সিয়াটল। এদিন ম্যাচের ২৬ মিনিটে ওয়াশিংটনের ক্লাবটিকে এগিয়ে দেন ওসাজে ডি রোজারিও। ক্রিস্টিয়ান রোলডানের দুর্দান্ত এক ক্রসে হেড দিয়ে গোল করেন তিনি। পিছিয়ে পড়ে ম্যাচে ফিরতে মরিয়া চেষ্টা করে মায়ামি। কিন্তু বারবার কাছাকাছি গিয়ে ব্যর্থ হয়েছে তারা।

বিশেষ করে ম্যাচের ৫০ মিনিটে গোলরক্ষককে একা পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন মেসি। সুয়ারেজের দারুণভাবে বাড়িয়ে দেওয়া বলটি অবিশ্বাস্যভাবে পোস্টের ওপর দিয়ে বাইরে পাঠান তিনি। এই ফাইনালে অবশ্য সব মিলিয়ে ভুলে যাওয়ার মতোই একটি ম্যাচ খেললেন মেসি। ৯০ মিনিট মাঠে থেকে ৫টি শট নিয়েছেন, সবই লক্ষ্যভ্রষ্ট।

মেসি পুরো সময়ে শুধু একটি সুযোগই তৈরি করতে পেরেছেন। এমনকি ৬ বার ড্রিবলের চেষ্টা করে সফল হয়েছেন মাত্র একবার। অন্য দিকে মেসির নিষ্প্রভ থাকার দিনটিকে কাজে লাগাতে ভুল করেনি সিয়াটল। ম্যাচের ৮৪ ম্যাচে পেনাল্টি গোলে সিয়াটলের জয় একরকম নিশ্চিত করে ফেলেন রোলডান।

বিপজ্জনকভাবে বক্সে ঢুকে পড়া গিওর্গি মিনুংগুকে থামাতে গিয়ে তাকে ফাউল করে সিয়াটলকে পেনাল্টি উপহার দেন মায়ামির ইয়ান্নিক ব্রাইট। এই গোলের পর মায়ামির ক্ষত বাড়িয়ে ৮৯ মিনিটে আরও একটি গোল করে সিয়াটল। এবার দারুণ এক শটে লক্ষ্যভেদ করেন পল রথরক। এই গোলেই নিশ্চিত হয় লিগস কাপের ফাইনালে মায়ামির বড় হার।

ম্যাচ শেষে মাঠের লড়াইয়ে জিততে না পারার হতাশায় সিয়াটলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন মায়ামির খেলোয়াড়রা। এ সময় মারামারি থামাতে হস্তক্ষেপ করতে হয় কর্মকর্তাদের। সর্বশেষ ২০২৪ সালে ইন্টার মায়ামির হয়ে সাপোটার্স শিল্ড জেতা মেসির আপাতত আরেকটি শিরোপা জয়ের অপেক্ষা আরও বাড়ল।