ঢাকা ০২:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুবদলের অনুষ্ঠানে তারেক রহমান মানুষ প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন চাইছে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:৪২:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অগাস্ট ২০২৫
  • ৬৬ বার

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘এই মুহূর্তে বাংলাদেশের মানুষ কথামালার রাজনীতি আর চাচ্ছে না। তারা একটি পরিবর্তন চাচ্ছে। প্রতিশ্রুতি চাচ্ছে না, বরং প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন চাচ্ছে। এই আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে আমরা আগামী দিনের রাজনৈতিক কর্মসূচি প্রণয়নের চেষ্টা করছি।

গতকাল সোমবার রমনা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশন প্রাঙ্গণে জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থান শোক ও বিজয়ের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ও আমার না বলা কথা’ শীর্ষক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশের আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী যুবদল। অনুষ্ঠানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে যুবদলের নিহত ৭৮ শহীদ পরিবারের সদস্যদের সম্মাননা ও আর্থিক সহযোগিতা দেওয়া হয়।

লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, ‘আগামী দিনের নীতি, জনগণের জীবন উন্নয়নের রাজনীতি, দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা হবে আমাদের রাজনীতির অন্যতম মূল লক্ষ্য।

অর্থাৎ মানুষের ভোটের অধিকারকে যে রকম নিশ্চিত করা, মানুষের বাকস্বাধীনতাকে যেমন নিশ্চিত করা, একই সঙ্গে সমাজ ও দেশের প্রত্যেকটি মানুষ যার যে যোগ্যতা, সেই হিসেবে তাকে তার অবস্থান থেকে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা বা স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলা এবং সেই লক্ষ্যকে রেখে বিএনপির একাধিক টিম দেশের প্রতিটি সেক্টরকে নিয়ে গভীরভাবে কাজ করছে। কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্ল্যান-প্রোগ্রাম বা কর্মসূচি আমরা পর্যায়ক্রমে তৈরি করছি। হেলথ কেয়ার ওয়ার্কার নিয়োগের পরিকল্পনা করেছি আমরা। এবং এই হেলথ কেয়ার নিয়োগের ৮০ শতাংশ হবে যুবসমাজের মধ্য থেকে নারী সদস্য।

তারেক রহমান বলেন, ‘শুধু জুলাই-আগস্ট না, ১৭ বছর ধরে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিককর্মী, রাজনৈতিককর্মীর বাইরেও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ নিজেদের অধিকারের কথা তুলে ধরতে গিয়ে, দাবি আদায় করতে গিয়ে বিভিন্নভাবে সেই পলাতক স্বৈরাচারের অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েছে। তাদের প্রত্যেককে সত্যিকারভাবে সম্মানিত করতে চাই।’

একই অনুষ্ঠানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আজকে একটা ষড়যন্ত্র চলছে, চক্রান্ত চলছে। দেশে আবার একটা অস্থিরতা সৃষ্টি করবার, ষড়যন্ত্র তৈরি করবার। যেন বাংলাদেশে গণতন্ত্রের ট্রানজিশন ঠিকমতো না হয়।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, ‘একটি কথা শুনলাম, মাজেদ নাকি সাজেদ একজন মেজর, দেশে বসে চক্রান্ত করছে সরকারকে বিপদে ফেলতে কিংবা দেশে একটা ঘটনা ঘটাবে। এসব চক্রান্ত কিন্তু আমরা বুঝি।’

অনুষ্ঠানে যুবদলের সভাপতি এম আবদুল মোনায়েম মুন্নার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়নের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন যুবদলের সাবেক নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, বরকতউল্লা বুলু, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাইফুল আলম নিরব ও সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মেহেদি আমিন, মানবাধিকারকর্মী সাইয়েদ আবদুল্লাহ, যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম নয়ন, অ্যাডভোকেট সোহেল রানা, চিকিৎসক সায়েম আল মনসুর ফয়েজী, শহীদ মোসলেহ উদ্দিনের ছেলে আপন, ইয়াহিয়া আলীর মেয়ে তাইয়েবা খাতুন, হাফিজুর রহমান সুমনের স্ত্রী বিধী আখতার, নাদিম মিজানের স্ত্রী তাবাসসুম আখতার নেহা প্রমুখ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

যুবদলের অনুষ্ঠানে তারেক রহমান মানুষ প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন চাইছে

আপডেট টাইম : ০৬:৪২:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অগাস্ট ২০২৫

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘এই মুহূর্তে বাংলাদেশের মানুষ কথামালার রাজনীতি আর চাচ্ছে না। তারা একটি পরিবর্তন চাচ্ছে। প্রতিশ্রুতি চাচ্ছে না, বরং প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন চাচ্ছে। এই আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে আমরা আগামী দিনের রাজনৈতিক কর্মসূচি প্রণয়নের চেষ্টা করছি।

গতকাল সোমবার রমনা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশন প্রাঙ্গণে জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থান শোক ও বিজয়ের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ও আমার না বলা কথা’ শীর্ষক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশের আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী যুবদল। অনুষ্ঠানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে যুবদলের নিহত ৭৮ শহীদ পরিবারের সদস্যদের সম্মাননা ও আর্থিক সহযোগিতা দেওয়া হয়।

লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, ‘আগামী দিনের নীতি, জনগণের জীবন উন্নয়নের রাজনীতি, দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা হবে আমাদের রাজনীতির অন্যতম মূল লক্ষ্য।

অর্থাৎ মানুষের ভোটের অধিকারকে যে রকম নিশ্চিত করা, মানুষের বাকস্বাধীনতাকে যেমন নিশ্চিত করা, একই সঙ্গে সমাজ ও দেশের প্রত্যেকটি মানুষ যার যে যোগ্যতা, সেই হিসেবে তাকে তার অবস্থান থেকে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা বা স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলা এবং সেই লক্ষ্যকে রেখে বিএনপির একাধিক টিম দেশের প্রতিটি সেক্টরকে নিয়ে গভীরভাবে কাজ করছে। কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্ল্যান-প্রোগ্রাম বা কর্মসূচি আমরা পর্যায়ক্রমে তৈরি করছি। হেলথ কেয়ার ওয়ার্কার নিয়োগের পরিকল্পনা করেছি আমরা। এবং এই হেলথ কেয়ার নিয়োগের ৮০ শতাংশ হবে যুবসমাজের মধ্য থেকে নারী সদস্য।

তারেক রহমান বলেন, ‘শুধু জুলাই-আগস্ট না, ১৭ বছর ধরে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিককর্মী, রাজনৈতিককর্মীর বাইরেও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ নিজেদের অধিকারের কথা তুলে ধরতে গিয়ে, দাবি আদায় করতে গিয়ে বিভিন্নভাবে সেই পলাতক স্বৈরাচারের অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েছে। তাদের প্রত্যেককে সত্যিকারভাবে সম্মানিত করতে চাই।’

একই অনুষ্ঠানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আজকে একটা ষড়যন্ত্র চলছে, চক্রান্ত চলছে। দেশে আবার একটা অস্থিরতা সৃষ্টি করবার, ষড়যন্ত্র তৈরি করবার। যেন বাংলাদেশে গণতন্ত্রের ট্রানজিশন ঠিকমতো না হয়।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, ‘একটি কথা শুনলাম, মাজেদ নাকি সাজেদ একজন মেজর, দেশে বসে চক্রান্ত করছে সরকারকে বিপদে ফেলতে কিংবা দেশে একটা ঘটনা ঘটাবে। এসব চক্রান্ত কিন্তু আমরা বুঝি।’

অনুষ্ঠানে যুবদলের সভাপতি এম আবদুল মোনায়েম মুন্নার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়নের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন যুবদলের সাবেক নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, বরকতউল্লা বুলু, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাইফুল আলম নিরব ও সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মেহেদি আমিন, মানবাধিকারকর্মী সাইয়েদ আবদুল্লাহ, যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম নয়ন, অ্যাডভোকেট সোহেল রানা, চিকিৎসক সায়েম আল মনসুর ফয়েজী, শহীদ মোসলেহ উদ্দিনের ছেলে আপন, ইয়াহিয়া আলীর মেয়ে তাইয়েবা খাতুন, হাফিজুর রহমান সুমনের স্ত্রী বিধী আখতার, নাদিম মিজানের স্ত্রী তাবাসসুম আখতার নেহা প্রমুখ।