ঢাকা ০৮:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

কিশোরগঞ্জ শহরের পরিচিত মুখ একজন মানবিক”শহীদ পাগলা”

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৪৩:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ জুলাই ২০২৫
  • ২৮৫ বার

গত ১৯ জুলাই ছিলো তাঁর ১২ তম মৃত্যু বার্ষিকী। ৮০ ও ৯০ দশকে কিশোরগঞ্জ শহরের অলি-গলিতে প্রায়শই একটি রিকশা  বসা এই মহতী ব্যক্তিত্বকে দেখেছি হাতে  একটা মাউথপিস নিয়ে সুমধুর উচ্চকণ্ঠে গরীব,অসহায় ও মসজিদ-মাদ্রাসার জন্য কালেকশন করতেন।

তার হাতে একটি বাশের পাতি সবসময়ই থাকতো এটার মধ্যে তিনি দান নিতেন। মানুষ বুঝে না বুঝে অকাতরে মানুষ তাঁর কথায় দান করতেন। ঐ সময়ে শহরে তিনি ছিলেন একজন সুপরিচিত মুখ। যার নাম ছিল প্রিয় শহীদ ভাই,শহীদ পাগলা। উনার চেহারায় এক রহস্যময় মানবিকতার জৌলুষ ছিলো। তাঁকে দেখা মাত্র যে কোন মানুষের তাঁর দিকে এক পলক না তাকানো অসম্ভব ছিলো।

তাঁর চোখে ছিলো অসম্ভব এক অজানা রহস্যময়তা। যে কাউকে দেখলেই বুঝতে পারত সে দানবীর কিনা।  আমার জানামতে নিঃস্বার্থ ভাবে তাঁর কালেকশনের টাকা শহরের হাজার হাজার গরীব,অসহায় মানুষের সাহায্যে অবদান রেখেছে। বিশেষ করে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গুলোর উন্নয়নে তাঁর অবদান কিশোরগঞ্জ বাসীর তার কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। আজকাল স্বার্থপর পৃথিবীকে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছিলেন কিভাবে নিঃস্বার্থ ভাবে ইসলামের সেবা করা যায়।

আাশা করা যায়,তিনি আল্লার নৈকট্য লাভকারী একজন মহতী ব্যক্তিত্ব ছিলেন ।কারন আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টি করেছেন নিঃস্বার্থ ভাবে তাঁর ইবাদত করার জন্য। তিনি তাঁর জীবদ্দশায় এই কাজটি সুচারুভাবে করেছেন।

কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন লোকজন থেকে জানা যায়, তিনি একাধারে বার বছর সিয়াম সাধনা করেছিলেন। তিনি তাঁর মহতী কৃতিত্বের জন্য কিশোরগঞ্জ বাসীর হৃদয়ে চিরদিন অমলিন থাকবেন।তিনি সকলের হৃদয়ে গ্রন্থিত একজন ঐশ্বরিক মানুষ।আমি তাঁর বিদেহী আত্নার মাগফিরাত কামনা করছি।মহান আল্লাহ তাঁকে কবুল করুন,,বেহেশত নসিব করুন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

হোয়াটসঅ্যাপে ‘গেস্ট চ্যাটস’ ফিচার, অ্যাকাউন্ট ছাড়াই করা যাবে মেসেজ

কিশোরগঞ্জ শহরের পরিচিত মুখ একজন মানবিক”শহীদ পাগলা”

আপডেট টাইম : ১২:৪৩:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ জুলাই ২০২৫

গত ১৯ জুলাই ছিলো তাঁর ১২ তম মৃত্যু বার্ষিকী। ৮০ ও ৯০ দশকে কিশোরগঞ্জ শহরের অলি-গলিতে প্রায়শই একটি রিকশা  বসা এই মহতী ব্যক্তিত্বকে দেখেছি হাতে  একটা মাউথপিস নিয়ে সুমধুর উচ্চকণ্ঠে গরীব,অসহায় ও মসজিদ-মাদ্রাসার জন্য কালেকশন করতেন।

তার হাতে একটি বাশের পাতি সবসময়ই থাকতো এটার মধ্যে তিনি দান নিতেন। মানুষ বুঝে না বুঝে অকাতরে মানুষ তাঁর কথায় দান করতেন। ঐ সময়ে শহরে তিনি ছিলেন একজন সুপরিচিত মুখ। যার নাম ছিল প্রিয় শহীদ ভাই,শহীদ পাগলা। উনার চেহারায় এক রহস্যময় মানবিকতার জৌলুষ ছিলো। তাঁকে দেখা মাত্র যে কোন মানুষের তাঁর দিকে এক পলক না তাকানো অসম্ভব ছিলো।

তাঁর চোখে ছিলো অসম্ভব এক অজানা রহস্যময়তা। যে কাউকে দেখলেই বুঝতে পারত সে দানবীর কিনা।  আমার জানামতে নিঃস্বার্থ ভাবে তাঁর কালেকশনের টাকা শহরের হাজার হাজার গরীব,অসহায় মানুষের সাহায্যে অবদান রেখেছে। বিশেষ করে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গুলোর উন্নয়নে তাঁর অবদান কিশোরগঞ্জ বাসীর তার কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। আজকাল স্বার্থপর পৃথিবীকে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছিলেন কিভাবে নিঃস্বার্থ ভাবে ইসলামের সেবা করা যায়।

আাশা করা যায়,তিনি আল্লার নৈকট্য লাভকারী একজন মহতী ব্যক্তিত্ব ছিলেন ।কারন আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টি করেছেন নিঃস্বার্থ ভাবে তাঁর ইবাদত করার জন্য। তিনি তাঁর জীবদ্দশায় এই কাজটি সুচারুভাবে করেছেন।

কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন লোকজন থেকে জানা যায়, তিনি একাধারে বার বছর সিয়াম সাধনা করেছিলেন। তিনি তাঁর মহতী কৃতিত্বের জন্য কিশোরগঞ্জ বাসীর হৃদয়ে চিরদিন অমলিন থাকবেন।তিনি সকলের হৃদয়ে গ্রন্থিত একজন ঐশ্বরিক মানুষ।আমি তাঁর বিদেহী আত্নার মাগফিরাত কামনা করছি।মহান আল্লাহ তাঁকে কবুল করুন,,বেহেশত নসিব করুন।