ঢাকা ১০:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বলিউডে যত সিনেমা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:১৪:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৩
  • ৪৯ বার

কারার ঔ লোহ কবাট’ বিতর্ক ছাপিয়ে প্রশংসিত হয়েছে বলিউড ছবি ‘পিপ্পা’। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বলিউডে নির্মিত ছবির মধ্যে এটিকেই সেরা বলছেন অনেকে। চলুন দেখি বলিউডের আর কোন কোন ছবিতে উঠে এসেছে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের প্রসঙ্গ

পিপ্পা [২০২৩]

মুক্তিযুদ্ধে ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে অংশ নেয় ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর। তারও আগে ২১ নভেম্বর ‘ব্যাটল অব গরিবপুর’-এ পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে অংশ নেয় ভারতীয় মিত্রবাহিনী। যশোরের চৌগাছা উপজেলার গরিবপুরে প্রথমবারের মতো ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। মিত্রবাহিনীর বহরে ছিল যুদ্ধ ট্যাংক পিটি-৭৬। এটিকে ভারতীয় সেনারা বলতেন ‘পিপ্পা’। এখান থেকেই ছবির নামকরণ। শুরুতেই পাকিস্তানিদের গোলায় প্রাণ হারান ৪৫ ক্যাভালরি স্কোয়াড্রনের কমান্ডার মেজর দলজিৎ সিং নারাং। তখন যুদ্ধ পরিচালনার ভার এসে পড়ে তরুণ বলরাম সিং মেহতার কাঁধে। ব্রিগেডিয়ার বলরাম সিং মেহতার লেখা ‘দ্য বার্নিং শ্যাফিস’ অবলম্বনে দেশপ্রেম,বীরত্ব ও আত্মত্যাগের গল্প ‘পিপ্পা’। বাংলাদেশের দর্শক ছবিটি পছন্দ করেছেন। সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব খ ম হারুণ লেখেন, “এখন পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে সুনির্মিত এত বড় ক্যানভাসের ছবি আরেকটি নেই। যারা মুক্তিযুদ্ধ দেখেছেন তারা আবার একাত্তরকে খুঁজে পাবেন “পিপ্পা”র মাঝে।” নির্মাতা বুলবুল বিশ্বাস, অভিনেতা রওনক হাসান, সাংবাদিক জ ই মামুনসহ অনেকেই ছবিটির প্রতি মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন। সবার এক মত, এখানে মুক্তিবাহিনিকে যথাযথ সম্মান দেখানো হয়েছে। ১০ নভেম্বর অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওতে মুক্তি পেয়েছে  রাজা কৃষ্ণা মেনন পরিচালিত ছবিটি। ‘পিপ্পা’য় ক্যাপ্টেন বলরাম সিং মেহতা চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইশান খাট্টার। আরো আছেন ম্রুনাল ঠাকুর, সোনি রাজদান, প্রিয়াংশু পেনিয়ুলি।

১৯৭১  [২০০৭]

‘১৯৭১’-এর ছয় চরিত্র

১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া ছয় ভারতীয় সৈনিক বন্দি হয় পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে। ছয় বছর কারাবন্দি থাকার পর ১৯৭৭ সালে জেল থেকে পালিয়ে ভারতে ফিরে যাবার চেষ্টা করে তারা। অমৃত সাগর পরিচালিত ছবিটিতে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধ দেখানো না হলেও ঘটনা পরম্পরায় উঠে এসেছে মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন খন্ডচিত্র। অভিনয়ে আছেন মনোজ বাজপায়ী, রবি কিষাণ, কুমুদ মিশ্র, মানব কউল, দীপক দব্রিয়াল, পিযূষ মিশ্র প্রমুখ। সেরা সিনেমা হিসেবে ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে।

রাজি  [২০১৮]

অবসরপ্রাপ্ত ভারতীয় লেফটেন্যান্ট কমান্ডার হরিন্দর সিক্কার ‘কলিং সেহমাত’- উপন্যাস অবলম্বনে গোয়েন্দা থ্রিলারিটি বানিয়েছেন মেঘনা গুলজার। কাহিনীতে গুরুত্বপূর্ণ স্থান পেয়েছে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ। ১৯৭১ সালে কাশ্মীরের ব্যবসায়ী হেদায়েত খান ভারতীয় স্পাই হিসেবে কাজ করে। পাকিস্তানি আর্মির উচ্চ পদস্থ এক বন্ধুর ছেলের সঙ্গে নিজের মেয়ে সেহমাতকে বিয়ে দিয়ে পাকিস্তানে পাঠায় হেদায়েত। পাকিস্তানি সেনাদের নানা গোপন কৌশল ভারতীয় সেনাদের কাছে জানায় সেহমাত। এই সাহসী গুপ্তচরের ভূমিকায় দেখা যায় আলিয়া ভাটকে, তার স্বামীর ভূমিকায় ভিকি কৌশল। ছবিটির জন্য ফিল্মফেয়ারসহ একাধিক পুরস্কার পেয়েছেন অভিনেত্রী।

চিলড্রেন অব ওয়ার  [২০১৪]

এই ছবির আগাগোড়াই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ। মৃতুঞ্জয় দেবব্রতর ছবিটির প্রথমে নাম ছিল ‘দ্য বাস্টার্ড চাইল্ড’, ‘বাস্টার্ড’ শব্দটিতে সেন্সরবোর্ড আপত্তি তোলায় নামটি বাদ দেন নির্মাতা। ২৫ মার্চের গণহত্যা থেকে শুরু করে নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে নারী নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরা হয়েছে ছবিতে। তবে ইতিহাস বর্ণনায় কিছু দুর্বলতা ও মাত্রাতিরিক্ত নৃশংসতা ও যৌনতা উপস্থাপনের দোষে দুষ্ট ছবিটি। অভিনয়ে রাইমা সেন, রুদ্রনীল, ভিক্টর ব্যানার্জি প্রমুখ।

মুক্তি-বার্থ অব আ নেশন   [২০১৭]

মনু চোবের ২২ মিনিট দৈর্ঘ্যরৈ ছবিতে দেখানো হয়েছে কীভাবে ভারতীয় লেফটেনেন্ট জেনারেল জে এফ আর জ্যাকবের কারণে পাল্টে গিয়েছিল যুদ্ধের গতিপ্রবাহ। পাকিস্তানি জেনারেল এ এ খান নিয়াজীর সঙ্গে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইহুদি এই অফিসারের চৌকস ও বুদ্ধিদীপ্ত কথোপকথন। মিলিন্দ সুমন, যশপাল শর্মা অভিনীত ছবিটি বেশ প্রশংসিত হয়েছে।

শ্যাম বাহাদুর’-এ ভিকি কৌশল

স্বাধীনতাযুদ্ধের পরপর বেশ কয়েকটি বাণিজ্যিক ছবি হয়েছে বলিউডে-‘জয় বাংলাদেশ’ [১৯৭১], ‘হিন্দুস্তান কি কসম’ [১৯৭৩], ‘আক্রমন’ [১৯৭৫’। ছবিগুলোতে বাণিজ্যিক ফরমুলায় নায়কের বীরত্ব দেখানোতেই আগ্রহ ছিল পরিচালকদের। ইতিহাস, তথ্য সেভাবে আসেনি। ‘রিফিউজি’ [২০০০] ও ‘গুন্ডে’ [২০১৪] ছবি দুটিতে ভারতে আশ্রয় নেওয়া বাংলাদেশি শরণার্থীদের চরিত্র এসেছে কেবল। ‘বর্ডার’ [১৯৯৭], ‘১৬ ডিসেম্বর’ [২০০২], ‘১৯৭১ : বিয়ন্ড বর্ডারস’ [২০১৭], ‘আইবি ৭১’ [২০২৩] ছবিগুলোতে প্রসঙ্গক্রমে এসেছে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ। তবে ‘দ্য গাজী অ্যাটাক’ [২০১৭] ছবিতে ভালো গুরুত্ব পেয়েছে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ। আসছে ১ ডিসেম্বর মুক্তি পাবে ‘শ্যাম বাহাদুর’। স্বাধীনতাযুদ্ধে বাংলাদেশ-ভারত যৌথবাহিনীর প্রধান ছিলেন শ্যাম মানেকশ। মেঘনা গুলজারের এই ছবিতে মুক্তিযুদ্ধ বেশ ভালোভাবে উঠে আসবে, এমন আশাবাদ অনেকের।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বলিউডে যত সিনেমা

আপডেট টাইম : ১১:১৪:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৩

কারার ঔ লোহ কবাট’ বিতর্ক ছাপিয়ে প্রশংসিত হয়েছে বলিউড ছবি ‘পিপ্পা’। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বলিউডে নির্মিত ছবির মধ্যে এটিকেই সেরা বলছেন অনেকে। চলুন দেখি বলিউডের আর কোন কোন ছবিতে উঠে এসেছে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের প্রসঙ্গ

পিপ্পা [২০২৩]

মুক্তিযুদ্ধে ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে অংশ নেয় ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর। তারও আগে ২১ নভেম্বর ‘ব্যাটল অব গরিবপুর’-এ পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে অংশ নেয় ভারতীয় মিত্রবাহিনী। যশোরের চৌগাছা উপজেলার গরিবপুরে প্রথমবারের মতো ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। মিত্রবাহিনীর বহরে ছিল যুদ্ধ ট্যাংক পিটি-৭৬। এটিকে ভারতীয় সেনারা বলতেন ‘পিপ্পা’। এখান থেকেই ছবির নামকরণ। শুরুতেই পাকিস্তানিদের গোলায় প্রাণ হারান ৪৫ ক্যাভালরি স্কোয়াড্রনের কমান্ডার মেজর দলজিৎ সিং নারাং। তখন যুদ্ধ পরিচালনার ভার এসে পড়ে তরুণ বলরাম সিং মেহতার কাঁধে। ব্রিগেডিয়ার বলরাম সিং মেহতার লেখা ‘দ্য বার্নিং শ্যাফিস’ অবলম্বনে দেশপ্রেম,বীরত্ব ও আত্মত্যাগের গল্প ‘পিপ্পা’। বাংলাদেশের দর্শক ছবিটি পছন্দ করেছেন। সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব খ ম হারুণ লেখেন, “এখন পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে সুনির্মিত এত বড় ক্যানভাসের ছবি আরেকটি নেই। যারা মুক্তিযুদ্ধ দেখেছেন তারা আবার একাত্তরকে খুঁজে পাবেন “পিপ্পা”র মাঝে।” নির্মাতা বুলবুল বিশ্বাস, অভিনেতা রওনক হাসান, সাংবাদিক জ ই মামুনসহ অনেকেই ছবিটির প্রতি মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন। সবার এক মত, এখানে মুক্তিবাহিনিকে যথাযথ সম্মান দেখানো হয়েছে। ১০ নভেম্বর অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওতে মুক্তি পেয়েছে  রাজা কৃষ্ণা মেনন পরিচালিত ছবিটি। ‘পিপ্পা’য় ক্যাপ্টেন বলরাম সিং মেহতা চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইশান খাট্টার। আরো আছেন ম্রুনাল ঠাকুর, সোনি রাজদান, প্রিয়াংশু পেনিয়ুলি।

১৯৭১  [২০০৭]

‘১৯৭১’-এর ছয় চরিত্র

১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া ছয় ভারতীয় সৈনিক বন্দি হয় পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে। ছয় বছর কারাবন্দি থাকার পর ১৯৭৭ সালে জেল থেকে পালিয়ে ভারতে ফিরে যাবার চেষ্টা করে তারা। অমৃত সাগর পরিচালিত ছবিটিতে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধ দেখানো না হলেও ঘটনা পরম্পরায় উঠে এসেছে মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন খন্ডচিত্র। অভিনয়ে আছেন মনোজ বাজপায়ী, রবি কিষাণ, কুমুদ মিশ্র, মানব কউল, দীপক দব্রিয়াল, পিযূষ মিশ্র প্রমুখ। সেরা সিনেমা হিসেবে ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে।

রাজি  [২০১৮]

অবসরপ্রাপ্ত ভারতীয় লেফটেন্যান্ট কমান্ডার হরিন্দর সিক্কার ‘কলিং সেহমাত’- উপন্যাস অবলম্বনে গোয়েন্দা থ্রিলারিটি বানিয়েছেন মেঘনা গুলজার। কাহিনীতে গুরুত্বপূর্ণ স্থান পেয়েছে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ। ১৯৭১ সালে কাশ্মীরের ব্যবসায়ী হেদায়েত খান ভারতীয় স্পাই হিসেবে কাজ করে। পাকিস্তানি আর্মির উচ্চ পদস্থ এক বন্ধুর ছেলের সঙ্গে নিজের মেয়ে সেহমাতকে বিয়ে দিয়ে পাকিস্তানে পাঠায় হেদায়েত। পাকিস্তানি সেনাদের নানা গোপন কৌশল ভারতীয় সেনাদের কাছে জানায় সেহমাত। এই সাহসী গুপ্তচরের ভূমিকায় দেখা যায় আলিয়া ভাটকে, তার স্বামীর ভূমিকায় ভিকি কৌশল। ছবিটির জন্য ফিল্মফেয়ারসহ একাধিক পুরস্কার পেয়েছেন অভিনেত্রী।

চিলড্রেন অব ওয়ার  [২০১৪]

এই ছবির আগাগোড়াই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ। মৃতুঞ্জয় দেবব্রতর ছবিটির প্রথমে নাম ছিল ‘দ্য বাস্টার্ড চাইল্ড’, ‘বাস্টার্ড’ শব্দটিতে সেন্সরবোর্ড আপত্তি তোলায় নামটি বাদ দেন নির্মাতা। ২৫ মার্চের গণহত্যা থেকে শুরু করে নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে নারী নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরা হয়েছে ছবিতে। তবে ইতিহাস বর্ণনায় কিছু দুর্বলতা ও মাত্রাতিরিক্ত নৃশংসতা ও যৌনতা উপস্থাপনের দোষে দুষ্ট ছবিটি। অভিনয়ে রাইমা সেন, রুদ্রনীল, ভিক্টর ব্যানার্জি প্রমুখ।

মুক্তি-বার্থ অব আ নেশন   [২০১৭]

মনু চোবের ২২ মিনিট দৈর্ঘ্যরৈ ছবিতে দেখানো হয়েছে কীভাবে ভারতীয় লেফটেনেন্ট জেনারেল জে এফ আর জ্যাকবের কারণে পাল্টে গিয়েছিল যুদ্ধের গতিপ্রবাহ। পাকিস্তানি জেনারেল এ এ খান নিয়াজীর সঙ্গে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইহুদি এই অফিসারের চৌকস ও বুদ্ধিদীপ্ত কথোপকথন। মিলিন্দ সুমন, যশপাল শর্মা অভিনীত ছবিটি বেশ প্রশংসিত হয়েছে।

শ্যাম বাহাদুর’-এ ভিকি কৌশল

স্বাধীনতাযুদ্ধের পরপর বেশ কয়েকটি বাণিজ্যিক ছবি হয়েছে বলিউডে-‘জয় বাংলাদেশ’ [১৯৭১], ‘হিন্দুস্তান কি কসম’ [১৯৭৩], ‘আক্রমন’ [১৯৭৫’। ছবিগুলোতে বাণিজ্যিক ফরমুলায় নায়কের বীরত্ব দেখানোতেই আগ্রহ ছিল পরিচালকদের। ইতিহাস, তথ্য সেভাবে আসেনি। ‘রিফিউজি’ [২০০০] ও ‘গুন্ডে’ [২০১৪] ছবি দুটিতে ভারতে আশ্রয় নেওয়া বাংলাদেশি শরণার্থীদের চরিত্র এসেছে কেবল। ‘বর্ডার’ [১৯৯৭], ‘১৬ ডিসেম্বর’ [২০০২], ‘১৯৭১ : বিয়ন্ড বর্ডারস’ [২০১৭], ‘আইবি ৭১’ [২০২৩] ছবিগুলোতে প্রসঙ্গক্রমে এসেছে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ। তবে ‘দ্য গাজী অ্যাটাক’ [২০১৭] ছবিতে ভালো গুরুত্ব পেয়েছে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ। আসছে ১ ডিসেম্বর মুক্তি পাবে ‘শ্যাম বাহাদুর’। স্বাধীনতাযুদ্ধে বাংলাদেশ-ভারত যৌথবাহিনীর প্রধান ছিলেন শ্যাম মানেকশ। মেঘনা গুলজারের এই ছবিতে মুক্তিযুদ্ধ বেশ ভালোভাবে উঠে আসবে, এমন আশাবাদ অনেকের।