,

1650528991_6260b8631477d

তুমুল জনপ্রিয়তা, বিশ্ব রেকর্ড গড়ল ইমরান খানের ‘টুইটার সমাবেশ’

হাওর বার্তা ডেস্কঃ পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) চেয়ারম্যান ইমরান খান বুধবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে একটি ভার্চুয়াল সমাবেশের আয়োজন করেছিলেন। মাত্র কয়েক মিনিটেই সে সমাবেশে রেকর্ড সংখ্যক মানুষ যোগ দেয়।

সারা বিশ্ব থেকে প্রায় ৫ লাখ ব্যবহারকারী (৪ লাখ ৪৬ হাজারের বেশি) ইমরান খানের সাথে স্পেসেসের মাধ্যমে যোগাযোগ করেছেন, এটি টুইটারের একটি অডিও লাইভ সুবিধা। তাতে যোগদানকারী ব্যবহারকারীর গড় সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৬৫ হাজার। প্রোগ্রামটি অন্যান্য প্ল্যাটফর্মেও লাইভ-স্ট্রিম করা হয়েছিল যেখানে হাজার হাজার মানুষ ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে যোগ দিয়েছেন।

পাকিস্তানের অভ্যন্তরে এবং দেশের বাইরে থেকে আসা পিটিআই সমর্থকরা এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের নেতার প্রতি তাদের সমর্থন এবং উদ্বেগ জানাতে সক্ষম হয়েছিল। পিটিআই নেতা বলেছেন যে, এই মাসের শুরুতে তার সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তার সমর্থনে এত বিশাল জনতা আসবে বলে তিনি আশা করেননি। ‘আসলে যত মানুষ যোগ দিয়েছে তার মাত্র পাঁচ শতাংশ আশা করেছিলাম। আমি যখন মানুষকে দেখেছিলাম তখন আমি খুব খুশি হয়েছিলাম কারণ আমি একটি জাতিকে উত্থান হতে দেখেছি … প্রথমবারের মতো আমি দেখলাম ৭৫ বছর আগে আমাদের কোথায় থাকা উচিত ছিল,’ তিনি যোগ করেছেন।

বিদেশে থাকা পাকিস্তানিদের বিক্ষোভকে ‘অভূতপূর্ব’ বলে অভিহিত করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন যে, জনগণ রাজনৈতিকভাবে সচেতন হওয়ায় ষড়যন্ত্র আর কাজ করবে না। সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্টদের উপর এফআইএ কর্তৃক ক্র্যাকডাউন এবং এই প্রচারাভিযানের প্রবণতায় পিএমএল-এন বট জড়িত থাকার অভিযোগের মধ্যে, পিটিআই নেতা তার সমর্থকদের পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে কিছু না বলার জন্য অনুরোধ করেছিলেন। ‘কখনও সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে কথা বলবেন না। সেনাবাহিনী না থাকলে আমরা বাঁচতাম না। ইমরান খানের চেয়ে সেনাবাহিনী বেশি প্রয়োজন,’ বলেন তিনি।
তিনি যোগ করেছেন যে পাকিস্তানের শত্রুরা সেনাবাহিনীর উপর আক্রমণ করছে এবং নওয়াজ শরীফ এবং আসিফ জারদারি উভয়েই ক্ষমতায় থাকাকালীন সেনাবাহিনীকে দুর্বল করেছিলেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে, ইমরান খান বলেন, ইসিপির রায় ‘পিটিআই-বিরোধী’। ‘যেদিন তিনটি পক্ষের (বিদেশী তহবিল) মামলা একযোগে শোনা হবে, এটি স্পষ্ট হবে যে শুধুমাত্র পিটিআই-এর অর্থায়নের একটি সঠিক ব্যবস্থা রয়েছে,’ তিনি যোগ করেছেন।
ভবিষ্যৎ কৌশলের পরিপ্রেক্ষিতে এবং নির্বাচনে পিটিআই সদস্যদের মনোয়ন দেয়ার ক্ষেত্রে, চেয়ারম্যান বলেছিলেন যে, তারা ভুল লোকদের টিকিট দিয়েছে এবং তিনি পরের বার আদর্শিক কর্মীদের পছন্দ করবেন। ‘গতবার আমি নিজে টিকিট দেইনি। এবার আমি যাচাই-বাছাই ছাড়া একটি টিকিট অনুমোদন করব না,’ খান বলেন। সূত্র: ডন।

Print Friendly, PDF & Email

     এ ক্যাটাগরীর আরো খবর