ঢাকা ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সমুদ্রের বেলাভূমিতে সাদিয়া আয়মানের ‌‘একটুখানি জাদু’ বোল্টের চেয়েও দ্রুত দৌড়ানো সেই চীনা রোবটের নতুন চমক মহানবী মুহাম্মদ (সা.) : সব সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ যিনি প্রধানমন্ত্রী ইসলামের আদর্শ বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করছেন: মঈন খান চুলে রং করার পর যত্ন নেবেন যেভাবে নেপালে বন্যা: প্রাণহানির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক, সহযোগিতার বার্তা নবীজি (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ ছাড়া বিশ্ব পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব নয় : ডিএসসিসি প্রশাসক চারণভূমি সুরক্ষা ও টেকসই ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান পরিবেশমন্ত্রীর ফ্যাসিবাদ ঠেকাতে সুস্পষ্ট রোডম্যাপ করতে হবে: আইনমন্ত্রী মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়টি বিবেচনা করছে বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ

ঝালকাঠিতে ছোট ভাইকে হত্যার দায়ে বড় ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৫৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৫
  • ১৭০ বার

ঝালকাঠিতে আপন ছোট ভাইকে হত্যার দায়ে রুহুল আমিন হাওলাদার (৪৮) নামের এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। গতকাল বুধবার বিকেলে এ রায় দেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রহিবুল ইসলাম।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মো. মাহেব হোসেন। আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন আইনজীবী খান শহিদুল ইসলাম।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত রুহুল আমিন হাওলাদার জেলার কাঁঠালিয়া উপজেলার চিংড়াখালী গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে। এর আগে তিনি বেসরকারি সংস্থার এক কর্মীকে হত্যার দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করেছেন।

পিপি মো. মাহেব হোসেন জানান, কাঁঠালিয়ার গ্রামীণ ব্যাংকের মাঠকর্মী মজিবুর রহমানকে হত্যার দায়ে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি রুহুল আমিন হাওলাদার কারাদণ্ড ভোগ করে ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে মুক্তি পান। বাড়িতে ফিরে জমি নিয়ে ভাইবোনদের সঙ্গে মতবিরোধে জড়িয়ে পড়েন তিনি। ওই বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর তাঁর এক ভাই ফিরোজ হাওলাদার বসতঘরের টিন খুলতে গেলে রুহুল আমিন বাধা দেন। এ নিয়ে ওই দিন সন্ধ্যায় বসতবাড়ির সামনে বসা অবস্থায় ফিরোজকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যান রুহুল আমিন। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তির পর ওই দিন রাত ১১টায় ফিরোজের মৃত্যু হয়।

ঘটনার পরদিন নিহত ফিরোজ হাওলাদারের স্ত্রী রাণী বেগম বাদী হয়ে কাঁঠালিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। ২০২৩ সালের ১২ সেপ্টেম্বর আসামি রুহুল আমিনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কাঁঠালিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কাইউম বাহাদুর গত বছরের ২০ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার রায় দেন আদালত।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সমুদ্রের বেলাভূমিতে সাদিয়া আয়মানের ‌‘একটুখানি জাদু’

ঝালকাঠিতে ছোট ভাইকে হত্যার দায়ে বড় ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট টাইম : ১১:৫৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৫

ঝালকাঠিতে আপন ছোট ভাইকে হত্যার দায়ে রুহুল আমিন হাওলাদার (৪৮) নামের এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। গতকাল বুধবার বিকেলে এ রায় দেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রহিবুল ইসলাম।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মো. মাহেব হোসেন। আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন আইনজীবী খান শহিদুল ইসলাম।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত রুহুল আমিন হাওলাদার জেলার কাঁঠালিয়া উপজেলার চিংড়াখালী গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে। এর আগে তিনি বেসরকারি সংস্থার এক কর্মীকে হত্যার দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করেছেন।

পিপি মো. মাহেব হোসেন জানান, কাঁঠালিয়ার গ্রামীণ ব্যাংকের মাঠকর্মী মজিবুর রহমানকে হত্যার দায়ে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি রুহুল আমিন হাওলাদার কারাদণ্ড ভোগ করে ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে মুক্তি পান। বাড়িতে ফিরে জমি নিয়ে ভাইবোনদের সঙ্গে মতবিরোধে জড়িয়ে পড়েন তিনি। ওই বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর তাঁর এক ভাই ফিরোজ হাওলাদার বসতঘরের টিন খুলতে গেলে রুহুল আমিন বাধা দেন। এ নিয়ে ওই দিন সন্ধ্যায় বসতবাড়ির সামনে বসা অবস্থায় ফিরোজকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যান রুহুল আমিন। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তির পর ওই দিন রাত ১১টায় ফিরোজের মৃত্যু হয়।

ঘটনার পরদিন নিহত ফিরোজ হাওলাদারের স্ত্রী রাণী বেগম বাদী হয়ে কাঁঠালিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। ২০২৩ সালের ১২ সেপ্টেম্বর আসামি রুহুল আমিনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কাঁঠালিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কাইউম বাহাদুর গত বছরের ২০ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার রায় দেন আদালত।