,

download (1)

কয়েক বছর ধরেই ব্রিটেনে রয়েছে মাঙ্কিপক্স! মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ইংল্যান্ডে মাঙ্কিপক্সে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। নতুন করে সে দেশে আরও সাতজন মাঙ্কি ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন। এই নিয়ে ব্রিটেনে মাঙ্কিপক্সে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭৮। বিশেষজ্ঞদের দাবি, গত কয়েক বছর ধরেই সেখানে অদৃশ্য অবস্থায় ভাইরাসটির অস্তিত্ব ছিল।

আচমকা মাঙ্কিপক্সের দাপাদাপি শুরু হয় পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকায়। কমপক্ষে ২০টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাস। ২০০ জনেরও বেশি মানুষ মাঙ্কিপক্সে সংক্রমিত হয়েছেন। অনেককে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এই প্রথমবার আফ্রিকার বাইরে এই সংক্রমণ ছড়াল। ব্রিটেনে মাঙ্কিপক্স রুখতে জোরদার তৎপরতা নেওয়া হয়েছে। যাঁরা সংক্রমিত হয়েছেন, তাঁদের আইসোলেশনে রাখা হচ্ছে। তাঁদের স্মলপক্সের ভ্যাকসিনও দেওয়া হচ্ছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, সমকামী পুরুষরাই বেশি আক্রান্ত হয়েছেন।

এত অল্প সময়ের ব্যবধানে কী ভাবে এতগুলো দেশে মাঙ্কি ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ল, সে ব্যাপারে জানতে গবেষণা চালাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। অনেকে সন্দেহ করছেন যে, বেশ কয়েক বছর ধরেই অদৃশ্য অবস্থায় ব্রিটেন ও ইউরোপে অস্তিত্ব রয়েছে মাঙ্কিপক্সের। সংক্রমণের তীব্রতা সে সময় একেবারেই কম ছিল। এই প্রসঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষজ্ঞ দলের প্রধান ডেভিড হেমন জানিয়েছেন, দু-তিন বছর আগেই হয়ত ব্রিটেনে এই ভাইরাসের প্রবেশ ঘটেছিল। ২০১৮ সাল ও ২০১৯ সালের মধ্যে ব্রিটেনে চারজন মাঙ্কিপক্স আক্রান্ত হয়েছিলেন। তারা সকলেই নাইজেরিয়া থেকে ফিরেছিলেন সে সময়। গত বছরেও নাইজেরিয়া ফেরত তিন জনের দেহে এই ভাইরাস মিলেছিল। উল্লেখ্য, ইংল্যান্ডে এ বছর প্রথম মাঙ্কিপক্স আক্রান্তের হদিশ মেলে যে ব্যক্তির, তিনিও নাইজেরিয়া থেকে ফিরেছিলেন।

ব্রিটেনের স্বাস্থ্য বিভাগের আশঙ্কা, সমকামী ও উভকামী পুরুষদের যৌনচক্র থেকেই তাদের দেশে ছড়িয়েছে মাঙ্কি ভাইরাসের সংক্রমণ। নাক-মুখ-চোখের পাশাপাশি আক্রান্তের পোশাক থেকেও এই ভাইরাস ছড়াতে পারে বলে আশঙ্কা। জলবসন্ত বা গুটি বসন্তের মতো হলেও এই ভাইরাসটি বিরল বলেই এখনও এই রোগের চিকিৎসা পদ্ধতি বিশেষজ্ঞদের অজানা। সে ভাবে প্রাণঘাতী না-হলেও এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে সপ্তাহতিনেক জ্বর, ব্যথা প্রভৃতি উপসর্গ দেখা যাচ্ছে।

সূত্র: টিওআই।

Print Friendly, PDF & Email

     এ ক্যাটাগরীর আরো খবর