ঢাকা ১২:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

বরগুনায় দিঘিতে মিলল ৯৫ ইলিশ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৫১:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৩
  • ১৮৪ বার

মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) রায়হানপুর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী সিদাম মিয়া বাড়ির দিঘিতে মাছগুলো ধরা পড়ে।

সিদাম মিয়া বাড়ির সুজন চৌধুরী জানান, প্রায় ৭৫ শতক জায়গাজুড়ে আমাদের এই দিঘিতে প্রতি বছরই মাছ ধরা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার দিঘিতে মাছ ধরা শুরু করলে বড় বড় বোয়ালসহ বিভিন্ন মাছের সাথে জালে উঠতে থাকে একের পর এক ইলিশ। আমরা সব মিলিয়ে ৯৫টি ইলিশ ধরতে সক্ষম হই। পরে আমাদের বংশের সবার মাঝে মাছগুলো ভাগ করে দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, আমাদের ঐতিহ্যবাহী বাড়িটি যার নামে পরিচিত সেই সিদাম মিয়া আজ থেকে প্রায় সাড়ে তিন শ’ বছর আগে মারা যান। ৬-৭ পুরুষ পরে সিদাম মিয়ার বংশে বর্তমানে যারা জীবিত আছেন তাদের সবারই এটি পারিবারিক দিঘি। এই দিঘিতে অন্যান্য মাছের সাথে ইলিশ পাওয়ার আনন্দ ভিন্নরকম ছিল।

৬৫ বছর বয়সী আলম চৌধুরী বলেন, পুকুরে ইলিশ পেয়ে আমাদের অনেক ভালো লেগেছে। যারা মাছ ধরেছে আমরা তাদেরকে অর্ধেক ইলিশ দিয়েছি এবং অবশিষ্ট মাছগুলো বংশের সবার মাঝে ভাগ করে নিয়েছি। এর ফলে প্রত্যেকটি পরিবারে দুটি করে ইলিশ মাছ পেয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

মিঠামইনে উপজেলা বিএনপির সভাপতিকে কুপিয়ে হত্যা, আহত আরও একজন

বরগুনায় দিঘিতে মিলল ৯৫ ইলিশ

আপডেট টাইম : ১১:৫১:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৩

মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) রায়হানপুর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী সিদাম মিয়া বাড়ির দিঘিতে মাছগুলো ধরা পড়ে।

সিদাম মিয়া বাড়ির সুজন চৌধুরী জানান, প্রায় ৭৫ শতক জায়গাজুড়ে আমাদের এই দিঘিতে প্রতি বছরই মাছ ধরা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার দিঘিতে মাছ ধরা শুরু করলে বড় বড় বোয়ালসহ বিভিন্ন মাছের সাথে জালে উঠতে থাকে একের পর এক ইলিশ। আমরা সব মিলিয়ে ৯৫টি ইলিশ ধরতে সক্ষম হই। পরে আমাদের বংশের সবার মাঝে মাছগুলো ভাগ করে দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, আমাদের ঐতিহ্যবাহী বাড়িটি যার নামে পরিচিত সেই সিদাম মিয়া আজ থেকে প্রায় সাড়ে তিন শ’ বছর আগে মারা যান। ৬-৭ পুরুষ পরে সিদাম মিয়ার বংশে বর্তমানে যারা জীবিত আছেন তাদের সবারই এটি পারিবারিক দিঘি। এই দিঘিতে অন্যান্য মাছের সাথে ইলিশ পাওয়ার আনন্দ ভিন্নরকম ছিল।

৬৫ বছর বয়সী আলম চৌধুরী বলেন, পুকুরে ইলিশ পেয়ে আমাদের অনেক ভালো লেগেছে। যারা মাছ ধরেছে আমরা তাদেরকে অর্ধেক ইলিশ দিয়েছি এবং অবশিষ্ট মাছগুলো বংশের সবার মাঝে ভাগ করে নিয়েছি। এর ফলে প্রত্যেকটি পরিবারে দুটি করে ইলিশ মাছ পেয়েছে।