গত সপ্তাহে শেরপুর সদরের সংরক্ষিত আসনের এমপি ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা নিজের এলাকায় পিআইও পেতে মন্ত্রণালয়ে সচিব ও মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। আশ্বাসের বাণী নিয়ে ফিরে যান। কবে পাবেন তা অনিশ্চিত। ওই সপ্তাহে আরও একাধিক এমপি এসেছিলেন পিআইও পেতে। কেউ তার এলাকার পিআইও বদলি করে অন্য এলাকার পিআইওকে চাচ্ছেন। দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা বলেন, একজন এমপি তার এলাকার উন্নয়নে পিআইও চাইবেন এটা স্বাভাবিক। তবে আমাদের পিআইও কম থাকায় অনেক স্থানে দুই উপজেলার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন একজন। মন্ত্রী-সচিব প্রতিদিনই এ আবাদার শুনছেন কিন্তু এই মুহূর্তে সমাধান নেই। আইনি জটিলতায় থেমে আছে বিষয়টি।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সারা দেশে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির মিলে মোট পিআইও পদ রয়েছে ৫০৭টি। কর্মরত আছেন ৪৮৫ জন। সে হিসাবে ২২ উপজেলাই পিআইও নেই। এর বাইরে অনেক পিআইও বিভিন্ন প্রকল্পে সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। সে হিসেবে প্রায় অর্ধশত উপজেলায় পিআইও নেই। এ উপজেলাগুলোতে পাশের উপজেলার কমকর্তাকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া আছে। অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকার কারণে মাঠপর্যায়ে টিআর, কাবিখা, কাবিটা ও স্বল্প সময়ের কর্মসূচিগুলো কোথাও ফাইলবন্দি, কোথাও থেমে আছে বা ধীরগতি। বন্যা, খরা বা আকস্মিক প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময়ে মাঠপর্যায়ে ত্রাণ বণ্টন এবং উদ্ধার তৎপরতার তদারকিতে বড় ধরনের প্রশাসনিক জটিলতা ও সমন্বয়হীনতা তৈরি হচ্ছে। এলাকার সংসদ সদস্যরা সরাসরি সচিবালয়ের বারান্দায় প্রতিদিন ডিও লেটার (আধা-সরকারি পত্র) হাতে ভিড় করছেন।
এ বিষয়ে দুর্যোগব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, অনেক উপজেলায় পিআইও-সংকট আছে, এমপিরাও চাচেছন। আইনি জটিলতায় নতুন নিয়োগ দেওয়া যাচ্ছে না। তবে আমরা বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছি।
Reporter Name 















