ঢাকা ০৩:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ড্যাপ ও গৃহায়ণ বিধিমালা সংশোধিত হলে সস্তায় ফ্ল্যাট কিনতে পারবে মানুষ : শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল বিশ্বমঞ্চে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জিয়া পরিবারের তিন প্রজন্মের উত্তরাধিকারের নতুন অধ্যায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার দাবি তারেক রহমানের জাতিসংঘে ভাষণ গিনেস বুকে উঠবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলকে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার সতর্কবার্তা দিল ইরান ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হবে ‘সুবিধাজনক সময়ে’: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সেনাবাহিনী প্রধানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ বাসভাড়া কত বাড়ানোর প্রস্তাব করল বিআরটিএ বিশ্বমঞ্চে প্রথম ভাষণ দিতে নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী, শুরু ঐতিহাসিক সফর জাতিসংঘে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী: মাহদী আমিন পাসপোর্ট অধিদফতরের নতুন ডিজি মেজর জেনারেল আলীমুল আমীন

গাজায় যুদ্ধবিরতি ও ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আহ্বান সৌদি আরব ও ফ্রান্সের

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫
  • ৯২ বার

ফিলিস্তিন-ইসরাইল দ্বন্দ্বের অবসানে একটি কার্যকর ও স্থায়ী দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান বাস্তবায়নে ‘স্পষ্ট, সময়সীমাবদ্ধ ও অপরিবর্তনীয়’ পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সৌদি আরব ও ফ্রান্স।

রিয়াদ ও প্যারিসের যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত এক ঘোষণাপত্রে গাজায় ২১ মাস ধরে চলা যুদ্ধ অবসানের মধ্য দিয়ে সমাধান প্রক্রিয়া শুরু করার কথা বলা হয়েছে।

বুধবার (৩০ জুলাই) এক  প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে জিও নিউজ।

ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতির পরপরই গাজায় একটি অস্থায়ী প্রশাসনিক কমিটি গঠন করতে হবে, যা ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের আওতায় পরিচালিত হবে। সেই সঙ্গে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ম্যান্ডেটভুক্ত একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা মিশন মোতায়েনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ মিশনে অংশ নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বেশ কয়েকটি রাষ্ট্র।

ঘোষণায় ইসরাইলি নেতৃত্বের প্রতি স্পষ্ট আহ্বান জানানো হয়—তারা যেন একটি সার্বভৌম ও কার্যকর ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিষয়ে জনসমক্ষে প্রতিশ্রুতি দেয়। সেই সঙ্গে পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে দখল, ভূমি অধিগ্রহণ ও সহিংসতা বন্ধের আহ্বান জানানো হয়।

ঘোষণাপত্রে আরও বলা হয়, ‘শুধু গাজায় যুদ্ধের অবসান, সকল জিম্মির মুক্তি, দখলদারিত্বের সমাপ্তি, সহিংসতা ও সন্ত্রাস পরিত্যাগ, স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং ইসরাইল-ফিলিস্তিন উভয়ের জন্য নিরাপত্তার পূর্ণ নিশ্চয়তা দিলেই—এই অঞ্চলে সহাবস্থান ও স্বাভাবিক সম্পর্ক গড়ে তোলা সম্ভব হবে।’

বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘোষণাপত্র মধ্যপ্রাচ্যে নতুন এক কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে আরব ও ইউরোপের যৌথ উদ্যোগ হিসেবে এটি আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ড্যাপ ও গৃহায়ণ বিধিমালা সংশোধিত হলে সস্তায় ফ্ল্যাট কিনতে পারবে মানুষ : শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল

গাজায় যুদ্ধবিরতি ও ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আহ্বান সৌদি আরব ও ফ্রান্সের

আপডেট টাইম : ১০:০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫

ফিলিস্তিন-ইসরাইল দ্বন্দ্বের অবসানে একটি কার্যকর ও স্থায়ী দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান বাস্তবায়নে ‘স্পষ্ট, সময়সীমাবদ্ধ ও অপরিবর্তনীয়’ পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সৌদি আরব ও ফ্রান্স।

রিয়াদ ও প্যারিসের যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত এক ঘোষণাপত্রে গাজায় ২১ মাস ধরে চলা যুদ্ধ অবসানের মধ্য দিয়ে সমাধান প্রক্রিয়া শুরু করার কথা বলা হয়েছে।

বুধবার (৩০ জুলাই) এক  প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে জিও নিউজ।

ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতির পরপরই গাজায় একটি অস্থায়ী প্রশাসনিক কমিটি গঠন করতে হবে, যা ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের আওতায় পরিচালিত হবে। সেই সঙ্গে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ম্যান্ডেটভুক্ত একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা মিশন মোতায়েনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ মিশনে অংশ নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বেশ কয়েকটি রাষ্ট্র।

ঘোষণায় ইসরাইলি নেতৃত্বের প্রতি স্পষ্ট আহ্বান জানানো হয়—তারা যেন একটি সার্বভৌম ও কার্যকর ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিষয়ে জনসমক্ষে প্রতিশ্রুতি দেয়। সেই সঙ্গে পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে দখল, ভূমি অধিগ্রহণ ও সহিংসতা বন্ধের আহ্বান জানানো হয়।

ঘোষণাপত্রে আরও বলা হয়, ‘শুধু গাজায় যুদ্ধের অবসান, সকল জিম্মির মুক্তি, দখলদারিত্বের সমাপ্তি, সহিংসতা ও সন্ত্রাস পরিত্যাগ, স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং ইসরাইল-ফিলিস্তিন উভয়ের জন্য নিরাপত্তার পূর্ণ নিশ্চয়তা দিলেই—এই অঞ্চলে সহাবস্থান ও স্বাভাবিক সম্পর্ক গড়ে তোলা সম্ভব হবে।’

বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘোষণাপত্র মধ্যপ্রাচ্যে নতুন এক কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে আরব ও ইউরোপের যৌথ উদ্যোগ হিসেবে এটি আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।