ঢাকা ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
‘দেশে যদি তেলই না থাকে, তাহলে লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না এমন প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিউইয়র্ক সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হতে পারে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ব্যাংকে পুরোনো মালিকদের ফেরার পথ বন্ধ চায় সংসদীয় কমিটি প্রধানমন্ত্রীকে দুই বিষয়ে সতর্ক থাকতে বললেন মির্জা আব্বাস ১১ দলীয় ঐক্যের বিশাল সমাবেশ জনগণের প্রয়োজনে যেকোনো সময় আন্দোলনের ডাক: ডা. শফিকুর রহমান ইতিহাসের সেরা ২ নারী গোয়েন্দা ৮ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব নেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি বিভ্রান্তির মাধ্যমে অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধ-পরবর্তী মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র, লক্ষ্য কী দক্ষিণখানে অস্ত্র-মাদকসহ কিশোর গ্যাংয়ের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

লিবিয়ায় বন্যায় মৃতের সংখ্যা ২০ হাজারে পৌঁছাতে পারে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:৫০:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • ১৯০ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ প্রবল বৃষ্টি ও ঝড়ের কারণে বাঁধ ভেঙে প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলের দারনা শহর। কোনো কিছু বুঝে উঠার আগেই বাঁধ ভেঙে শহরে ঢুকে পড়া পানিতে ভেসে যান অনেকে। এখন সেসব মানুষের আত্মীয়-স্বজনরা তাদের লাশ খুঁজে বেড়াচ্ছেন। পচন ধরতে যাওয়া এসব লাশের জন্য বডি ব্যাগ দেওয়ার আকুতি জানাচ্ছেন তারা।

গত রোববার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে লিবিয়ায় দারনায় সৃষ্ট হওয়া ভয়াবহ এই বন্যায় প্রায় সাড় ৫ হাজার মানুষের মৃত্যুর বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে। বলা হচ্ছে এই সংখ্যা অনেক বাড়বে, এমনকি দ্বিগুণও হতে পারে।

বন্যায় বিপর্যস্ত দারনার মেয়র আব্দুলমেনাম আল-ঘাইতি সৌদি আরবের সংবাদমাধ্যম আল আরাবিয়াকে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, সুনামি সদৃশ এ বন্যায় যেসব এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেটির উপর ভিত্তি করে তারা ধারণা করছেন, মৃতের সংখ্যা ১৮ থেকে ২০ হাজার হতে পারে।

 

একটি ঝড়ের কারণে, দারনায় যে এমন ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হবে তা কেউ ভাবেননি। শহরটির বাসিন্দা আব্দুলকারিম সাংবাদিক মোতাজ আলীকে ত্রিপোলি থেকে জানিয়েছেন, এই ভয়াবহ বন্যায় তিনি তার মা ও ভাইকে হারিয়েছেন।

তিনি জানিয়েছেন, তার মা প্রথমে বাড়ি থেকে বের হতে চাননি। কারণ অন্য সবার মতো তিনিও ভেবেছিলেন, এটি সাধারণ একটি ঝড় ও বৃষ্টি। কিন্তু যখন বাঁধ ভেঙে শহরে পানি চলে আসে তখন নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে ছেলেকে নিয়ে রাস্তায় নেমে আসেন তিনি। ঠিক তখনই বন্যার পানিতে তারা দুইজনই ভেসে যান।

মাবরুকা এলমেসমারি নামের এক সাংবাদিক, যিনি গত মঙ্গলবার দারনা থেকে কোনো মতে পালিয়ে আসতে পেরেছেন, তিনি জানিয়েছেন, শহরটির অবস্থা বেশ খারাপ। অনেক মানুষ দারনা ছাড়তে চাচ্ছেন কিন্তু পারছেন না। কারণ শহর থেকে বের হওয়ার রাস্তাগুলো ভেঙে গেছে বা আটকে গেছে।

সূত্র: আল জাজিরা

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

‘দেশে যদি তেলই না থাকে, তাহলে লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না এমন প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

লিবিয়ায় বন্যায় মৃতের সংখ্যা ২০ হাজারে পৌঁছাতে পারে

আপডেট টাইম : ০৬:৫০:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩

হাওর বার্তা ডেস্কঃ প্রবল বৃষ্টি ও ঝড়ের কারণে বাঁধ ভেঙে প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলের দারনা শহর। কোনো কিছু বুঝে উঠার আগেই বাঁধ ভেঙে শহরে ঢুকে পড়া পানিতে ভেসে যান অনেকে। এখন সেসব মানুষের আত্মীয়-স্বজনরা তাদের লাশ খুঁজে বেড়াচ্ছেন। পচন ধরতে যাওয়া এসব লাশের জন্য বডি ব্যাগ দেওয়ার আকুতি জানাচ্ছেন তারা।

গত রোববার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে লিবিয়ায় দারনায় সৃষ্ট হওয়া ভয়াবহ এই বন্যায় প্রায় সাড় ৫ হাজার মানুষের মৃত্যুর বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে। বলা হচ্ছে এই সংখ্যা অনেক বাড়বে, এমনকি দ্বিগুণও হতে পারে।

বন্যায় বিপর্যস্ত দারনার মেয়র আব্দুলমেনাম আল-ঘাইতি সৌদি আরবের সংবাদমাধ্যম আল আরাবিয়াকে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, সুনামি সদৃশ এ বন্যায় যেসব এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেটির উপর ভিত্তি করে তারা ধারণা করছেন, মৃতের সংখ্যা ১৮ থেকে ২০ হাজার হতে পারে।

 

একটি ঝড়ের কারণে, দারনায় যে এমন ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হবে তা কেউ ভাবেননি। শহরটির বাসিন্দা আব্দুলকারিম সাংবাদিক মোতাজ আলীকে ত্রিপোলি থেকে জানিয়েছেন, এই ভয়াবহ বন্যায় তিনি তার মা ও ভাইকে হারিয়েছেন।

তিনি জানিয়েছেন, তার মা প্রথমে বাড়ি থেকে বের হতে চাননি। কারণ অন্য সবার মতো তিনিও ভেবেছিলেন, এটি সাধারণ একটি ঝড় ও বৃষ্টি। কিন্তু যখন বাঁধ ভেঙে শহরে পানি চলে আসে তখন নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে ছেলেকে নিয়ে রাস্তায় নেমে আসেন তিনি। ঠিক তখনই বন্যার পানিতে তারা দুইজনই ভেসে যান।

মাবরুকা এলমেসমারি নামের এক সাংবাদিক, যিনি গত মঙ্গলবার দারনা থেকে কোনো মতে পালিয়ে আসতে পেরেছেন, তিনি জানিয়েছেন, শহরটির অবস্থা বেশ খারাপ। অনেক মানুষ দারনা ছাড়তে চাচ্ছেন কিন্তু পারছেন না। কারণ শহর থেকে বের হওয়ার রাস্তাগুলো ভেঙে গেছে বা আটকে গেছে।

সূত্র: আল জাজিরা