ঢাকা ০৩:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

আমরা ভদ্রলোক হয়েই থাকতে চাই: মঈন খান

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৪৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৫
  • ১৩১ বার
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, বিএনপির যত দোষ বা গুণ থাক না কেন, ঘুরে ফিরে শেষমেষ আমরা কিন্তু একটা কথা বলি, বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। কিছু মানুষ ঠাট্টা করে বলতেন, ‘বিএনপি তো ভদ্রলোকের দল আসলে তারা কিছু করতে পারবে না’। তখন উত্তর দিতাম, ‘আমরা করতে চাই না, ভদ্রলোক হয়েই থাকতে চাই’।
শুক্রবার (৮ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবে মশিউর রহমান যাদু মিয়ার ১০১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মঈন খান বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে ডানপন্থী, বামপন্থী, মধ্যমপন্থী, চরমপন্থীসহ অনেক রকমের পন্থী আছে। বিএনপির যত সমালোচনায় করুক, কিন্তু ঘুরেফিরে সবাই একটি কথাই বলে— বিএনপি মোটামুটি মধ্যমপন্থী। এখানেই মনে করি বিএনপির গ্রহণযোগ্যতা।
ড. মঈন খান বলেন, ‘গণতান্ত্রিক পদ্ধতির সবচেয়ে বড় দুর্বলতা এই মুহূর্তে সারাবিশ্বে আমি বলব, অর্থনৈতিক ‘প্রলিফারেশন অফ মানি ইন ডেমোক্রেসি’। এটা একটা সবচেয়ে বড় দুর্বলতা। কিন্তু তারপরও এতকিছু সত্ত্বেও বিলাতে একটা কথা বলা হতো, ‘ডেমোক্রেসি ব্যাড বাট আদার সিস্টেম অব ওয়র্স্ট’। আমরা এখনো এমন কোনো পদ্ধতি খুঁজে বের করতে পারি নাই, যেটা ডেমোক্রেসির চেয়ে ভালো। যদিও ডেমোক্রেসি পদ্ধতির অনেক রকমের দুর্বলতা রয়েছে।’
বিএনপির সিনিয়র এ নেতা বলেন, ‘স্বাধীনতার পরে রাজনীতির আবহ সৃষ্টি হয়েছিল নতুন করে, যখন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সিপাহী-জনতার বিপ্লবের পরে পুনরায় এদেশকে গড়ে তোলার দায়িত্ব নিজের কাঁধে নেন জনগণের ইচ্ছায়। একবার যেমন নিয়েছিলেন ২৬ শে মার্চ ১৯৭১ সালে।’
বাংলাদেশের রাজনীতিতে যাদু মিয়ার অবদানের কথা তুলে ধরে ড. মঈন খান বলেন, ‘সিপাহী বিপ্লবের পরবর্তী সময়ে যাদু মিয়া বিভিন্ন মিটিংয়ে উপস্থিত থাকতেন। অধিকাংশ মিটিংয়ে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নিজেও উপস্থিত থাকতেন। সেখানে একটিমাত্র বিষয় ছিল— কিভাবে বাংলাদেশকে গণতন্ত্রের পথে নিয়ে যাওয়া যায়। আজকেও কিন্তু আমরা সে বিষয় নিয়ে পর্যালোচনা করে যাচ্ছি। কী গুরুত্বপূর্ণ একটি ভূমিকায় ছিলেন যাদু মিয়া। আমেরিকা, যুক্তরাজ্য, বহির্বিশ্ব, তাদের কূটনৈতিক অঞ্চলের রাজনীতির ওপরে পর্যবেক্ষণ করছিলেন। সেই পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে ছিলেন যাদু মিয়া।’
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

হাওরে কৃষক বিপর্যয়: ক্ষতিগ্রস্তদের ৩ মাস সহায়তার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

আমরা ভদ্রলোক হয়েই থাকতে চাই: মঈন খান

আপডেট টাইম : ১১:৪৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৫
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, বিএনপির যত দোষ বা গুণ থাক না কেন, ঘুরে ফিরে শেষমেষ আমরা কিন্তু একটা কথা বলি, বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। কিছু মানুষ ঠাট্টা করে বলতেন, ‘বিএনপি তো ভদ্রলোকের দল আসলে তারা কিছু করতে পারবে না’। তখন উত্তর দিতাম, ‘আমরা করতে চাই না, ভদ্রলোক হয়েই থাকতে চাই’।
শুক্রবার (৮ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবে মশিউর রহমান যাদু মিয়ার ১০১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মঈন খান বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে ডানপন্থী, বামপন্থী, মধ্যমপন্থী, চরমপন্থীসহ অনেক রকমের পন্থী আছে। বিএনপির যত সমালোচনায় করুক, কিন্তু ঘুরেফিরে সবাই একটি কথাই বলে— বিএনপি মোটামুটি মধ্যমপন্থী। এখানেই মনে করি বিএনপির গ্রহণযোগ্যতা।
ড. মঈন খান বলেন, ‘গণতান্ত্রিক পদ্ধতির সবচেয়ে বড় দুর্বলতা এই মুহূর্তে সারাবিশ্বে আমি বলব, অর্থনৈতিক ‘প্রলিফারেশন অফ মানি ইন ডেমোক্রেসি’। এটা একটা সবচেয়ে বড় দুর্বলতা। কিন্তু তারপরও এতকিছু সত্ত্বেও বিলাতে একটা কথা বলা হতো, ‘ডেমোক্রেসি ব্যাড বাট আদার সিস্টেম অব ওয়র্স্ট’। আমরা এখনো এমন কোনো পদ্ধতি খুঁজে বের করতে পারি নাই, যেটা ডেমোক্রেসির চেয়ে ভালো। যদিও ডেমোক্রেসি পদ্ধতির অনেক রকমের দুর্বলতা রয়েছে।’
বিএনপির সিনিয়র এ নেতা বলেন, ‘স্বাধীনতার পরে রাজনীতির আবহ সৃষ্টি হয়েছিল নতুন করে, যখন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সিপাহী-জনতার বিপ্লবের পরে পুনরায় এদেশকে গড়ে তোলার দায়িত্ব নিজের কাঁধে নেন জনগণের ইচ্ছায়। একবার যেমন নিয়েছিলেন ২৬ শে মার্চ ১৯৭১ সালে।’
বাংলাদেশের রাজনীতিতে যাদু মিয়ার অবদানের কথা তুলে ধরে ড. মঈন খান বলেন, ‘সিপাহী বিপ্লবের পরবর্তী সময়ে যাদু মিয়া বিভিন্ন মিটিংয়ে উপস্থিত থাকতেন। অধিকাংশ মিটিংয়ে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নিজেও উপস্থিত থাকতেন। সেখানে একটিমাত্র বিষয় ছিল— কিভাবে বাংলাদেশকে গণতন্ত্রের পথে নিয়ে যাওয়া যায়। আজকেও কিন্তু আমরা সে বিষয় নিয়ে পর্যালোচনা করে যাচ্ছি। কী গুরুত্বপূর্ণ একটি ভূমিকায় ছিলেন যাদু মিয়া। আমেরিকা, যুক্তরাজ্য, বহির্বিশ্ব, তাদের কূটনৈতিক অঞ্চলের রাজনীতির ওপরে পর্যবেক্ষণ করছিলেন। সেই পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে ছিলেন যাদু মিয়া।’