ঢাকা ০৩:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতিতে উন্নীতকরণের কাজ চলমান পুলিশে বড় নিয়োগ, কোন জেলায় পদসংখ্যা কত জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরে এসেছে আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ২ আসামির ফাঁসি, ৩ জনের যাবজ্জীবন ইহুদিদের জীবনে কিয়ামতের প্রলয়! তেল আবিব-জেরুজালেম জ্বালিয়ে দেওয়ার শপথ হিজবুল্লাহর ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত: বিশ্বের নজর এখন ইসলামাবাদে বাণিজ্য ঘাটতি ৮ মাসে দুই লাখ কোটি টাকা অতিক্রম শ্রমিক নিয়োগে ‘জিরো কস্ট’ নীতি, মালয়েশিয়ার বাজারে ফিরছে বাংলাদেশ কুড়িগ্রামে পেঁয়াজ বীজ উৎপাদন, আশার আলো দেখছেন কৃষকেরা বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনার শেষ দুই ম্যাচের সূচি ঘোষণা

ভারতে আমি নিজে থেকে আসিনি, এটা সবাই জানে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৪৯:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জুন ২০১৬
  • ৩৫৩ বার

ভারতের মেঘালয় রাজ্যের শিলং-এ অবস্থানরত বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন বাংলাদেশে দু’মাস `বন্দি থাকা অবস্থায়` তিনি ভয়ংকর অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছেন।

শিলং-এ বিবিসি সংবাদদাতা অমিতাভ ভট্টশালীকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে মি: আহমেদ বলেন তিনি স্বেচ্ছায় ভারতে আসেননি।

মি: আহমেদ দাবী করেন, বাংলাদেশ থেকে তাকে `অপহরণ` করা হয়েছিল এবং যারা `অপহরণ` করেছে তারাই তাকে হাত-পা এবং চোখ বেঁধে ভারতে রেখে গেছে।

কিন্তু কারা তাকে অপহরণ করেছে সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি বিএনপি’র এই নেতা।

সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, “দু’মাস আমি তাদের কাস্টডিতে ( কারাগারে) ছিলাম। এর চাইতে আর কী বলা যাবে? ”

কিন্তু এ দু’মাস সে কাস্টডিতে কেমন ছিলেন তিনি? বিবিসি’র অমিতাভ ভট্টশালীর এমন প্রশ্নের জবাবে মি: আহমেদ বলেন , “ যেভাবে মানুষ কবরে থাকে। অনেকটা ওরকম।”

গত প্রায় এক বছর ধরে শিলং-এ আছেন সালাউদ্দিন আহমেদ। ২০১৫ সালের মার্চ মাসের দিকে ঢাকার উত্তরার একটি বাসা থেক নিখোঁজ হয়েছিলেন তিনি।

তার দল বিএনপি’র তরফ থেকে অভিযোগ করা হয়েছিল আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এর সাথে জড়িত।
বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করে বলেছিলেন সালাউদ্দিন আহমেদ র‍্যাবের হেফাজতে আছে। এর কিছুদিন পরেই ভারতের মেঘালয়ে সালাউদ্দিন আহমেদের সন্ধান মেলে।

যদিও বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তরফ থেকে বিএনপি’র অভিযোগ নাকচ করে দেয়া হয়।

বর্তমানে মেঘালয়ের একটি আদালতে মি: আহমেদের বিরুদ্ধে অবৈধ অনুপ্রবেশের মামলা চলছে। এই মামলার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে আছে বলে তিনি বিবিসিকে জানিয়েছেন।

মি: আহমেদ বলেন, “ভারতে আমি নিজে থেকে আসিনি। এটা সবাই জানে। এই বিষয়টি আদালতকে বোঝানোর চেষ্টা করবো। আশা করি ন্যায় বিচার পাব।”

বিএনপি’র এই নেতা বিবিসিকে জানান. গত এক বছরে তিনি ভারতে চিকিৎসা নিয়েছেন। এজন্য মেঘালয় রাজ্য সরকারের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতিতে উন্নীতকরণের কাজ চলমান

ভারতে আমি নিজে থেকে আসিনি, এটা সবাই জানে

আপডেট টাইম : ১২:৪৯:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জুন ২০১৬

ভারতের মেঘালয় রাজ্যের শিলং-এ অবস্থানরত বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন বাংলাদেশে দু’মাস `বন্দি থাকা অবস্থায়` তিনি ভয়ংকর অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছেন।

শিলং-এ বিবিসি সংবাদদাতা অমিতাভ ভট্টশালীকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে মি: আহমেদ বলেন তিনি স্বেচ্ছায় ভারতে আসেননি।

মি: আহমেদ দাবী করেন, বাংলাদেশ থেকে তাকে `অপহরণ` করা হয়েছিল এবং যারা `অপহরণ` করেছে তারাই তাকে হাত-পা এবং চোখ বেঁধে ভারতে রেখে গেছে।

কিন্তু কারা তাকে অপহরণ করেছে সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি বিএনপি’র এই নেতা।

সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, “দু’মাস আমি তাদের কাস্টডিতে ( কারাগারে) ছিলাম। এর চাইতে আর কী বলা যাবে? ”

কিন্তু এ দু’মাস সে কাস্টডিতে কেমন ছিলেন তিনি? বিবিসি’র অমিতাভ ভট্টশালীর এমন প্রশ্নের জবাবে মি: আহমেদ বলেন , “ যেভাবে মানুষ কবরে থাকে। অনেকটা ওরকম।”

গত প্রায় এক বছর ধরে শিলং-এ আছেন সালাউদ্দিন আহমেদ। ২০১৫ সালের মার্চ মাসের দিকে ঢাকার উত্তরার একটি বাসা থেক নিখোঁজ হয়েছিলেন তিনি।

তার দল বিএনপি’র তরফ থেকে অভিযোগ করা হয়েছিল আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এর সাথে জড়িত।
বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করে বলেছিলেন সালাউদ্দিন আহমেদ র‍্যাবের হেফাজতে আছে। এর কিছুদিন পরেই ভারতের মেঘালয়ে সালাউদ্দিন আহমেদের সন্ধান মেলে।

যদিও বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তরফ থেকে বিএনপি’র অভিযোগ নাকচ করে দেয়া হয়।

বর্তমানে মেঘালয়ের একটি আদালতে মি: আহমেদের বিরুদ্ধে অবৈধ অনুপ্রবেশের মামলা চলছে। এই মামলার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে আছে বলে তিনি বিবিসিকে জানিয়েছেন।

মি: আহমেদ বলেন, “ভারতে আমি নিজে থেকে আসিনি। এটা সবাই জানে। এই বিষয়টি আদালতকে বোঝানোর চেষ্টা করবো। আশা করি ন্যায় বিচার পাব।”

বিএনপি’র এই নেতা বিবিসিকে জানান. গত এক বছরে তিনি ভারতে চিকিৎসা নিয়েছেন। এজন্য মেঘালয় রাজ্য সরকারের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।