ঢাকা ১২:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস দিল্লিতে বসে হুঙ্কার দিয়ে লাভ নেই, সীমানায় ঢুকলেই গ্রেপ্তার: আইনমন্ত্রী

মিঠামইন অষ্টগ্রাম হাওরের অলওয়েদার সড়কে আলপনা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:১৪:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪
  • ২৫৩ বার

♦️কেউ কইতাছে অহেতুক টাকা অপচয়!
♦️কেউ কইতাছে কেমিক্যালে ক্ষেত নষ্ট হবে!
♦️কেউ কইতাছে কেমিক্যাল দিয়ে পানি দূষিত হবে!
♦️কেউ কইতাছে মানুষের বাড়ীতে রঙ নাই,রাস্তায় রঙ।

আইচ্ছা,
টাকাগুলান কি কেউ আপনার কাছ থেইকা নিছে নাকি আপনার বাপের কাছ থেকে নিছে?এই টাকা সরকারও খরচ করে নাই যে আপনি কইবেন —-আপনার ট্যাক্সের টাকা নয় ছয় করছে। সরকার অপচয় করছে।

এই প্রকল্পটা ছিল বাংলালিংক,এশিয়াটিক আর বার্জার পেইন্টস এর যৌথ উদ্যোগে।এখন তিনারা কি আপনারে জিগাইয়া কাজ করবে?আপনার টেকা দিয়া কোন কিছু করবার আগে কি আপনি কাউরে জিগান।

এবার আসি দ্বিতীয় আর তৃতীয় ধাপে। মানে পড়ালেখা না করা ব্যক্তিটাও যখন পরিবেশবিদ হইয়া ওঠে।আচ্ছা আপনার কি মনে হয় —এতো বড় একটা কাজ করবার অনুমতি কি সরকার না বুইঝাই দিছে? কেমিক্যাল দিয়া পরিবেশ ধ্বংসের কথা বলছেন। একবারও কি ভাবছেন যে বৃষ্টিতে এ রঙ ধুয়ে যাবার আগেই রোদে এর টেম্পার নষ্ট হয়ে যাবে।

এবার আসি শেষ ধাপে। মানে মানুষের বাড়ীতে রং নাই, রাস্তায় রং কেন? হাহাহা!আপনার বাড়ীর রং কি বার্জার পেইন্টস আইসা কইরা দিবে? আপনি কোনহানের কোন কুতুব? বাংলালিংক বা এশিয়াটিকেরই কি ঠেকা পড়ছে আপনার বাড়ী রং করে দেয়ার।আপনি কি তার বেয়াই।

বুড়িগঙ্গা আর শীতলক্ষ্যা নদী যে রাসায়নিকের প্রভাবে মৃতপ্রায়, সেটা নিয়ে আপনি কি কখনো কথা বলেছেন? হাজার হাজার কোটি টাকা পাচারের কেউকেউ বিদেশে লুকাইয়া আছে। তাদের নিয়া কি কখনো কথা বলছেন? আপনি নিজেও অনেক বাজে খরচ করেন।সেই খরচের লাগাম টেনে কারো কোন উপকার করেছেন কি? নাকি পরিবেশের প্রেমে দশ-বিশটা গাছ আপনি লাগাইছেন।

আমি জানি আপনি কিছুই করেন নাই এবং ভবিষ্যতেও করবেন না। ৭ কোটি কেন, ৭ হাজার কোটি টাকাও যদি অন্য কোন খাতে অপচয় হতো, তখনও আপনি একটা শব্দও করবেন না।

তো হঠাৎ এতো যাতা লাগলো কেন?
কারণ বাঙালিয়ানাটা আপনাদের পছন্দ নয়। আপনারা অনুভূতির দোহাই দিয়ে বাঙালিয়ানাটা ঠেকাইতে চান। পহেলা বৈশাখ নিয়ে আপনাদের চুলকানি নতুন নয়।এই চুলকানি আপনারা ফি বছর ছড়িয়ে দিচ্ছেন। তারপরও যখন দেখছেন লোকজন চুলকাচ্ছেনা।তখনই আপনারা আসলেন বৈশাখের এই আলপনার সমালোচনা করতে।

এইসব আমরা বুঝিরে পাগলা!
বাঙালির আবেগ আর সৃজনশীলতাটাকে রোখার সাধ্য আপনাদের নাই। কোন ঔষধেই কাজ হবেনারে পাগলা। পহেলা বৈশাখ আমাদের আবেগ। বাঙালির আবেগকে রুখবার সাধ্য কারো নাই।

ফেইজবুকের লেখা

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন

মিঠামইন অষ্টগ্রাম হাওরের অলওয়েদার সড়কে আলপনা

আপডেট টাইম : ০৬:১৪:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪

♦️কেউ কইতাছে অহেতুক টাকা অপচয়!
♦️কেউ কইতাছে কেমিক্যালে ক্ষেত নষ্ট হবে!
♦️কেউ কইতাছে কেমিক্যাল দিয়ে পানি দূষিত হবে!
♦️কেউ কইতাছে মানুষের বাড়ীতে রঙ নাই,রাস্তায় রঙ।

আইচ্ছা,
টাকাগুলান কি কেউ আপনার কাছ থেইকা নিছে নাকি আপনার বাপের কাছ থেকে নিছে?এই টাকা সরকারও খরচ করে নাই যে আপনি কইবেন —-আপনার ট্যাক্সের টাকা নয় ছয় করছে। সরকার অপচয় করছে।

এই প্রকল্পটা ছিল বাংলালিংক,এশিয়াটিক আর বার্জার পেইন্টস এর যৌথ উদ্যোগে।এখন তিনারা কি আপনারে জিগাইয়া কাজ করবে?আপনার টেকা দিয়া কোন কিছু করবার আগে কি আপনি কাউরে জিগান।

এবার আসি দ্বিতীয় আর তৃতীয় ধাপে। মানে পড়ালেখা না করা ব্যক্তিটাও যখন পরিবেশবিদ হইয়া ওঠে।আচ্ছা আপনার কি মনে হয় —এতো বড় একটা কাজ করবার অনুমতি কি সরকার না বুইঝাই দিছে? কেমিক্যাল দিয়া পরিবেশ ধ্বংসের কথা বলছেন। একবারও কি ভাবছেন যে বৃষ্টিতে এ রঙ ধুয়ে যাবার আগেই রোদে এর টেম্পার নষ্ট হয়ে যাবে।

এবার আসি শেষ ধাপে। মানে মানুষের বাড়ীতে রং নাই, রাস্তায় রং কেন? হাহাহা!আপনার বাড়ীর রং কি বার্জার পেইন্টস আইসা কইরা দিবে? আপনি কোনহানের কোন কুতুব? বাংলালিংক বা এশিয়াটিকেরই কি ঠেকা পড়ছে আপনার বাড়ী রং করে দেয়ার।আপনি কি তার বেয়াই।

বুড়িগঙ্গা আর শীতলক্ষ্যা নদী যে রাসায়নিকের প্রভাবে মৃতপ্রায়, সেটা নিয়ে আপনি কি কখনো কথা বলেছেন? হাজার হাজার কোটি টাকা পাচারের কেউকেউ বিদেশে লুকাইয়া আছে। তাদের নিয়া কি কখনো কথা বলছেন? আপনি নিজেও অনেক বাজে খরচ করেন।সেই খরচের লাগাম টেনে কারো কোন উপকার করেছেন কি? নাকি পরিবেশের প্রেমে দশ-বিশটা গাছ আপনি লাগাইছেন।

আমি জানি আপনি কিছুই করেন নাই এবং ভবিষ্যতেও করবেন না। ৭ কোটি কেন, ৭ হাজার কোটি টাকাও যদি অন্য কোন খাতে অপচয় হতো, তখনও আপনি একটা শব্দও করবেন না।

তো হঠাৎ এতো যাতা লাগলো কেন?
কারণ বাঙালিয়ানাটা আপনাদের পছন্দ নয়। আপনারা অনুভূতির দোহাই দিয়ে বাঙালিয়ানাটা ঠেকাইতে চান। পহেলা বৈশাখ নিয়ে আপনাদের চুলকানি নতুন নয়।এই চুলকানি আপনারা ফি বছর ছড়িয়ে দিচ্ছেন। তারপরও যখন দেখছেন লোকজন চুলকাচ্ছেনা।তখনই আপনারা আসলেন বৈশাখের এই আলপনার সমালোচনা করতে।

এইসব আমরা বুঝিরে পাগলা!
বাঙালির আবেগ আর সৃজনশীলতাটাকে রোখার সাধ্য আপনাদের নাই। কোন ঔষধেই কাজ হবেনারে পাগলা। পহেলা বৈশাখ আমাদের আবেগ। বাঙালির আবেগকে রুখবার সাধ্য কারো নাই।

ফেইজবুকের লেখা