ঢাকা ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
‘দেশে যদি তেলই না থাকে, তাহলে লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না এমন প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিউইয়র্ক সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হতে পারে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ব্যাংকে পুরোনো মালিকদের ফেরার পথ বন্ধ চায় সংসদীয় কমিটি প্রধানমন্ত্রীকে দুই বিষয়ে সতর্ক থাকতে বললেন মির্জা আব্বাস ১১ দলীয় ঐক্যের বিশাল সমাবেশ জনগণের প্রয়োজনে যেকোনো সময় আন্দোলনের ডাক: ডা. শফিকুর রহমান ইতিহাসের সেরা ২ নারী গোয়েন্দা ৮ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব নেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি বিভ্রান্তির মাধ্যমে অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধ-পরবর্তী মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র, লক্ষ্য কী দক্ষিণখানে অস্ত্র-মাদকসহ কিশোর গ্যাংয়ের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

এবার দক্ষিণ গাজায় ইসরাইলের স্থল অভিযান শুরু, নিহত হামাস কমান্ডার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:২৮:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৩
  • ১৭৮ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ৭ অক্টোবর থেকে গাজাকে অবরুদ্ধ করে নির্বিচার বোমা হামলা চালিয়ে আসছে ইসরাইল। পাশাপাশি তারা গাজায় স্থল অভিযানও চালাচ্ছে।

স্থলপথে অভিযান চালাতে দক্ষিণ গাজায় ঢুকে পড়েছে ইসরাইলি বাহিনী। আকাশপথে হামলার পাশাপাশি ট্যাংক নিয়ে সেখানে অভিযান চালানো হচ্ছে। গাজা নগরীতে হামাসের একজন কমান্ডারকে হত্যার কথা জানিয়েছে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা বাহিনী।

ইসরাইলের সেনাবাহিনী পরিচালিত রেডিওতে বলা হয়েছে, খান ইউনিসের উত্তরাঞ্চলে অভিযান চালানো হচ্ছে। খান ইউনিসের পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে স্থল হামলায় অংশ নেওয়া একটি ট্যাংকের ছবি বিবিসির কাছে এসেছে। বিবিসি ওই ছবির সত্যতা যাচাই করে দেখেছে।

পরে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান (আইডিএফ) লেফটেন্যান্ট জেনারেল হেরজি হালেভি সেনাদের উদ্দেশে বলেছেন, ইসরাইলি সেনারা দক্ষিণ গাজায় ‘দৃঢ় ও পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে’ লড়াইয়ে অংশ নিয়েছে।

তিনি বলেন, আগে আমরা উত্তর গাজায় জোরালো ও পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে লড়াই করেছি। এখন দক্ষিণ গাজায় তা করা হচ্ছে।’

আইডিএফের প্রধান দাবি করেন, ইসরাইলের সেনারা গাজায় হামাসের একজন কমান্ডারকে হত্যা করেছে। ওই ব্যক্তি গত ৭ অক্টোবর ইসরাইলে হামলার পেছনে জড়িত ছিলেন।

গাজায় ইসরাইলের টানা ৪৭ দিনের হামলার পর গত ২৪ নভেম্বর প্রথম দফায় চার দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। এ যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্থতা করে কাতার, মিসর ও যুক্তরাষ্ট্র। দুই দফায় মোট তিন দিন বাড়ানো হয় যুদ্ধবিরতির মেয়াদ।

যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে আন্তর্জাতিক চাপ ও হামাসের পক্ষ থেকে নতুন করে প্রস্তাব দেওয়া সত্ত্বেও রাজি হয়নি ইসরাইল। শুক্রবার সকাল থেকে গাজায় আবার হামলা শুরু করে ইসরাইলি বাহিনী।

এর আগে উত্তর গাজায় অভিযানের সময় গাজাবাসীকে দক্ষিণে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল ইসরাইল। সেখানকার বাসিন্দাদের বেশিরভাগই তখন দক্ষিণাঞ্চলে আশ্রয় নেয়। এখন দক্ষিণ গাজায়ও ইসরাইল হামলা জোরদার করেছে। চালানো হচ্ছে স্থল অভিযান। এর ফলে পুরো গাজা এখন কার্যত অনিরাপদ হয়ে পড়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

‘দেশে যদি তেলই না থাকে, তাহলে লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না এমন প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

এবার দক্ষিণ গাজায় ইসরাইলের স্থল অভিযান শুরু, নিহত হামাস কমান্ডার

আপডেট টাইম : ১০:২৮:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৩

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ৭ অক্টোবর থেকে গাজাকে অবরুদ্ধ করে নির্বিচার বোমা হামলা চালিয়ে আসছে ইসরাইল। পাশাপাশি তারা গাজায় স্থল অভিযানও চালাচ্ছে।

স্থলপথে অভিযান চালাতে দক্ষিণ গাজায় ঢুকে পড়েছে ইসরাইলি বাহিনী। আকাশপথে হামলার পাশাপাশি ট্যাংক নিয়ে সেখানে অভিযান চালানো হচ্ছে। গাজা নগরীতে হামাসের একজন কমান্ডারকে হত্যার কথা জানিয়েছে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা বাহিনী।

ইসরাইলের সেনাবাহিনী পরিচালিত রেডিওতে বলা হয়েছে, খান ইউনিসের উত্তরাঞ্চলে অভিযান চালানো হচ্ছে। খান ইউনিসের পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে স্থল হামলায় অংশ নেওয়া একটি ট্যাংকের ছবি বিবিসির কাছে এসেছে। বিবিসি ওই ছবির সত্যতা যাচাই করে দেখেছে।

পরে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান (আইডিএফ) লেফটেন্যান্ট জেনারেল হেরজি হালেভি সেনাদের উদ্দেশে বলেছেন, ইসরাইলি সেনারা দক্ষিণ গাজায় ‘দৃঢ় ও পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে’ লড়াইয়ে অংশ নিয়েছে।

তিনি বলেন, আগে আমরা উত্তর গাজায় জোরালো ও পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে লড়াই করেছি। এখন দক্ষিণ গাজায় তা করা হচ্ছে।’

আইডিএফের প্রধান দাবি করেন, ইসরাইলের সেনারা গাজায় হামাসের একজন কমান্ডারকে হত্যা করেছে। ওই ব্যক্তি গত ৭ অক্টোবর ইসরাইলে হামলার পেছনে জড়িত ছিলেন।

গাজায় ইসরাইলের টানা ৪৭ দিনের হামলার পর গত ২৪ নভেম্বর প্রথম দফায় চার দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। এ যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্থতা করে কাতার, মিসর ও যুক্তরাষ্ট্র। দুই দফায় মোট তিন দিন বাড়ানো হয় যুদ্ধবিরতির মেয়াদ।

যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে আন্তর্জাতিক চাপ ও হামাসের পক্ষ থেকে নতুন করে প্রস্তাব দেওয়া সত্ত্বেও রাজি হয়নি ইসরাইল। শুক্রবার সকাল থেকে গাজায় আবার হামলা শুরু করে ইসরাইলি বাহিনী।

এর আগে উত্তর গাজায় অভিযানের সময় গাজাবাসীকে দক্ষিণে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল ইসরাইল। সেখানকার বাসিন্দাদের বেশিরভাগই তখন দক্ষিণাঞ্চলে আশ্রয় নেয়। এখন দক্ষিণ গাজায়ও ইসরাইল হামলা জোরদার করেছে। চালানো হচ্ছে স্থল অভিযান। এর ফলে পুরো গাজা এখন কার্যত অনিরাপদ হয়ে পড়েছে।