ঢাকা ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

ঘরে বড়দিনের আমেজ ফুটিয়ে তুলবেন যেভাবে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৫৬:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ১৪১ বার

খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বড় ধর্মীয় উৎসব বড়দিন।এই বড়দিনের শেষ মূহুর্তের প্রস্তুতি চলছে। ঘরে উৎসবের আমেজ তৈরি করতে কতরকম আয়োজনের চেষ্টাই না চলছে। আর বড়দিনের ঘর সাজানোর আয়োজন বাড়তি আমেজ নিয়ে আসে। বর্তমানে গির্জার আশপাশ ও খ্রিস্টান পরিবারগুলো ছাড়াও রেস্তোরাঁ, মার্কেট ও বড় শপিংমলগুলো এমনকি বিভিন্ন কর্পোরেট অফিস বড়দিন উপলক্ষে সাজানো হয়।
সুসজ্জিত ক্রিসমাস ট্রি যেমন দেখতে ভালোলাগে তেমনি একটা উৎসব-ভাব সৃষ্টি করে। অন্যদিকে সান্তাক্লজ কেবল শিশুদেরই আনন্দ দেয় না পাশপাশি বড়দের মাঝেও আশার সঞ্চার করে। আগে কেবল রঙিন কাগজের ঝালর, ঝুলন ও বেলুন দিয়ে ঘর সাজানোর প্রচলন থাকলেও সময়ের সাথে সাথে সাজে এসেছে নতুন মাত্রা।

উৎসবের আনন্দ সবার জন্যই। তাই আজকাল কেবল খ্রিস্টান-ধর্মাবলম্বীরা নয় বরং যে কেউ নিজের ঘরে বছরের এই সময়টায় ‘ক্রিসমাস কর্নার’ তৈরি করতে পারেন। ক্রিসমাস ট্রি সাজানোর প্রচলন বাড়ায় সহজলভ্য হয়েছে এসব সাজানোর সামগ্রী।

বড়দিনের ঘর সাজানোর সামগ্রী

ঢাকায় বেশ কিছু বড় দোকানের পাশাপাশি গির্জার সামনে, রাজধানীর হলিক্রস ও বটমলী হোম বালিকা স্কুলের সামনে বড়দিনের ঘর সাজানোর সামগ্রী পাওয়া যায়। এ ছাড়া ঢাকার ফার্মগেট এলাকার ফার্মভিউ সুপার মার্কেটের দোতলায়, নিউমার্কেট, গুলশানের ডিসিসি ও পুরান ঢাকার চকবাজারে এই ধরনের উপকরণ মিলবে।

ক্রিসমাস ট্রি, ঘন্টা, হরিণ, সান্তাক্লজ, ছোট বড় গিফট বক্স, নানান রংয়ের লাইট, বেলুন, রিবন ইত্যাদি দিয়ে সাজানো হয়। বড়দিন মানেই ‘স্টার’ বা ‘তারা’। এই তারা মান ও উপাদান ভেদে কিনতে পাওয়া যায় দেড়শ থেকে ২ হাজার ৫শ’ টাকার মধ্যে। ‘মেরি ক্রিসমাস’ বা ‘শুভ বড়দিন’ লেখা দেয়ালে রঙিন কাগজের দাম দেড়শ থেকে ১ হাজার ৫শ’ টাকার মধ্যে।

ক্রিসমাস ট্রি সাজানোর জন্য রঙিন বল, তারা, স্বর্গদূত, ছোট ক্রিসমাস ফাদার ইত্যাদি পাওয়া যাবে ৫০ টাকা থেকে ১ হাজার ২শ’ টাকায়। ক্রিসমাস ট্রি পাওয়া যায় ৪শ’ টাকা থেকে। তবে মান ও আকার ভেদে দামের পার্থক্য হয়। পাঁচ ফুটের বড় ট্রি’র দাম ২ হাজার থেকে শুরু করে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।

রাজধানীর চকবাজারে বড়দিনের ঘরের সাজসজ্জার পসরা বসে। বিভিন্ন দামের জিনিস পাওয়া যায় এখানে। ডিসিসি মার্কেটে মিলবে একটু উন্নত মানের সামগ্রী। এখানে সম্পূর্ণ সাজানো অবস্থায় ক্রিসমাস ট্রি পাওয়া যায় যেকারণে দাম তুলনায় বেশি।

বড়দিনের সাজসজ্জায় রঙিন বাতির ব্যবহার বেশ প্রচলিত। মরিচ বাতির পাশাপাশি বর্তমানে নানান আকারের- তারা, স্বর্গদূত, বল, ক্রিসমাস ট্রি ইত্যাদি আকারের রঙিন বাতি পাওয়া যায়। এগুলো দাম ৩শ’ টাকা থেকে শুরু।

ঢাকার নিউমার্কেট ও চকবাজারে বাতির নানান রকম দেখা যায়। আকার ভেদে দামের পার্থক্য ঘটে। তবে দামাদামি করে কিনলে সুলভে ভালো পণ্য সংগ্রহ করা যায়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

ঘরে বড়দিনের আমেজ ফুটিয়ে তুলবেন যেভাবে

আপডেট টাইম : ১০:৫৬:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪

খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বড় ধর্মীয় উৎসব বড়দিন।এই বড়দিনের শেষ মূহুর্তের প্রস্তুতি চলছে। ঘরে উৎসবের আমেজ তৈরি করতে কতরকম আয়োজনের চেষ্টাই না চলছে। আর বড়দিনের ঘর সাজানোর আয়োজন বাড়তি আমেজ নিয়ে আসে। বর্তমানে গির্জার আশপাশ ও খ্রিস্টান পরিবারগুলো ছাড়াও রেস্তোরাঁ, মার্কেট ও বড় শপিংমলগুলো এমনকি বিভিন্ন কর্পোরেট অফিস বড়দিন উপলক্ষে সাজানো হয়।
সুসজ্জিত ক্রিসমাস ট্রি যেমন দেখতে ভালোলাগে তেমনি একটা উৎসব-ভাব সৃষ্টি করে। অন্যদিকে সান্তাক্লজ কেবল শিশুদেরই আনন্দ দেয় না পাশপাশি বড়দের মাঝেও আশার সঞ্চার করে। আগে কেবল রঙিন কাগজের ঝালর, ঝুলন ও বেলুন দিয়ে ঘর সাজানোর প্রচলন থাকলেও সময়ের সাথে সাথে সাজে এসেছে নতুন মাত্রা।

উৎসবের আনন্দ সবার জন্যই। তাই আজকাল কেবল খ্রিস্টান-ধর্মাবলম্বীরা নয় বরং যে কেউ নিজের ঘরে বছরের এই সময়টায় ‘ক্রিসমাস কর্নার’ তৈরি করতে পারেন। ক্রিসমাস ট্রি সাজানোর প্রচলন বাড়ায় সহজলভ্য হয়েছে এসব সাজানোর সামগ্রী।

বড়দিনের ঘর সাজানোর সামগ্রী

ঢাকায় বেশ কিছু বড় দোকানের পাশাপাশি গির্জার সামনে, রাজধানীর হলিক্রস ও বটমলী হোম বালিকা স্কুলের সামনে বড়দিনের ঘর সাজানোর সামগ্রী পাওয়া যায়। এ ছাড়া ঢাকার ফার্মগেট এলাকার ফার্মভিউ সুপার মার্কেটের দোতলায়, নিউমার্কেট, গুলশানের ডিসিসি ও পুরান ঢাকার চকবাজারে এই ধরনের উপকরণ মিলবে।

ক্রিসমাস ট্রি, ঘন্টা, হরিণ, সান্তাক্লজ, ছোট বড় গিফট বক্স, নানান রংয়ের লাইট, বেলুন, রিবন ইত্যাদি দিয়ে সাজানো হয়। বড়দিন মানেই ‘স্টার’ বা ‘তারা’। এই তারা মান ও উপাদান ভেদে কিনতে পাওয়া যায় দেড়শ থেকে ২ হাজার ৫শ’ টাকার মধ্যে। ‘মেরি ক্রিসমাস’ বা ‘শুভ বড়দিন’ লেখা দেয়ালে রঙিন কাগজের দাম দেড়শ থেকে ১ হাজার ৫শ’ টাকার মধ্যে।

ক্রিসমাস ট্রি সাজানোর জন্য রঙিন বল, তারা, স্বর্গদূত, ছোট ক্রিসমাস ফাদার ইত্যাদি পাওয়া যাবে ৫০ টাকা থেকে ১ হাজার ২শ’ টাকায়। ক্রিসমাস ট্রি পাওয়া যায় ৪শ’ টাকা থেকে। তবে মান ও আকার ভেদে দামের পার্থক্য হয়। পাঁচ ফুটের বড় ট্রি’র দাম ২ হাজার থেকে শুরু করে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।

রাজধানীর চকবাজারে বড়দিনের ঘরের সাজসজ্জার পসরা বসে। বিভিন্ন দামের জিনিস পাওয়া যায় এখানে। ডিসিসি মার্কেটে মিলবে একটু উন্নত মানের সামগ্রী। এখানে সম্পূর্ণ সাজানো অবস্থায় ক্রিসমাস ট্রি পাওয়া যায় যেকারণে দাম তুলনায় বেশি।

বড়দিনের সাজসজ্জায় রঙিন বাতির ব্যবহার বেশ প্রচলিত। মরিচ বাতির পাশাপাশি বর্তমানে নানান আকারের- তারা, স্বর্গদূত, বল, ক্রিসমাস ট্রি ইত্যাদি আকারের রঙিন বাতি পাওয়া যায়। এগুলো দাম ৩শ’ টাকা থেকে শুরু।

ঢাকার নিউমার্কেট ও চকবাজারে বাতির নানান রকম দেখা যায়। আকার ভেদে দামের পার্থক্য ঘটে। তবে দামাদামি করে কিনলে সুলভে ভালো পণ্য সংগ্রহ করা যায়।