ঢাকা ০৫:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বাবার সঙ্গে বড় ভাইয়ের শ্বশুরের অনন্য বন্ধন, স্মৃতিতে আজও অমলিন দুই প্রিয় মানুষ সাড়ে ৩ কেজি ওজনের দুই ইলিশ ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর আইন হচ্ছে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী থমকে আছে উন্নয়ন প্রকল্প ও তদারকি, মন্ত্রণালয়ে ঘুরছেন এমপিরা কেন শিশুদের ঘ্রাণবিষয়ক শিক্ষা দিতে বললেন এই বিশেষজ্ঞ নতুন পে-স্কেলে কোন গ্রেডে কত বাড়ল বেতন বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জনগণই বিএনপির রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস: তারেক রহমান নরওয়ের রাজার মৃত্যুতে বাংলাদেশের পক্ষে শোকবইয়ে স্বাক্ষর স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর যশোরে নিষিদ্ধ আ. লীগের প্রতিমন্ত্রী ও এমপিসহ ১১৩ জনের নামে মামলা হাদি হত্যা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সাল ও তার স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

জাকের-শামীমকে যে পুরস্কার দিতে বললেন উইন্ডিজ কিংবদন্তি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৫২:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ১১২ বার

২০২৪ সালের ‘স্পিরিট অব ক্রিকেট’ পুরস্কারটা জাকের আলী ও শামীম হোসেনকেই দেওয়া হোক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সের মাধ্যমে আইসিসির কাছে এমনই সুপারিশ করেছেন ইয়ান বিশপ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক এই ক্রিকেটার তার আগেই অবশ্য ধারাভাষ্যকক্ষে বসে নিজের মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন।

গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সেন্ট ভিনসেন্টে বাংলাদেশ ইনিংসের ১৪তম ওভারের সময়। গুড়াকেশ মোটির করা ওভারের প্রথম বল টেনে মিড উইকেট বাউন্ডারির দিকে পাঠান জাকের। সীমানার দিকে যাওয়া বলটি ডাইভ দিয়ে ক্যাচ নেওয়ার চেষ্টা করেন ম্যাকয়, তবে নিতে পারেননি। উল্টো হাতে আঘাত পান।

জাকের ও শামীম দৌড়ে রান নিচ্ছিলেন। তবে দ্বিতীয় রান নিতে নিতে বুঝতে পারেন ম্যাকয় আঘাত পাওয়াতেই বল তুলে ফেরত পাঠাতে পারছেন না। বাংলাদেশ দলের দুই ব্যাটসম্যান তখন সুযোগ থাকা সত্ত্বেও তৃতীয় রান নেওয়া থেকে বিরত থাকেন।

জাকের-শামীমের এই ঘটনাকে তাৎক্ষণিকভাবে ‘গ্রেট স্পোর্টসম্যানশিপ’ বলে আখ্যা দেন বিশপ। পরে ম্যাচ শেষ হলে এক্সে এটিকে ‘স্পিরিট অব ক্রিকেট’ অ্যাওয়ার্ডের জন্যও সুপারিশ করেন।

এক্সে বিশপ লিখেন, ‘যদি আইসিসি ২০২৪ সালের স্পিরিট অব ক্রিকেট অ্যাওয়ার্ড দেয়, আমার পরামর্শ সেই মুহূর্তটিকে দেওয়ার, যখন সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে জাকের আলী ও শামীম হোসেনের রানের জন্য দৌড় থামিয়ে দিয়েছেন এটা বুঝতে পেরে যে, আউটফিল্ড ক্যাচ নিতে গিয়ে ওবেদ ম্যাকয় আঘাত পেয়েছেন।’

প্রতি বছর ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার দিয়ে থাকে। এর মধ্যে একটি ‘আইসিসি স্পিরিট অব ক্রিকেট’। ‘স্পিরিট অব দ্য গেম’ সমুন্নত রাখার জন্য সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দল বা ঘটনাকে এই পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।

এ ক্ষেত্রে প্রতিপক্ষ, প্রতিপক্ষের অধিনায়ক ও দল, আম্পায়ারের ভূমিকা, ক্রিকেটের ঐতিহ্যগত মূল্যবোধের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হয়।

২০২৩ সালে ‘আইসিসি স্পিরিট অব ক্রিকেট’ পুরস্কার পেয়েছিল জিম্বাবুয়ে দল। তার আগে ২০১১ থেকে ২০২২ পর্যন্ত টানা ১২ বছর পুরস্কারটি জিতেছেন খেলোয়াড়েরা। বাংলাদেশের কেউ অবশ্য এখন পর্যন্ত ‘আইসিসি স্পিরিট অব ক্রিকেট’ পুরস্কার পাননি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বাবার সঙ্গে বড় ভাইয়ের শ্বশুরের অনন্য বন্ধন, স্মৃতিতে আজও অমলিন দুই প্রিয় মানুষ

জাকের-শামীমকে যে পুরস্কার দিতে বললেন উইন্ডিজ কিংবদন্তি

আপডেট টাইম : ১১:৫২:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৪

২০২৪ সালের ‘স্পিরিট অব ক্রিকেট’ পুরস্কারটা জাকের আলী ও শামীম হোসেনকেই দেওয়া হোক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সের মাধ্যমে আইসিসির কাছে এমনই সুপারিশ করেছেন ইয়ান বিশপ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক এই ক্রিকেটার তার আগেই অবশ্য ধারাভাষ্যকক্ষে বসে নিজের মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন।

গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সেন্ট ভিনসেন্টে বাংলাদেশ ইনিংসের ১৪তম ওভারের সময়। গুড়াকেশ মোটির করা ওভারের প্রথম বল টেনে মিড উইকেট বাউন্ডারির দিকে পাঠান জাকের। সীমানার দিকে যাওয়া বলটি ডাইভ দিয়ে ক্যাচ নেওয়ার চেষ্টা করেন ম্যাকয়, তবে নিতে পারেননি। উল্টো হাতে আঘাত পান।

জাকের ও শামীম দৌড়ে রান নিচ্ছিলেন। তবে দ্বিতীয় রান নিতে নিতে বুঝতে পারেন ম্যাকয় আঘাত পাওয়াতেই বল তুলে ফেরত পাঠাতে পারছেন না। বাংলাদেশ দলের দুই ব্যাটসম্যান তখন সুযোগ থাকা সত্ত্বেও তৃতীয় রান নেওয়া থেকে বিরত থাকেন।

জাকের-শামীমের এই ঘটনাকে তাৎক্ষণিকভাবে ‘গ্রেট স্পোর্টসম্যানশিপ’ বলে আখ্যা দেন বিশপ। পরে ম্যাচ শেষ হলে এক্সে এটিকে ‘স্পিরিট অব ক্রিকেট’ অ্যাওয়ার্ডের জন্যও সুপারিশ করেন।

এক্সে বিশপ লিখেন, ‘যদি আইসিসি ২০২৪ সালের স্পিরিট অব ক্রিকেট অ্যাওয়ার্ড দেয়, আমার পরামর্শ সেই মুহূর্তটিকে দেওয়ার, যখন সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে জাকের আলী ও শামীম হোসেনের রানের জন্য দৌড় থামিয়ে দিয়েছেন এটা বুঝতে পেরে যে, আউটফিল্ড ক্যাচ নিতে গিয়ে ওবেদ ম্যাকয় আঘাত পেয়েছেন।’

প্রতি বছর ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার দিয়ে থাকে। এর মধ্যে একটি ‘আইসিসি স্পিরিট অব ক্রিকেট’। ‘স্পিরিট অব দ্য গেম’ সমুন্নত রাখার জন্য সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দল বা ঘটনাকে এই পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।

এ ক্ষেত্রে প্রতিপক্ষ, প্রতিপক্ষের অধিনায়ক ও দল, আম্পায়ারের ভূমিকা, ক্রিকেটের ঐতিহ্যগত মূল্যবোধের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হয়।

২০২৩ সালে ‘আইসিসি স্পিরিট অব ক্রিকেট’ পুরস্কার পেয়েছিল জিম্বাবুয়ে দল। তার আগে ২০১১ থেকে ২০২২ পর্যন্ত টানা ১২ বছর পুরস্কারটি জিতেছেন খেলোয়াড়েরা। বাংলাদেশের কেউ অবশ্য এখন পর্যন্ত ‘আইসিসি স্পিরিট অব ক্রিকেট’ পুরস্কার পাননি।