ঢাকা ০১:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

মিথ্যা চেকের মামলায় বাদীকে ৩০ লাখ টাকা জরিমানা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:৫৭:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৩
  • ২০৮ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মিথ্যা চেক ডিজঅনারের মামলা দায়ের করে প্রতিষ্ঠানের মালিককে হয়রানি ও সাজা খাটানোর ঘটনায় ওই প্রতিষ্ঠানের সাবেক কর্মচারী মো. জাহাঙ্গীর আলম ইউনুছকে ৩০ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে ইউনুছের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টারর এ কে এম ফকরুল ইসলাম। অপরদিকে আসামি এ কে এম গোলাম ফারুকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. লুৎফর রহমান। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট শামীমা সুলতানা ও অ্যাডভোকেট শারমীন আক্তার।

আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. লুৎফর রহমান আদালতের আদেশের বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেছেন।

অ্যাডভোকেট মো. লুৎফর রহমান বলেন, চট্টগ্রামের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ব্যবসায়ী এ কে এম গোলাম ফারুকের কর্মচারী মো. জাহাঙ্গীর আলম ইউনুছ ২টি চেক চুরি করে ২০১১ সালে চাকরি ছেড়ে দেন। পরবর্তীতে মো. জাহাঙ্গীর আলম ইউনুছ সাবেক মালিক কে এম গোলাম ফারুকের বিরুদ্ধে ২০১১ সালের ১৬ নভেম্বর ১০ লাখ ৮ হাজার টাকার চেক ডিজঅনারের প্রথম মামলাটি করেন। উক্ত মামলা চলাকালীন পরবর্তীতে ২০১৩ সালে ২০ লাখ টাকার চেক ডিজঅনারের আরেকটি মামলা করেন। মামলা চট্টগ্রামের মহানগর দায়রা জজ আদালতের যথাক্রমে যুগ্ম দায়রা জজ ২য় এবং ৭ম আদালতে বিচার হয়। ২০১১ সালে দায়েরকৃত ১ম মামলাটিতে আসামি এ কে এম গোলাম ফারুকের সাজা হয় এবং ২০১৩ সালে দায়ের করা ২য় মামলাটিতে আসামি খালাসপ্রাপ্ত হন।

খালাস আদেশের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালে বাদী জাহাঙ্গীর আলম ইউনুছ হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল দায়ের করেন। অন্যদিকে সাজার আদেশের বিরুদ্ধে আসামি এ কে এম গোলাম ফারুক প্রথমে চট্টগ্রামে আপিল এবং পরবর্তীতে হাইকোর্টে ফৌজদারি রিভিশন দায়ের করেন।

দুই মামলা একইসঙ্গে  শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার হাইকোর্ট উভয় মামলায় আসামি এ কে এম গোলাম ফারুককে খালাস প্রদান করেন এবং মিথ্যা মামলা দায়ের করে সাবেক মালিক আসামি এ কে এম গোলাম ফারুককে হয়রানি করার জন্য বাদী মো. জাহাঙ্গীর আলম ইউনুসকে ৩০ লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

মিথ্যা চেকের মামলায় বাদীকে ৩০ লাখ টাকা জরিমানা

আপডেট টাইম : ০৬:৫৭:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৩

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মিথ্যা চেক ডিজঅনারের মামলা দায়ের করে প্রতিষ্ঠানের মালিককে হয়রানি ও সাজা খাটানোর ঘটনায় ওই প্রতিষ্ঠানের সাবেক কর্মচারী মো. জাহাঙ্গীর আলম ইউনুছকে ৩০ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে ইউনুছের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টারর এ কে এম ফকরুল ইসলাম। অপরদিকে আসামি এ কে এম গোলাম ফারুকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. লুৎফর রহমান। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট শামীমা সুলতানা ও অ্যাডভোকেট শারমীন আক্তার।

আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. লুৎফর রহমান আদালতের আদেশের বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেছেন।

অ্যাডভোকেট মো. লুৎফর রহমান বলেন, চট্টগ্রামের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ব্যবসায়ী এ কে এম গোলাম ফারুকের কর্মচারী মো. জাহাঙ্গীর আলম ইউনুছ ২টি চেক চুরি করে ২০১১ সালে চাকরি ছেড়ে দেন। পরবর্তীতে মো. জাহাঙ্গীর আলম ইউনুছ সাবেক মালিক কে এম গোলাম ফারুকের বিরুদ্ধে ২০১১ সালের ১৬ নভেম্বর ১০ লাখ ৮ হাজার টাকার চেক ডিজঅনারের প্রথম মামলাটি করেন। উক্ত মামলা চলাকালীন পরবর্তীতে ২০১৩ সালে ২০ লাখ টাকার চেক ডিজঅনারের আরেকটি মামলা করেন। মামলা চট্টগ্রামের মহানগর দায়রা জজ আদালতের যথাক্রমে যুগ্ম দায়রা জজ ২য় এবং ৭ম আদালতে বিচার হয়। ২০১১ সালে দায়েরকৃত ১ম মামলাটিতে আসামি এ কে এম গোলাম ফারুকের সাজা হয় এবং ২০১৩ সালে দায়ের করা ২য় মামলাটিতে আসামি খালাসপ্রাপ্ত হন।

খালাস আদেশের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালে বাদী জাহাঙ্গীর আলম ইউনুছ হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল দায়ের করেন। অন্যদিকে সাজার আদেশের বিরুদ্ধে আসামি এ কে এম গোলাম ফারুক প্রথমে চট্টগ্রামে আপিল এবং পরবর্তীতে হাইকোর্টে ফৌজদারি রিভিশন দায়ের করেন।

দুই মামলা একইসঙ্গে  শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার হাইকোর্ট উভয় মামলায় আসামি এ কে এম গোলাম ফারুককে খালাস প্রদান করেন এবং মিথ্যা মামলা দায়ের করে সাবেক মালিক আসামি এ কে এম গোলাম ফারুককে হয়রানি করার জন্য বাদী মো. জাহাঙ্গীর আলম ইউনুসকে ৩০ লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেন।