ঢাকা ১১:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ইটনা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে চান সাবেক ছাত্রদল নেতা আনম উল্লাহ সানি সাইকেলে চড়তেন, ৫ আগস্টের তিন দিন পর প্রাডো গাড়িতে চড়েছেন আওয়ামী আমলের আমলনামা উন্নয়নের আড়ালে ২৮ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি ২৯ অক্টোবর মধ্য রাত থেকে উঠে যাচ্ছে ইলিশ রক্ষার নিষেধাজ্ঞা স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে জুবাইদা রহমানের আহ্বান কৃষিতেও বাড়ছে খেলাপির চাপ ৩১ অক্টোবর লংমার্চ সফল করতে ১১ দলীয় ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছ: হুমায়ূন কবির আইজিপি সহজ-সরল মানুষ, ক্রসফায়ার নিয়ে বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা

বাবার সঙ্গে বড় ভাইয়ের শ্বশুরের অনন্য বন্ধন, স্মৃতিতে আজও অমলিন দুই প্রিয় মানুষ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৮৭ বার

Oplus_16908288

আজিজুল হক (আমেরিকান প্রবাসী) : কিছু সম্পর্ক রক্তের বন্ধনে গড়ে ওঠে না, গড়ে ওঠে ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, আন্তরিকতা আর হৃদয়ের গভীর টানে। তেমনই এক অনন্য সম্পর্কের স্মৃতি আজও বয়ে বেড়াচ্ছেন আমেরিকান প্রবাসী আজিজুল হক সাইদু। তাঁর বাবা ফজলুল হক এবং বড় ভাইয়ের শ্বশুর মুসলিম উদ্দিন মেম্বার—দুজনেই আজ এই পৃথিবীতে নেই। কিন্তু তাঁদের পারস্পরিক ভালোবাসা, মমতা ও বন্ধুত্বের স্মৃতি এখনো স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের হৃদয়ে অমলিন।

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার বৈরাটী ইউনিয়নে জন্ম নেওয়া এই দুই মানুষ তাঁদের জীবদ্দশায় পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্যের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন। তাঁদের সম্পর্ক ছিল নিছক আত্মীয়তার গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়; বরং সময়ের সঙ্গে তা রূপ নিয়েছিল গভীর বন্ধুত্ব ও আত্মিক টানে।

আজিজুল হক তাঁর ফেসবুক স্ট্যাটাসে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করে লিখেছেন, তাঁর বাবা ফজলুল হক ও মুসলিম উদ্দিন মেম্বারের সম্পর্ক ছিল ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও আন্তরিকতার এক গভীর বন্ধন। তাঁরা ছিলেন একে অপরের সুখ-দুঃখের সঙ্গী, পরামর্শদাতা এবং সবচেয়ে কাছের বন্ধু।

এই সম্পর্কের পেছনে কোনো স্বার্থ কিংবা প্রত্যাশা ছিল না। ছিল শুধু নিখাদ মমতা, আন্তরিকতা এবং হৃদয়ের টান। জীবনের নানা সময়ে তাঁরা একে অপরের পাশে দাঁড়িয়েছেন, পরামর্শ দিয়েছেন এবং পারস্পরিক ভালোবাসা ও সম্মানের মধ্য দিয়ে সম্পর্কটিকে আরও গভীর করে তুলেছেন।

সময়ের নির্মম পরিহাসে আজ দুজনের কেউই পৃথিবীতে নেই। তাঁদের চলে যাওয়ায় স্বজনদের হৃদয়ে তৈরি হয়েছে গভীর শূন্যতা। তবে তাঁদের রেখে যাওয়া ভালোবাসা ও সম্পর্কের স্মৃতি যেন আজও জীবন্ত। প্রিয় দুই মানুষের সেই আন্তরিক সম্পর্কের গল্প নতুন প্রজন্মের জন্যও হয়ে আছে এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।

আজিজুল হক তাঁর স্মৃতিচারণে বলেন, ভালোবাসা ও সম্মান থাকলে একটি সম্পর্ক সময়ের সীমানা পেরিয়ে চিরন্তন হয়ে থাকে। তাঁর বাবা ও মুসলিম উদ্দিন মেম্বারের সম্পর্কও তেমনই—দুজন মানুষ চলে গেছেন, কিন্তু তাঁদের ভালোবাসার স্মৃতি রয়ে গেছে আপনজনদের হৃদয়ে।

প্রিয় এই দুই মানুষের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা। একই সঙ্গে সবার কাছে তাঁদের জন্য দোয়া করার অনুরোধ জানিয়েছেন আমেরিকান প্রবাসী আজিজুল হক সাইদু।

আল্লাহ যেন মরহুম ফজলুল হক ও মরহুম মুসলিম উদ্দিন মেম্বারকে ক্ষমা করে দেন, তাঁদের কবরকে নূরে ভরে দেন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন—আমিন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ইটনা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে চান সাবেক ছাত্রদল নেতা আনম উল্লাহ সানি

বাবার সঙ্গে বড় ভাইয়ের শ্বশুরের অনন্য বন্ধন, স্মৃতিতে আজও অমলিন দুই প্রিয় মানুষ

আপডেট টাইম : ০১:০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আজিজুল হক (আমেরিকান প্রবাসী) : কিছু সম্পর্ক রক্তের বন্ধনে গড়ে ওঠে না, গড়ে ওঠে ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, আন্তরিকতা আর হৃদয়ের গভীর টানে। তেমনই এক অনন্য সম্পর্কের স্মৃতি আজও বয়ে বেড়াচ্ছেন আমেরিকান প্রবাসী আজিজুল হক সাইদু। তাঁর বাবা ফজলুল হক এবং বড় ভাইয়ের শ্বশুর মুসলিম উদ্দিন মেম্বার—দুজনেই আজ এই পৃথিবীতে নেই। কিন্তু তাঁদের পারস্পরিক ভালোবাসা, মমতা ও বন্ধুত্বের স্মৃতি এখনো স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের হৃদয়ে অমলিন।

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার বৈরাটী ইউনিয়নে জন্ম নেওয়া এই দুই মানুষ তাঁদের জীবদ্দশায় পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্যের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন। তাঁদের সম্পর্ক ছিল নিছক আত্মীয়তার গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়; বরং সময়ের সঙ্গে তা রূপ নিয়েছিল গভীর বন্ধুত্ব ও আত্মিক টানে।

আজিজুল হক তাঁর ফেসবুক স্ট্যাটাসে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করে লিখেছেন, তাঁর বাবা ফজলুল হক ও মুসলিম উদ্দিন মেম্বারের সম্পর্ক ছিল ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও আন্তরিকতার এক গভীর বন্ধন। তাঁরা ছিলেন একে অপরের সুখ-দুঃখের সঙ্গী, পরামর্শদাতা এবং সবচেয়ে কাছের বন্ধু।

এই সম্পর্কের পেছনে কোনো স্বার্থ কিংবা প্রত্যাশা ছিল না। ছিল শুধু নিখাদ মমতা, আন্তরিকতা এবং হৃদয়ের টান। জীবনের নানা সময়ে তাঁরা একে অপরের পাশে দাঁড়িয়েছেন, পরামর্শ দিয়েছেন এবং পারস্পরিক ভালোবাসা ও সম্মানের মধ্য দিয়ে সম্পর্কটিকে আরও গভীর করে তুলেছেন।

সময়ের নির্মম পরিহাসে আজ দুজনের কেউই পৃথিবীতে নেই। তাঁদের চলে যাওয়ায় স্বজনদের হৃদয়ে তৈরি হয়েছে গভীর শূন্যতা। তবে তাঁদের রেখে যাওয়া ভালোবাসা ও সম্পর্কের স্মৃতি যেন আজও জীবন্ত। প্রিয় দুই মানুষের সেই আন্তরিক সম্পর্কের গল্প নতুন প্রজন্মের জন্যও হয়ে আছে এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।

আজিজুল হক তাঁর স্মৃতিচারণে বলেন, ভালোবাসা ও সম্মান থাকলে একটি সম্পর্ক সময়ের সীমানা পেরিয়ে চিরন্তন হয়ে থাকে। তাঁর বাবা ও মুসলিম উদ্দিন মেম্বারের সম্পর্কও তেমনই—দুজন মানুষ চলে গেছেন, কিন্তু তাঁদের ভালোবাসার স্মৃতি রয়ে গেছে আপনজনদের হৃদয়ে।

প্রিয় এই দুই মানুষের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা। একই সঙ্গে সবার কাছে তাঁদের জন্য দোয়া করার অনুরোধ জানিয়েছেন আমেরিকান প্রবাসী আজিজুল হক সাইদু।

আল্লাহ যেন মরহুম ফজলুল হক ও মরহুম মুসলিম উদ্দিন মেম্বারকে ক্ষমা করে দেন, তাঁদের কবরকে নূরে ভরে দেন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন—আমিন।