ঢাকা ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর এআই শেয়ারবাজারে ধস, কেন এই আতঙ্ক ১০ রোগের উপশম হয় যে পাতা খেলে প্রাসঙ্গিকতায় ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ, টানা ছুটির সুযোগ কত দিন বিএনপি একাত্তর থেকে আজ পর্যন্ত বাংলাদেশের পক্ষের শক্তি: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শহীদ জিয়ার নেতৃত্বেই দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা হয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসিনাকে হ্যান্ডকাফ পরেই দেশে আসতে হবে: প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের দশম শ্রেণির ছাত্রী যুথি হত্যায় সাবেক প্রেমিকসহ গ্রেপ্তার ৩ প্রশিক্ষণ নিতে পাকিস্তানে যাচ্ছেন সরকারের ৩৫ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা দেশের ভেতরে-বাইরে থেকে ষড়যন্ত্র হচ্ছে, জবাব দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

সিলেট-রাজশাহী সিটির মেয়র পদে জয়ী নৌকার প্রার্থীরা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:০৩:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জুন ২০২৩
  • ২১৮ বার

রাজশাহী ও সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের দুই প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। তারা হলেন- এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন ও মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী।

জানা যায়, তৃতীয়বারের মতো রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন। ১৫৫ কেন্দ্রের বেসরকারি প্রাথমিক ফলাফলে আওয়ামী লীগের এ প্রার্থী পেয়েছেন ১ লাখ ৬০ হাজার ২৯০ ভোট।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নির্বাচন থেকে সরে যাওয়া ইসলামী আন্দোলনের মুরশিদ আলম ফারুকী পেয়েছেন ১৩ হাজার ৪৮৩ ভোট। আর জাকের পার্টির প্রার্থী লতিফ আনোয়ার গোলাপ ফুল প্রতীকে পেয়েছেন ১১ হাজার ৭১৩ ভোট।

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের আয়তন ৯৬ দশমিক ৭২ বর্গকিলোমিটার। মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৫১ হাজার ৯৮২ জন। এর মধ্যে নতুন ভোটার ৩০ হাজার ১৫৭। পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭১ হাজার ১৬৭ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ৮০ হাজার ৮০৯ জন। হিজড়া ভোটার ৬ জন।

এই সিটিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী এ এইচ এম খায়রুজ্জামান, জাতীয় পার্টির প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ও জাকের পার্টির প্রার্থী লতিফ আনোয়ার মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।

অপরদিকে, সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক) নির্বাচনে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী। নৌকা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১৯ হাজার ৯৯১ ভোট। আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির নজরুল ইসলাম বাবুল পেয়েছেন ৫০ হাজার ৮৬২ ভোট।

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৪২টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ২৭২ জন, আর ১৪টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ৮৭ জন প্রার্থী।

সিলেট সিটিতে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীরা হলেন- আওয়ামী লীগের মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, জাতীয় পার্টির মো. নজরুল ইসলাম, জাকের পার্টির মো. জহিরুল আলম এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আবদুল হানিফ, মো. ছালাহ উদ্দিন, মো. শাহ্ জামান মিয়া ও মোশতাক আহমেদ রউফ মোস্তফা।

সিলেট সিটির মোট ভোটার ৪ লাখ ৮৭ হাজার ৭৫৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫৪ হাজার ৩৬০ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ৩৩ হাজার ৩৮৭ জন ও হিজড়া ভোটার ৬ জন।

দুই সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন ও ফয়সল কাদের ফলাফলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে, বুধবার (২১ জুন) সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। দুই সিটিতেই ভোটগ্রহণ হয় ইভিএমে। রাজশাহী সিটিতে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১৫৫টি, সিলেটে ১৯০টি।

উল্লেখ্য, বরিশাল সিটি নির্বাচনের দিন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মেয়র প্রার্থীর ওপর হামলার অভিযোগে রাজশাহী ও সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেয় দলটি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর এআই শেয়ারবাজারে ধস, কেন এই আতঙ্ক

সিলেট-রাজশাহী সিটির মেয়র পদে জয়ী নৌকার প্রার্থীরা

আপডেট টাইম : ১২:০৩:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জুন ২০২৩

রাজশাহী ও সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের দুই প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। তারা হলেন- এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন ও মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী।

জানা যায়, তৃতীয়বারের মতো রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন। ১৫৫ কেন্দ্রের বেসরকারি প্রাথমিক ফলাফলে আওয়ামী লীগের এ প্রার্থী পেয়েছেন ১ লাখ ৬০ হাজার ২৯০ ভোট।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নির্বাচন থেকে সরে যাওয়া ইসলামী আন্দোলনের মুরশিদ আলম ফারুকী পেয়েছেন ১৩ হাজার ৪৮৩ ভোট। আর জাকের পার্টির প্রার্থী লতিফ আনোয়ার গোলাপ ফুল প্রতীকে পেয়েছেন ১১ হাজার ৭১৩ ভোট।

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের আয়তন ৯৬ দশমিক ৭২ বর্গকিলোমিটার। মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৫১ হাজার ৯৮২ জন। এর মধ্যে নতুন ভোটার ৩০ হাজার ১৫৭। পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭১ হাজার ১৬৭ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ৮০ হাজার ৮০৯ জন। হিজড়া ভোটার ৬ জন।

এই সিটিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী এ এইচ এম খায়রুজ্জামান, জাতীয় পার্টির প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ও জাকের পার্টির প্রার্থী লতিফ আনোয়ার মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।

অপরদিকে, সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক) নির্বাচনে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী। নৌকা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১৯ হাজার ৯৯১ ভোট। আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির নজরুল ইসলাম বাবুল পেয়েছেন ৫০ হাজার ৮৬২ ভোট।

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৪২টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ২৭২ জন, আর ১৪টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ৮৭ জন প্রার্থী।

সিলেট সিটিতে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীরা হলেন- আওয়ামী লীগের মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, জাতীয় পার্টির মো. নজরুল ইসলাম, জাকের পার্টির মো. জহিরুল আলম এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আবদুল হানিফ, মো. ছালাহ উদ্দিন, মো. শাহ্ জামান মিয়া ও মোশতাক আহমেদ রউফ মোস্তফা।

সিলেট সিটির মোট ভোটার ৪ লাখ ৮৭ হাজার ৭৫৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫৪ হাজার ৩৬০ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ৩৩ হাজার ৩৮৭ জন ও হিজড়া ভোটার ৬ জন।

দুই সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন ও ফয়সল কাদের ফলাফলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে, বুধবার (২১ জুন) সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। দুই সিটিতেই ভোটগ্রহণ হয় ইভিএমে। রাজশাহী সিটিতে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১৫৫টি, সিলেটে ১৯০টি।

উল্লেখ্য, বরিশাল সিটি নির্বাচনের দিন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মেয়র প্রার্থীর ওপর হামলার অভিযোগে রাজশাহী ও সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেয় দলটি।