ঢাকা ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
‘দেশে যদি তেলই না থাকে, তাহলে লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না এমন প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিউইয়র্ক সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হতে পারে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ব্যাংকে পুরোনো মালিকদের ফেরার পথ বন্ধ চায় সংসদীয় কমিটি প্রধানমন্ত্রীকে দুই বিষয়ে সতর্ক থাকতে বললেন মির্জা আব্বাস ১১ দলীয় ঐক্যের বিশাল সমাবেশ জনগণের প্রয়োজনে যেকোনো সময় আন্দোলনের ডাক: ডা. শফিকুর রহমান ইতিহাসের সেরা ২ নারী গোয়েন্দা ৮ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব নেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি বিভ্রান্তির মাধ্যমে অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধ-পরবর্তী মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র, লক্ষ্য কী দক্ষিণখানে অস্ত্র-মাদকসহ কিশোর গ্যাংয়ের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হ্যাভিয়ার মিলেই জয়ী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:০৪:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ নভেম্বর ২০২৩
  • ১৩৩ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন মিডিয়া ব্যক্তিত্ব হ্যাভিয়ার মিলেই। ৫৩ বছর বয়সী এই রাজনীতিক ডানপন্থী নেতা হিসেবেই পরিচিত।

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনার সাবেক অর্থমন্ত্রী সের্গিও মেসাকে ১২ শতাংশ ভোটের ব্যবধানে হারিয়েছেন তিনি।

সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, হ্যাভিয়ার মিলেই পেয়েছেন ৫৬ শতাংশ ভোট এবং তার প্রতিদ্বন্দ্বী সের্গিও মেসা পেয়েছেন ৪৪ শতাংশ ভোট।

বিশ্লেষকরা বলছেন, মূল্যস্ফীতি, অর্থনৈতিক মন্দা এবং দারিদ্র্যে বিপর্যস্ত আর্জেন্টিনার নির্বাচনে সরকার পরিবর্তন সময়ের ব্যাপার ছিল মাত্র। একজন নতুন প্রার্থী হিসেবে তার ৫৬ শতাংশ ভোট পাওয়া জনমনের সেই আকাঙ্খার প্রতিফলন বলে মনে করছেন তারা।

এই জয়ের মাধ্যমে আর্জেন্টিনার ঘরোয়া রাজনীতিতে পেরোনিস্ট পার্টির গত ৮৩ বছরের আধিপত্যের অবসান ঘটিয়েছেন হ্যাভিয়ার মিলেই।

আর্জেন্টিনার নিয়ম অনুসারে, প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার জন্য একজন প্রার্থীকে অবশ্যই মোট ভোটের ৪৫ শতাংশের বেশি পেতে হবে এবং দ্বিতীয় স্থানে থাকা প্রার্থীর চেয়ে কমপক্ষে ১০ শতাংশ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হতে হবে।

গত ২২ অক্টোবর আর্জেন্টিনায় প্রথম দফার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কোনো প্রার্থী প্রয়োজনীয়সংখ্যক ভোট পাননি। প্রথম দফার নির্বাচনে ৩৬ দশমিক ৭ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন মাসা। মিলেই পেয়েছিলেন ৩০ শতাংশ ভোট। ফলে নির্বাচন দ্বিতীয় দফায় গড়ায়।

নির্বাচনে জয়ের তাতক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে মিলেই বলেন, আমাদের সামনে পর্বতপ্রমাণ সমস্যা অপেক্ষা করছে। এই সমস্যার উৎস মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব এবং দারিদ্র্য। এখন হাত গুটিয়ে বসে থাকার কোনো সুযোগ নেই।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

‘দেশে যদি তেলই না থাকে, তাহলে লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না এমন প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হ্যাভিয়ার মিলেই জয়ী

আপডেট টাইম : ০৬:০৪:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ নভেম্বর ২০২৩

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন মিডিয়া ব্যক্তিত্ব হ্যাভিয়ার মিলেই। ৫৩ বছর বয়সী এই রাজনীতিক ডানপন্থী নেতা হিসেবেই পরিচিত।

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনার সাবেক অর্থমন্ত্রী সের্গিও মেসাকে ১২ শতাংশ ভোটের ব্যবধানে হারিয়েছেন তিনি।

সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, হ্যাভিয়ার মিলেই পেয়েছেন ৫৬ শতাংশ ভোট এবং তার প্রতিদ্বন্দ্বী সের্গিও মেসা পেয়েছেন ৪৪ শতাংশ ভোট।

বিশ্লেষকরা বলছেন, মূল্যস্ফীতি, অর্থনৈতিক মন্দা এবং দারিদ্র্যে বিপর্যস্ত আর্জেন্টিনার নির্বাচনে সরকার পরিবর্তন সময়ের ব্যাপার ছিল মাত্র। একজন নতুন প্রার্থী হিসেবে তার ৫৬ শতাংশ ভোট পাওয়া জনমনের সেই আকাঙ্খার প্রতিফলন বলে মনে করছেন তারা।

এই জয়ের মাধ্যমে আর্জেন্টিনার ঘরোয়া রাজনীতিতে পেরোনিস্ট পার্টির গত ৮৩ বছরের আধিপত্যের অবসান ঘটিয়েছেন হ্যাভিয়ার মিলেই।

আর্জেন্টিনার নিয়ম অনুসারে, প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার জন্য একজন প্রার্থীকে অবশ্যই মোট ভোটের ৪৫ শতাংশের বেশি পেতে হবে এবং দ্বিতীয় স্থানে থাকা প্রার্থীর চেয়ে কমপক্ষে ১০ শতাংশ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হতে হবে।

গত ২২ অক্টোবর আর্জেন্টিনায় প্রথম দফার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কোনো প্রার্থী প্রয়োজনীয়সংখ্যক ভোট পাননি। প্রথম দফার নির্বাচনে ৩৬ দশমিক ৭ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন মাসা। মিলেই পেয়েছিলেন ৩০ শতাংশ ভোট। ফলে নির্বাচন দ্বিতীয় দফায় গড়ায়।

নির্বাচনে জয়ের তাতক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে মিলেই বলেন, আমাদের সামনে পর্বতপ্রমাণ সমস্যা অপেক্ষা করছে। এই সমস্যার উৎস মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব এবং দারিদ্র্য। এখন হাত গুটিয়ে বসে থাকার কোনো সুযোগ নেই।