ঢাকা ০১:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
‘দেশে যদি তেলই না থাকে, তাহলে লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না এমন প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিউইয়র্ক সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হতে পারে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ব্যাংকে পুরোনো মালিকদের ফেরার পথ বন্ধ চায় সংসদীয় কমিটি প্রধানমন্ত্রীকে দুই বিষয়ে সতর্ক থাকতে বললেন মির্জা আব্বাস ১১ দলীয় ঐক্যের বিশাল সমাবেশ জনগণের প্রয়োজনে যেকোনো সময় আন্দোলনের ডাক: ডা. শফিকুর রহমান ইতিহাসের সেরা ২ নারী গোয়েন্দা ৮ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব নেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি বিভ্রান্তির মাধ্যমে অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধ-পরবর্তী মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র, লক্ষ্য কী দক্ষিণখানে অস্ত্র-মাদকসহ কিশোর গ্যাংয়ের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

গাজা ইস্যুতে পুতিনের সঙ্গে যে কথা হলো এরদোগানের

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:১৮:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৩
  • ১২৮ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান মঙ্গলবার রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। এ সময় ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সংঘাত এবং অত্র অঞ্চলে মানবিক সংকট নিয়ে আলোচনা করেছেন দুই নেতা।

তুরস্কের সরকারি বার্তা সংস্থা আনাদোলু দেশটির কমিউনিকেশন ডিরেক্টরেটের বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, তুর্কি নেতা এরদোগান পুতিনকে বলেছেন— ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে পরিচালিত বর্বরতা গভীরতর হচ্ছে এবং প্রতি মিনিটে বেসামরিক নাগরিক হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে।

তুরস্কের কমিউনিকেশন ডিরেক্টরেট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (আগের টুইটার) দেওয়া বিবৃতিতে জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট এরদোগান রুশ নেতাকে বলেছেন— ‘পশ্চিমা দেশগুলোর নীরবতাও গাজায় মানবিক সংকটকে আশঙ্কাজনক হারে বাড়িয়ে দিয়েছে।’

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এরদোগান এ সময় গুরুত্বারোপ করেন যে, তার দেশ এই অঞ্চলে শান্তি নিশ্চিত করার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে।

গত ৭ অক্টোবর থেকে ইসরাইলি বাহিনী গাজায় নির্বিচার বোমাবর্ষণ করে আসছে। সেই সঙ্গে কার্যকর করা হয়েছে সর্বাত্মক অবরোধ। যদিও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপের মুখে সামান্য কিছু ত্রাণ ঢুকতে দিয়েছে নেতানিয়াহু সরকার।

এর আগে একই দিন ভোরে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড পরিচালনা করে ইসরাইলে আকস্মিক হামলা চালায়। হামাসের পক্ষ থেকে বলা হয়, আল আকসা মসজিদে হামলা এবং ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের ক্রমবর্ধমান সহিংসতার প্রতিশোধ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে।

এর পর থেকেই ইসরাইলি সামরিক বাহিনী গাজা উপত্যকায় হামাসের লক্ষ্যবস্তুগুলোর বিরুদ্ধে ‘অপারেশন সোর্ডস অব আয়রন’ শুরু করে। এতে প্রায় ৬ হাজার ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছে। এর মধ্যে অনেক শিশু ও নারী রয়েছে। অন্যদিকে হামাসের হামলায় ১ হাজার ৪০০ ইসরাইলি নিহত হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

‘দেশে যদি তেলই না থাকে, তাহলে লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না এমন প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

গাজা ইস্যুতে পুতিনের সঙ্গে যে কথা হলো এরদোগানের

আপডেট টাইম : ০৫:১৮:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৩

হাওর বার্তা ডেস্কঃ তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান মঙ্গলবার রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। এ সময় ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সংঘাত এবং অত্র অঞ্চলে মানবিক সংকট নিয়ে আলোচনা করেছেন দুই নেতা।

তুরস্কের সরকারি বার্তা সংস্থা আনাদোলু দেশটির কমিউনিকেশন ডিরেক্টরেটের বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, তুর্কি নেতা এরদোগান পুতিনকে বলেছেন— ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে পরিচালিত বর্বরতা গভীরতর হচ্ছে এবং প্রতি মিনিটে বেসামরিক নাগরিক হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে।

তুরস্কের কমিউনিকেশন ডিরেক্টরেট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (আগের টুইটার) দেওয়া বিবৃতিতে জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট এরদোগান রুশ নেতাকে বলেছেন— ‘পশ্চিমা দেশগুলোর নীরবতাও গাজায় মানবিক সংকটকে আশঙ্কাজনক হারে বাড়িয়ে দিয়েছে।’

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এরদোগান এ সময় গুরুত্বারোপ করেন যে, তার দেশ এই অঞ্চলে শান্তি নিশ্চিত করার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে।

গত ৭ অক্টোবর থেকে ইসরাইলি বাহিনী গাজায় নির্বিচার বোমাবর্ষণ করে আসছে। সেই সঙ্গে কার্যকর করা হয়েছে সর্বাত্মক অবরোধ। যদিও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপের মুখে সামান্য কিছু ত্রাণ ঢুকতে দিয়েছে নেতানিয়াহু সরকার।

এর আগে একই দিন ভোরে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড পরিচালনা করে ইসরাইলে আকস্মিক হামলা চালায়। হামাসের পক্ষ থেকে বলা হয়, আল আকসা মসজিদে হামলা এবং ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের ক্রমবর্ধমান সহিংসতার প্রতিশোধ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে।

এর পর থেকেই ইসরাইলি সামরিক বাহিনী গাজা উপত্যকায় হামাসের লক্ষ্যবস্তুগুলোর বিরুদ্ধে ‘অপারেশন সোর্ডস অব আয়রন’ শুরু করে। এতে প্রায় ৬ হাজার ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছে। এর মধ্যে অনেক শিশু ও নারী রয়েছে। অন্যদিকে হামাসের হামলায় ১ হাজার ৪০০ ইসরাইলি নিহত হয়েছে।