ঢাকা ০৮:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যা আছে ডিপিএল স্পট ফিক্সিংয়ের ফরেনসিক প্রতিবেদনে প্রমাণ না পেলেও শাস্তির সুপারিশ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:২২:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৫
  • ৬৫ বার

ঘরোয়া ক্রিকেটের সর্বশেষ মৌসুম ছিল ফিক্সিংয়ের সন্দেহে জেরবার। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) খেলা একাধিক ক্রিকেটার এর সঙ্গে যুক্ত বলে কানাঘুষা ছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তিন সদস্যের স্বাধীন তদন্ত কমিটিও গঠন করে দেয় ফারুক আহমেদের নেতৃত্বাধীন বোর্ড। সেই কমিটির জেরা চলাকালীন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগেও (ডিপিএল) ফিক্সিংয়ের সন্দেহ প্রকাশ্য হয়ে যায় একটি ম্যাচে দুটি স্টাম্পিংয়ের ঘটনায়, যা এতটাই দৃষ্টিকটু ছিল যে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) দুর্নীতিবিরোধী বিভাগকে (আকু) তা নিয়ে তদন্তে নামার নির্দেশও দেয়।

ক্রিকেট ক্যালেন্ডারে নতুন আরেকটি মৌসুম শুরুর আগে তদন্তকারীরা তাঁদের কাজ শেষও করেছেন। আগামী সপ্তাহে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম দেশে ফিরলে তদন্ত প্রতিবেদন তাঁর হাতে তুলে দেবে আকু। এর আগে সেই তদন্তের অংশ হিসেবে গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে অভিযুক্ত তিন ক্রিকেটারের মোবাইল ফোনের ফরেনসিক প্রতিবেদনসহ বিস্তারিত কালের কণ্ঠের হাতে এসেছে। তবে ৬০ পাতার ফরেনসিক প্রতিবেদনে  অভিযোগ প্রমাণ করার মতো কোনো তথ্য মেলেনি।

পাওয়া যায়নি মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বড় অঙ্কের কোনো লেনদেনের প্রমাণও। সাক্ষ্য-প্রমাণ না থাকলেও তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগে ফেঁসে যাচ্ছেন অভিযুক্তরা। এই অপরাধে তাঁদের বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তির সুপারিশও করেছে তদন্ত কমিটি। যে ম্যাচকে ঘিরে এত কিছু, সেটি হয় গত ৯ এপ্রিল।

মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে গুলশান ক্রিকেট ক্লাবের মুখোমুখি হয়েছিল শাইনপুকুর। ওই ম্যাচের দুটো অদ্ভুতুড়ে স্টাম্পিংয়ের সঙ্গে ফিক্সিংয়ের যোগসূত্র থাকতে পারে বলে সন্দেহ হয় অনেকেরই। এর সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তিন ক্রিকেটার মিনহাজুল আবেদীন সাব্বির, আলিফ হাসান ইমন এবং রহিম আহমেদকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করার পাশাপাশি মাঠে নিয়ে তাঁদের দিয়ে ‘পুনরাভিনয়’ করানোর দৃশ্য হাস্যরসেরও জোগান দেয়। জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত ক্রিকেটাররা বারবার একই কথার পুনরাবৃত্তি করেন বলে জানা গেছে। সেই সঙ্গে নিজেদের নির্দোষ এবং ফিক্সিংয়ের মতো কিছুতে জড়িত নন বলে লাগাতার দাবি করে গেছেন।

তবে ভুয়া ই-মেইল আইডি দিয়ে তদন্তকারীদের বিভ্রান্ত করার অভিযোগও আছে তাঁদের বিরুদ্ধে। তাঁদের মধ্যে একজনের ই-মেইল পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা। তবে সেই ই-মেইলের সঙ্গে যুক্ত ফোন নম্বরটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের। অথচ সেই ক্রিকেটার কোনো দিন সে দেশে যাননি বলেই তদন্তে বেরিয়ে আসে, যা সন্দেহকে ঘনীভূত করে আরো।

বাধ্য হয়ে ওই তিন অভিযুক্ত ক্রিকেটারের ফোন ফরেনসিকে পাঠায় তদন্তকারী দল। সেখানে কিছুটা অসংগতি পাওয়া গেলেও অপরাধের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফরেনসিক প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করে সেই খেলোয়াড়দের নিয়ে উপসংহারে পৌঁছেছেন তদন্তকারীরা। যেখানে সাক্ষ্য-প্রমাণ না থাকায় শুধুই তদন্তে সহযোগিতা না করার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে তাঁদের। তিন ক্রিকেটারকে অভিযুক্ত করা হয়েছে বিসিবির দুর্নীতিবিরোধী কোডের ২.৪.৬ ধারায়। পাশাপাশি ফরেনসিকের জন্য নিজের আইফোন ১৩ মোবাইলের পাসওয়ার্ড দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় আলিফের বিপক্ষে যুক্ত করা হয়েছে ২.৪.৭ ধারাও। জানা গেছে, এই ধরনের অভিযোগে চার মাস থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত নিষিদ্ধ হওয়ার বিধান রয়েছে। তবে বিসিবির এক পরিচালক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, প্রমাণের অভাব থাকায় সভাপতি আমিনুল ইসলাম তরুণ এই ক্রিকেটারদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে সর্বনিম্ন সাজার পক্ষে।

মিনহাজুলের মোবাইল থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের আটটি অ্যাকাউন্টে তিন হাজার ২১৮ বার কথোপকথনের তথ্য পেয়েছে ফরেনসিক বিভাগ। যেখানে শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাবের অধিনায়ক রায়ান রাফসান এবং ‘ইমন ভাই’ নামে সেভ করা একটি নম্বরে বহুবার কথা হয়েছে মিনহাজুলের। তবে কিছু বার্তা মুছে ফেলেন দুজনই। এ ছাড়া মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ২২৮টি লেনদেনের মাধ্যমে বেশ কিছু টাকার লেনদেনের তথ্যও মিলেছে। অবশ্য এর কোনোটিই ফিক্সিংয়ের সন্দেহকে জোরালো করার মতো নয়। সর্বোচ্চ লেনদেন ২০ হাজার ২৫৯ টাকার।

রহিমের মোবাইল থেকেও তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাননি তদন্তকারীরা। এই ক্রিকেটারও রায়ান রাফসান এবং ‘ইমন’ নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করেছেন বলে জানা যায়। তবে সন্দেহ ছিল একই নম্বরে ৩৮৯ বার কথা বলা নিয়ে। তা ছাড়া ইমনের সঙ্গে বার্তা-চালাচালির কৌশল নিয়েও প্রশ্ন ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সেসব বার্তা ফিক্সিং কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় বলেই নিশ্চিত করেছে ফরেনসিক বিভাগ। রহিমের মোবাইল ব্যাংকিংয়েও অসামঞ্জস্যপূর্ণ লেনদেন লক্ষ করা যায়নি। সর্বোচ্চ লেনদেন দুই হাজার ৬৪১ টাকা।

গুলশান ক্রিকেট ক্লাবের খেলোয়াড় আলিফ হাসান ইমনের মোবাইলটি লক করা থাকলেও ফরেনসিকে সব তথ্য পাওয়া গেছে। সেখানেও দেখা যায় ১ থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত রায়ান রাফসানের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল তাঁর। সর্বশেষ ছয় মাসে একটি নম্বরে সর্বাধিক ২৪৫ বার কথা হয়েছে এই ক্রিকেটারের। মোবাইল ব্যাংকিংয়েও অতিমাত্রার কোনো লেনদেন নেই। সর্বোচ্চ লেনদেন মাত্র তিন হাজার টাকার। অর্থাৎ তাঁদের দোষী প্রমাণ করার মতো কোনো উপাদানই পাওয়া যায়নি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

যা আছে ডিপিএল স্পট ফিক্সিংয়ের ফরেনসিক প্রতিবেদনে প্রমাণ না পেলেও শাস্তির সুপারিশ

আপডেট টাইম : ১০:২২:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৫

ঘরোয়া ক্রিকেটের সর্বশেষ মৌসুম ছিল ফিক্সিংয়ের সন্দেহে জেরবার। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) খেলা একাধিক ক্রিকেটার এর সঙ্গে যুক্ত বলে কানাঘুষা ছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তিন সদস্যের স্বাধীন তদন্ত কমিটিও গঠন করে দেয় ফারুক আহমেদের নেতৃত্বাধীন বোর্ড। সেই কমিটির জেরা চলাকালীন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগেও (ডিপিএল) ফিক্সিংয়ের সন্দেহ প্রকাশ্য হয়ে যায় একটি ম্যাচে দুটি স্টাম্পিংয়ের ঘটনায়, যা এতটাই দৃষ্টিকটু ছিল যে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) দুর্নীতিবিরোধী বিভাগকে (আকু) তা নিয়ে তদন্তে নামার নির্দেশও দেয়।

ক্রিকেট ক্যালেন্ডারে নতুন আরেকটি মৌসুম শুরুর আগে তদন্তকারীরা তাঁদের কাজ শেষও করেছেন। আগামী সপ্তাহে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম দেশে ফিরলে তদন্ত প্রতিবেদন তাঁর হাতে তুলে দেবে আকু। এর আগে সেই তদন্তের অংশ হিসেবে গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে অভিযুক্ত তিন ক্রিকেটারের মোবাইল ফোনের ফরেনসিক প্রতিবেদনসহ বিস্তারিত কালের কণ্ঠের হাতে এসেছে। তবে ৬০ পাতার ফরেনসিক প্রতিবেদনে  অভিযোগ প্রমাণ করার মতো কোনো তথ্য মেলেনি।

পাওয়া যায়নি মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বড় অঙ্কের কোনো লেনদেনের প্রমাণও। সাক্ষ্য-প্রমাণ না থাকলেও তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগে ফেঁসে যাচ্ছেন অভিযুক্তরা। এই অপরাধে তাঁদের বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তির সুপারিশও করেছে তদন্ত কমিটি। যে ম্যাচকে ঘিরে এত কিছু, সেটি হয় গত ৯ এপ্রিল।

মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে গুলশান ক্রিকেট ক্লাবের মুখোমুখি হয়েছিল শাইনপুকুর। ওই ম্যাচের দুটো অদ্ভুতুড়ে স্টাম্পিংয়ের সঙ্গে ফিক্সিংয়ের যোগসূত্র থাকতে পারে বলে সন্দেহ হয় অনেকেরই। এর সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তিন ক্রিকেটার মিনহাজুল আবেদীন সাব্বির, আলিফ হাসান ইমন এবং রহিম আহমেদকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করার পাশাপাশি মাঠে নিয়ে তাঁদের দিয়ে ‘পুনরাভিনয়’ করানোর দৃশ্য হাস্যরসেরও জোগান দেয়। জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত ক্রিকেটাররা বারবার একই কথার পুনরাবৃত্তি করেন বলে জানা গেছে। সেই সঙ্গে নিজেদের নির্দোষ এবং ফিক্সিংয়ের মতো কিছুতে জড়িত নন বলে লাগাতার দাবি করে গেছেন।

তবে ভুয়া ই-মেইল আইডি দিয়ে তদন্তকারীদের বিভ্রান্ত করার অভিযোগও আছে তাঁদের বিরুদ্ধে। তাঁদের মধ্যে একজনের ই-মেইল পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা। তবে সেই ই-মেইলের সঙ্গে যুক্ত ফোন নম্বরটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের। অথচ সেই ক্রিকেটার কোনো দিন সে দেশে যাননি বলেই তদন্তে বেরিয়ে আসে, যা সন্দেহকে ঘনীভূত করে আরো।

বাধ্য হয়ে ওই তিন অভিযুক্ত ক্রিকেটারের ফোন ফরেনসিকে পাঠায় তদন্তকারী দল। সেখানে কিছুটা অসংগতি পাওয়া গেলেও অপরাধের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফরেনসিক প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করে সেই খেলোয়াড়দের নিয়ে উপসংহারে পৌঁছেছেন তদন্তকারীরা। যেখানে সাক্ষ্য-প্রমাণ না থাকায় শুধুই তদন্তে সহযোগিতা না করার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে তাঁদের। তিন ক্রিকেটারকে অভিযুক্ত করা হয়েছে বিসিবির দুর্নীতিবিরোধী কোডের ২.৪.৬ ধারায়। পাশাপাশি ফরেনসিকের জন্য নিজের আইফোন ১৩ মোবাইলের পাসওয়ার্ড দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় আলিফের বিপক্ষে যুক্ত করা হয়েছে ২.৪.৭ ধারাও। জানা গেছে, এই ধরনের অভিযোগে চার মাস থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত নিষিদ্ধ হওয়ার বিধান রয়েছে। তবে বিসিবির এক পরিচালক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, প্রমাণের অভাব থাকায় সভাপতি আমিনুল ইসলাম তরুণ এই ক্রিকেটারদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে সর্বনিম্ন সাজার পক্ষে।

মিনহাজুলের মোবাইল থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের আটটি অ্যাকাউন্টে তিন হাজার ২১৮ বার কথোপকথনের তথ্য পেয়েছে ফরেনসিক বিভাগ। যেখানে শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাবের অধিনায়ক রায়ান রাফসান এবং ‘ইমন ভাই’ নামে সেভ করা একটি নম্বরে বহুবার কথা হয়েছে মিনহাজুলের। তবে কিছু বার্তা মুছে ফেলেন দুজনই। এ ছাড়া মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ২২৮টি লেনদেনের মাধ্যমে বেশ কিছু টাকার লেনদেনের তথ্যও মিলেছে। অবশ্য এর কোনোটিই ফিক্সিংয়ের সন্দেহকে জোরালো করার মতো নয়। সর্বোচ্চ লেনদেন ২০ হাজার ২৫৯ টাকার।

রহিমের মোবাইল থেকেও তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাননি তদন্তকারীরা। এই ক্রিকেটারও রায়ান রাফসান এবং ‘ইমন’ নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করেছেন বলে জানা যায়। তবে সন্দেহ ছিল একই নম্বরে ৩৮৯ বার কথা বলা নিয়ে। তা ছাড়া ইমনের সঙ্গে বার্তা-চালাচালির কৌশল নিয়েও প্রশ্ন ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সেসব বার্তা ফিক্সিং কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় বলেই নিশ্চিত করেছে ফরেনসিক বিভাগ। রহিমের মোবাইল ব্যাংকিংয়েও অসামঞ্জস্যপূর্ণ লেনদেন লক্ষ করা যায়নি। সর্বোচ্চ লেনদেন দুই হাজার ৬৪১ টাকা।

গুলশান ক্রিকেট ক্লাবের খেলোয়াড় আলিফ হাসান ইমনের মোবাইলটি লক করা থাকলেও ফরেনসিকে সব তথ্য পাওয়া গেছে। সেখানেও দেখা যায় ১ থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত রায়ান রাফসানের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল তাঁর। সর্বশেষ ছয় মাসে একটি নম্বরে সর্বাধিক ২৪৫ বার কথা হয়েছে এই ক্রিকেটারের। মোবাইল ব্যাংকিংয়েও অতিমাত্রার কোনো লেনদেন নেই। সর্বোচ্চ লেনদেন মাত্র তিন হাজার টাকার। অর্থাৎ তাঁদের দোষী প্রমাণ করার মতো কোনো উপাদানই পাওয়া যায়নি।