ঢাকা ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

এখনো যথেষ্ট সম্মান নিয়েই বেঁচে আছি: শাবনূর

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:২৩:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৪
  • ১৩০ বার

ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শাবনূর। অভিনয়ে এখন আগের মতো নিয়মিত নন এই অভিনেত্রী। স্থায়ী হয়েছেন সুদূর অস্ট্রেলিয়ায়। কিন্তু ভক্ত-দর্শকদের হৃদয়ে আজও তিনি ‘দুই নয়নের আলো’। আজ (১৫ অক্টোবর) এই চিত্রনায়িকা ক্যারিয়ারে ৩২ বছরে পদার্পণ করেছেন। ১৯৯৩ সালের ১৫ অক্টোবর নির্মাতা এহতেশাম পরিচালিত ‘চাঁদনী রাতে’ সিনেমার মধ্যদিয়ে রূপালী পর্দায় অভিষেক হয় শাবনূরের

এদিকে, সম্প্রতি দেশে ফিরে আরাফাত হোসাইনের ‘রঙ্গনা’ নামের একটি সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হন নব্বই দশকের এই অভিনেত্রী। এই খবরে ভক্তরাও ভীষণ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। মাঝে কেটে গেছে অনেকটা বছর।

গত হওয়া তিন দশক সম্পর্কে শাবনূরের মন্তব্যটা এমন- ‘আল্লাহর রহমত ও সবার দোয়ায় চলচ্চিত্রে এখনো যথেষ্ট সম্মান নিয়েই বেঁচে আছি। আমার চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারের দীর্ঘ পথচলায় এই অঙ্গনের সঙ্গে জড়িত সকল প্রযোজক, পরিচালক, সহশিল্পী, চিত্রনাট্যকার, নেপথ্য কণ্ঠশিল্পী, ক্যামেরাম্যান, কলাকুশলীসহ সবার কাছে আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ ও ঋণী। বিশেষ করে, আমার ছবির দর্শক ও অগণিত ভক্তদের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ও সমর্থনে আমি আজকের শাবনূর।’

শুরু ও বর্তমান সময় নিয়ে এই তারকা বলেন, ‘নামজাদা চলচ্চিত্র নির্মাতা প্রয়াত এহতেশাম দাদুর “চাঁদনী রাতে”র মাধ্যমে ১৯৯৩ সালের ১৫ অক্টোবর আমার চলচ্চিত্র যাত্রা শুরু হয়েছিল। সবার ভালোবাসায় আজ ৩১ বছর পূর্ণ হলো, আলহামদুলিল্লাহ।’

উল্লেখ্য, দীর্ঘ ৩১ বছরের ক্যারিয়ারে অসংখ্য ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন শাবনূর। তার সিনেমাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য- ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘প্রেমের তাজমহল’, ‘আমার প্রাণের স্বামী’, ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’, ‘ভালোবাসি তোমাকে’, ‘আনন্দ অশ্রু’, ‘বউ শাশুড়ির যুদ্ধ’, ‘হৃদয়ের বন্ধন’, ‘মোল্লা বাড়ীর বউ’ ইত্যাদি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

এখনো যথেষ্ট সম্মান নিয়েই বেঁচে আছি: শাবনূর

আপডেট টাইম : ০৬:২৩:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৪

ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শাবনূর। অভিনয়ে এখন আগের মতো নিয়মিত নন এই অভিনেত্রী। স্থায়ী হয়েছেন সুদূর অস্ট্রেলিয়ায়। কিন্তু ভক্ত-দর্শকদের হৃদয়ে আজও তিনি ‘দুই নয়নের আলো’। আজ (১৫ অক্টোবর) এই চিত্রনায়িকা ক্যারিয়ারে ৩২ বছরে পদার্পণ করেছেন। ১৯৯৩ সালের ১৫ অক্টোবর নির্মাতা এহতেশাম পরিচালিত ‘চাঁদনী রাতে’ সিনেমার মধ্যদিয়ে রূপালী পর্দায় অভিষেক হয় শাবনূরের

এদিকে, সম্প্রতি দেশে ফিরে আরাফাত হোসাইনের ‘রঙ্গনা’ নামের একটি সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হন নব্বই দশকের এই অভিনেত্রী। এই খবরে ভক্তরাও ভীষণ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। মাঝে কেটে গেছে অনেকটা বছর।

গত হওয়া তিন দশক সম্পর্কে শাবনূরের মন্তব্যটা এমন- ‘আল্লাহর রহমত ও সবার দোয়ায় চলচ্চিত্রে এখনো যথেষ্ট সম্মান নিয়েই বেঁচে আছি। আমার চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারের দীর্ঘ পথচলায় এই অঙ্গনের সঙ্গে জড়িত সকল প্রযোজক, পরিচালক, সহশিল্পী, চিত্রনাট্যকার, নেপথ্য কণ্ঠশিল্পী, ক্যামেরাম্যান, কলাকুশলীসহ সবার কাছে আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ ও ঋণী। বিশেষ করে, আমার ছবির দর্শক ও অগণিত ভক্তদের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ও সমর্থনে আমি আজকের শাবনূর।’

শুরু ও বর্তমান সময় নিয়ে এই তারকা বলেন, ‘নামজাদা চলচ্চিত্র নির্মাতা প্রয়াত এহতেশাম দাদুর “চাঁদনী রাতে”র মাধ্যমে ১৯৯৩ সালের ১৫ অক্টোবর আমার চলচ্চিত্র যাত্রা শুরু হয়েছিল। সবার ভালোবাসায় আজ ৩১ বছর পূর্ণ হলো, আলহামদুলিল্লাহ।’

উল্লেখ্য, দীর্ঘ ৩১ বছরের ক্যারিয়ারে অসংখ্য ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন শাবনূর। তার সিনেমাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য- ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘প্রেমের তাজমহল’, ‘আমার প্রাণের স্বামী’, ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’, ‘ভালোবাসি তোমাকে’, ‘আনন্দ অশ্রু’, ‘বউ শাশুড়ির যুদ্ধ’, ‘হৃদয়ের বন্ধন’, ‘মোল্লা বাড়ীর বউ’ ইত্যাদি।