ঢাকা ০৯:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

একতরফা তফসিল ঘোষণা হলে কী করবে ইসলামী আন্দোলন?

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:১৬:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ নভেম্বর ২০২৩
  • ৪১ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ একতরফাভাবে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলে ঢাকায় নির্বাচন কমিশন অভিমুখে গণমিছিল করবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। গত ৩ নভেম্বর রাজধানী ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহাসমাবেশ থেকে সরকারকে পদত্যাগে সাত দিনের আল্টিমেটাম দেওয়ার পর আজ রবিবার পল্টনে নিজ কার্যালয়ে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন দলটির আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম।

এ সময় আরও ছিলেন- দলটির সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রিন্সিপাল মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম শায়েখ চরমোনাই, প্রেসিডিয়াম সদস্য আল্লামা নুরুল হুদা ফয়েজী, মহাসচিব প্রিন্সিপাল মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান প্রমূখ।

সংবাদ সম্মেলনে চরমোনাই পীর বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন একতরফা তফসিল ঘোষণা করতে চাইলে তফসিল ঘোষণার দিন ঢাকায় নির্বাচন কমিশন অভিমুখে গণমিছিল করা হবে। তফসিল ঘোষণার পরের দিন সারাদেশে প্রতিটি জেলা ও মহানগরে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল। আন্দোলনরত অন্যান্য বিরোধী দলের শান্তিপূর্ণ সব কর্মসূচির প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছি।’

জাতীয় সংকট নিরসনে সব রাজনৈতিক দল, শিক্ষাবিদ, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিগণকে নিয়ে আগামী ২০ নভেম্বর ঢাকায় জাতীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে এবং পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে।

বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে চরমোনাই পীর বলেন, ‘বিরোধী দলের সঙ্গে আগামীতে একমঞ্চে উঠব কিনা পরিবেশ পরিস্থিতি অনুযায়ী হবে। আমাদেরকেও গ্রেপ্তার করা হতে পারে। ’

নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রসঙ্গ টেনে সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেন, অনতিবিলম্বে চলতি সংসদ ভেঙ্গে দিয়ে সব প্রতিনিধিত্বশীল রাজনৈতিক সংগঠনের প্রতিনিধিগণের সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচনকালীন জাতীয় সরকার গঠন করতে হবে। এই সরকারের অধীনে ইসলামী আন্দোলন অংশ নেবে না বলে জানান চরমোনাই পীর।

রাজনৈতিক কারণে গ্রেপ্তারকৃত বিরোধী দলের সব নেতাকর্মী এবং ওলামায়ে কেরামকে অবিলম্বে মুক্তি দিয়ে রাষ্ট্রপতির মধ্যস্থতায় সংলাপের আয়োজন করতে হবে। দলান্ধ এই নির্বাচন কমিশনকে বাতিল করতে হবে। রাজনৈতিক সমঝোতা ছাড়া এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির আগে কোনো অবস্থাতেই তফসিল ঘোষণা করা যাবে না।’

ইসলামী আন্দোলনের আমির বলেন, ‘ক্ষমতাসীনদের সীমাহীন ক্ষমতা লিপ্সার কারণে সৃষ্ট রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটের ভয়াবহতা আমরা ৩ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ করে দেশবাসীর সামনে তুলে ধরেছিলাম। শান্তিপূর্ণ উপায়ে সংকট উত্তরণে সরকারের কাছে আমরা কিছু যৌক্তিক দাবিও জানিয়েছিলাম। কিন্তু সরকার কোনোরূপ কর্ণপাত করেনি। ’

তিনি আরও বলেন, রাজনীতিকে বলা হয় ‘আর্ট অফ কম্প্রোমাইজ’। কিন্তু বাংলাদেশের রাজনীতিতে বর্তমানে সেই কম্প্রোমাইজেশন ও বোঝাপড়া, সমঝোতার জায়গা রুদ্ধ হয়ে গেছে। এর দায়ও বর্তমান সরকারের।

সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেন, আধুনিক রাষ্ট্রে স্বাধীনতার অর্থ হলো, রাষ্ট্র ক্ষমতায় কে থাকবে, না থাকবে তা নির্ভর করে জনগণের রায়ের ওপর। এখানে সংবিধান পর্যন্ত বৈধতা পায় ‘জনগণের পরম অভিপ্রায়’ থাকার কারণে। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার দেশের পরিস্থিতিকে এ পর্যায়ে নিয়ে গেছে যে, জনগণের সেই ক্ষমতা আর নাই। এখন রাষ্ট্র ক্ষমতায় কে থাকবে না থাকবে সেই প্রশ্নে বিদেশি শক্তির অবস্থানই প্রধান নিয়ামক হয়ে উঠেছে। অবস্থা কতটা খারাপ হয়েছে যে, আমেরিকা-ভারতের মতো দুটি দেশের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয় এবং সেই আলোচনা রাজনীতিতে গুরুত্ব বহণ করে। স্বাধীনতার জন্য এর চেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি আর কিছু হতে পারে না। এদেশকে পরাধীনতার কালো মেঘে আচ্ছন্ন করার এ দায় আওয়ামী লীগকে বহন করতে হবে।’

চরমোনাই পীর আরও বলেন, ‘বিরোধী দলের রাজনৈতিক কর্মসূচির সঙ্গে তাল মিলিয়ে আওয়ামী লীগও কর্মসূচি দিচ্ছে এবং সেসব কর্মসূচির সঙ্গে শান্তি থাকলেও কার্যত তা সন্ত্রাসের কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে। লাঠি নিয়ে মহড়া, যাকে তাকে তল্লাশি করা, আতঙ্ক তৈরি করার যে কাজ আওয়ামী লীগ করছে তা ৭১ এর শান্তিবাহিনীর কথাই মনে করিয়ে দেয়।’

তিনি বলেন, বর্তমান কমিশন লজ্জা, বিবেক ও মেরুদণ্ডহীণতার সাপেক্ষে অতীতের সকল মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। দেশের এহেন পরিস্থিতিতেও তারা তফসিল নিয়ে এগুচ্ছে। তারা ক্ষমতাসীনদের মনোরঞ্জনে কাজ করছে।

সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেন, ‘সরকার জনমত উপেক্ষা করে বারংবার সংবিধানের দোহাই দিচ্ছে। কিন্তু আমরা জানি, সংবিধানের গ্রহণ ও মান্যতা তৈরিই হয় জনগণের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তির কারণে। আমাদের সংবিধানের প্রস্তাবনা অংশে যা বলা হয়েছে, তাতে এই সংবিধানের যে অংশে যাই থাকুক না কেন, কোনো অবস্থাতেই জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে কিছু করার ইখতেয়ার এই সংবিধান কাউকে দেয় না। ’

‘জনগণের অভিপ্রায়ের প্রতিফলন ঘটাতে যদি সংবিধানের কোনো সংশোধনীর প্রয়োজন হয়, সে সুযোগও রয়েছে। অতীতে কারণে অকারণে ১৭ বার সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে’, যোগ করেন চরমোনাই পীর।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

একতরফা তফসিল ঘোষণা হলে কী করবে ইসলামী আন্দোলন?

আপডেট টাইম : ০৩:১৬:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ নভেম্বর ২০২৩

হাওর বার্তা ডেস্কঃ একতরফাভাবে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলে ঢাকায় নির্বাচন কমিশন অভিমুখে গণমিছিল করবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। গত ৩ নভেম্বর রাজধানী ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহাসমাবেশ থেকে সরকারকে পদত্যাগে সাত দিনের আল্টিমেটাম দেওয়ার পর আজ রবিবার পল্টনে নিজ কার্যালয়ে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন দলটির আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম।

এ সময় আরও ছিলেন- দলটির সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রিন্সিপাল মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম শায়েখ চরমোনাই, প্রেসিডিয়াম সদস্য আল্লামা নুরুল হুদা ফয়েজী, মহাসচিব প্রিন্সিপাল মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান প্রমূখ।

সংবাদ সম্মেলনে চরমোনাই পীর বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন একতরফা তফসিল ঘোষণা করতে চাইলে তফসিল ঘোষণার দিন ঢাকায় নির্বাচন কমিশন অভিমুখে গণমিছিল করা হবে। তফসিল ঘোষণার পরের দিন সারাদেশে প্রতিটি জেলা ও মহানগরে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল। আন্দোলনরত অন্যান্য বিরোধী দলের শান্তিপূর্ণ সব কর্মসূচির প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছি।’

জাতীয় সংকট নিরসনে সব রাজনৈতিক দল, শিক্ষাবিদ, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিগণকে নিয়ে আগামী ২০ নভেম্বর ঢাকায় জাতীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে এবং পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে।

বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে চরমোনাই পীর বলেন, ‘বিরোধী দলের সঙ্গে আগামীতে একমঞ্চে উঠব কিনা পরিবেশ পরিস্থিতি অনুযায়ী হবে। আমাদেরকেও গ্রেপ্তার করা হতে পারে। ’

নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রসঙ্গ টেনে সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেন, অনতিবিলম্বে চলতি সংসদ ভেঙ্গে দিয়ে সব প্রতিনিধিত্বশীল রাজনৈতিক সংগঠনের প্রতিনিধিগণের সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচনকালীন জাতীয় সরকার গঠন করতে হবে। এই সরকারের অধীনে ইসলামী আন্দোলন অংশ নেবে না বলে জানান চরমোনাই পীর।

রাজনৈতিক কারণে গ্রেপ্তারকৃত বিরোধী দলের সব নেতাকর্মী এবং ওলামায়ে কেরামকে অবিলম্বে মুক্তি দিয়ে রাষ্ট্রপতির মধ্যস্থতায় সংলাপের আয়োজন করতে হবে। দলান্ধ এই নির্বাচন কমিশনকে বাতিল করতে হবে। রাজনৈতিক সমঝোতা ছাড়া এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির আগে কোনো অবস্থাতেই তফসিল ঘোষণা করা যাবে না।’

ইসলামী আন্দোলনের আমির বলেন, ‘ক্ষমতাসীনদের সীমাহীন ক্ষমতা লিপ্সার কারণে সৃষ্ট রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটের ভয়াবহতা আমরা ৩ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ করে দেশবাসীর সামনে তুলে ধরেছিলাম। শান্তিপূর্ণ উপায়ে সংকট উত্তরণে সরকারের কাছে আমরা কিছু যৌক্তিক দাবিও জানিয়েছিলাম। কিন্তু সরকার কোনোরূপ কর্ণপাত করেনি। ’

তিনি আরও বলেন, রাজনীতিকে বলা হয় ‘আর্ট অফ কম্প্রোমাইজ’। কিন্তু বাংলাদেশের রাজনীতিতে বর্তমানে সেই কম্প্রোমাইজেশন ও বোঝাপড়া, সমঝোতার জায়গা রুদ্ধ হয়ে গেছে। এর দায়ও বর্তমান সরকারের।

সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেন, আধুনিক রাষ্ট্রে স্বাধীনতার অর্থ হলো, রাষ্ট্র ক্ষমতায় কে থাকবে, না থাকবে তা নির্ভর করে জনগণের রায়ের ওপর। এখানে সংবিধান পর্যন্ত বৈধতা পায় ‘জনগণের পরম অভিপ্রায়’ থাকার কারণে। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার দেশের পরিস্থিতিকে এ পর্যায়ে নিয়ে গেছে যে, জনগণের সেই ক্ষমতা আর নাই। এখন রাষ্ট্র ক্ষমতায় কে থাকবে না থাকবে সেই প্রশ্নে বিদেশি শক্তির অবস্থানই প্রধান নিয়ামক হয়ে উঠেছে। অবস্থা কতটা খারাপ হয়েছে যে, আমেরিকা-ভারতের মতো দুটি দেশের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয় এবং সেই আলোচনা রাজনীতিতে গুরুত্ব বহণ করে। স্বাধীনতার জন্য এর চেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি আর কিছু হতে পারে না। এদেশকে পরাধীনতার কালো মেঘে আচ্ছন্ন করার এ দায় আওয়ামী লীগকে বহন করতে হবে।’

চরমোনাই পীর আরও বলেন, ‘বিরোধী দলের রাজনৈতিক কর্মসূচির সঙ্গে তাল মিলিয়ে আওয়ামী লীগও কর্মসূচি দিচ্ছে এবং সেসব কর্মসূচির সঙ্গে শান্তি থাকলেও কার্যত তা সন্ত্রাসের কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে। লাঠি নিয়ে মহড়া, যাকে তাকে তল্লাশি করা, আতঙ্ক তৈরি করার যে কাজ আওয়ামী লীগ করছে তা ৭১ এর শান্তিবাহিনীর কথাই মনে করিয়ে দেয়।’

তিনি বলেন, বর্তমান কমিশন লজ্জা, বিবেক ও মেরুদণ্ডহীণতার সাপেক্ষে অতীতের সকল মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। দেশের এহেন পরিস্থিতিতেও তারা তফসিল নিয়ে এগুচ্ছে। তারা ক্ষমতাসীনদের মনোরঞ্জনে কাজ করছে।

সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেন, ‘সরকার জনমত উপেক্ষা করে বারংবার সংবিধানের দোহাই দিচ্ছে। কিন্তু আমরা জানি, সংবিধানের গ্রহণ ও মান্যতা তৈরিই হয় জনগণের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তির কারণে। আমাদের সংবিধানের প্রস্তাবনা অংশে যা বলা হয়েছে, তাতে এই সংবিধানের যে অংশে যাই থাকুক না কেন, কোনো অবস্থাতেই জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে কিছু করার ইখতেয়ার এই সংবিধান কাউকে দেয় না। ’

‘জনগণের অভিপ্রায়ের প্রতিফলন ঘটাতে যদি সংবিধানের কোনো সংশোধনীর প্রয়োজন হয়, সে সুযোগও রয়েছে। অতীতে কারণে অকারণে ১৭ বার সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে’, যোগ করেন চরমোনাই পীর।